Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২০ , ৩১ আষাঢ় ১৪২৭

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৫-১৪-২০২০

‘ম্যাসেজ ওপেন করতেই দেখি প্রধানমন্ত্রী টাকা পাঠিয়েছেন’

‘ম্যাসেজ ওপেন করতেই দেখি প্রধানমন্ত্রী টাকা পাঠিয়েছেন’

রাজবাড়ী, ১৫ মে- বালিয়াকান্দি ইউএনও একেএম হেদায়েতুল ইসলামের সঙ্গে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের আওতায় টাকা পাওয়া যুবক শরিফুল মিয়া।বালিয়াকান্দি ইউএনও একেএম হেদায়েতুল ইসলামের সঙ্গে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের আওতায় টাকা পাওয়া যুবক শরিফুল মিয়া।

‘আমি গরিব মানুষ। মোবাইলে এক সঙ্গে ৫০ টাকার উপরে কোনো দিন ফ্লেক্সিলোড করি নাই। কেউ কোনো দিন মোবাইলে টাকাও দেয় নাই। কিন্তু বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেলে মোবাইলে একটি ম্যাসেজ আসে। ম্যাসেজ ওপেন করতেই দেখি ২ হাজার ৫৩৬ টাকা পাঠিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রথমে যেন বিশ্বাসই হচ্ছিল না। সত্যি খুব ভালো লাগছে।’

কিছুটা আবেগতাড়িত হয়ে এ প্রতিবেদকের কাছে কথাগুলো বলছিলেন রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি সদর ইউনিয়নের ভীমনগর গ্রামের হতদরিদ্র সিরাজুল ইসলামের ছেলে শরিফুল মিয়া (২৫)।

শুধু শরিফুল মিয়াই নয়, বালিয়াকান্দি উপজেলার শালমারা গ্রামের আমোদ আলীর ছেলে কামরুল ইসলামও (২৫) তার মোবাইলে ২ হাজার ৫৩৬ টাকা পেয়েছেন।

মূলত করোনার প্রাদুর্ভাবে গোটা বিশ্বের মতো বাংলাদেশও স্থবির হয়ে পড়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি কষ্টে আছে নিম্ন আয়ের মানুষ। কাজ করতে না পারায় পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে তারা।

এ কারণে তালিকা করে সরকারিভাবে বিভিন্ন স্থানে ত্রাণ বিতরণ করা হচ্ছে। এরপরেও নিম্ন আয়ের মানুষরা যাতে না খেয়ে থাকে সেজন্য সরকার থেকে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

ইতোমধ্যে হতদরিদ্র ও কর্মহীন ৫০ লাখ পরিবারকে নগদ অর্থ সহায়তা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই সহায়তার অর্থ মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বিনা খরচে ওই সব পরিবারগুলোতে পৌঁছে দেয়া হচ্ছে।

এই মোবাইল ব্যাংকিংয়ের আওতায় বালিয়াকান্দির দরিদ্র শরিফুল মিয়া ও কামরুল ইসলাম টাকা পেয়েছেন। এদের মধ্যে শরিফুল মিয়া অটোরিকশা ও কামরুল ভ্যান চালক।

শরিফুল মিয়া ও কামরুল ইসলাম এ প্রতিবেদকের বলেন, ‘সামনে ঈদ। হাতে টাকা নেই, কাজও নেই। তাই সংসার নিয়ে চিন্তায় ছিলাম। তবে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী আমাদের কাছে টাকা পাঠিয়েছেন। কিন্তু প্রথমে আমাদের বিশ্বাস হচ্ছিল না। পরে আমরা বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) একেএম হেদায়েতুল ইসলামের কাছে আসি। স্যার আমাদের মোবাইল দেখে জানান এ টাকা প্রধানমন্ত্রী পাঠিয়েছেন। সত্যি আমরা অনেক খুশি হয়েছি। প্রধানমন্ত্রীর জন্য মন ভরে দোয়া করছি।’

বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) একেএম হেদায়েতুল ইসলাম এ প্রতিবেদককে জানান, প্রধানমন্ত্রীর মোবাইল ব্যাংকিং কার্যক্রমের আওতায় বালিয়াকান্দির ৮৫০০ জন অসহায় কর্মহীন মানুষ সুবিধা পাবে। এর মধ্যে আজ দুইজন টাকা পেলেন। বাকিরাও পর্যায়ক্রমে টাকা পাবেন।

সূত্র: বার্তা২৪

আর/০৮:১৪/১৪ মে

রাজবাড়ী

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে