Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২০ , ২৯ আষাঢ় ১৪২৭

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৫-১৪-২০২০

মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে রাজ্যপালের কড়া চিঠি!

মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে রাজ্যপালের কড়া চিঠি!

কলকাতা, ১৪ মে- কলকাতায় পৌরসভা প্রশাসক মণ্ডলি বসিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে সংবিধান বিরোধী কাজ করেছেন, তার জবাব চেয়ে কড়া চিঠি লিখেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। এই চিঠিতে মমতাকে ‘প্রিয় মুখ্যমন্ত্রী’ সম্বোধন করে কোন পদ্ধতিতে কলকাতায় পৌরসভা প্রশাসক মণ্ডলির সদস্যদের বাছা হয়েছে, তা জানতে চেয়েছেন রাজ্যপাল।

বৃহস্পতিবার এর জবাব চেয়ে রাজ্যপাল তৃতীয়বার মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি পাঠিয়েছেন বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে ভারতীয় সম্প্রচার মাধ্যম জি নিউজ।

গত ৬ মে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার কলকাতায় পৌরসভা প্রশাসক মণ্ডলি বসানোর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে ১৪ সদস্যের প্রশাসক মণ্ডলির নাম ঘোষণা করা হয়। জরুরি পরিস্থিতিতে প্রশাসক মণ্ডলি বসানোয় রাজ্যপালের অনুমোদন রয়েছে, এই যুক্তি উল্লেখ করে প্রশাসক মণ্ডলির বিজ্ঞপ্তি জারি করে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার।

এ পরিপ্রেক্ষিতে মুখ্যসচিবকে পাল্টা চিঠি দেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। মুখ্যসচিব সেই চিঠির উত্তর না দেওয়ায় ৭ তারিখ মুখ্যমন্ত্রীকে ফের চিঠি দেন রাজ্যপাল। সংবিধানের ধারা উল্লেখ করে রাজ্যপালকে তথ্য জানানো মুখ্যমন্ত্রীর কর্তব্য বলে চিঠিতে উল্লেখ করেন তিনি। যদিও সেই চিঠির উত্তর এখনো দেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই আবার মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন রাজ্যপাল।

রাজ্যপাল ধনখড় চিঠিতে লিখেছেন, ‘মুখ্যসচিবের কাছে চিঠি দিয়ে কিছু তথ্য জানতে চেয়েছিলাম। উনি সেগুলি না দেওয়ায় আমি আপনার কাছেও তা জানতে চেয়েছিলাম। এখনো পর্যন্ত সেই তথ্যের অপেক্ষায় রয়েছি।’

রাজ্যপাল আরও বলেছেন, ‘আপনি যেমন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে আপনার দায়িত্বপূরণের ক্ষেত্রে সংবিধানকে অনুসরণ করে চলতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, আমিও রাজ্যপাল হিসেবে তার রক্ষণ ও নিরাপত্তাবিধানে। KMC-র বিজ্ঞপ্তি সক্রান্ত যে তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে তা সঙ্গতভাবে অনুচ্ছেদ ১৬৭-র অন্তর্ভুক্ত... অনুচ্ছেদ ১৬৭ অনুযায়ী রাজ্যপালের প্রতি দায়িত্বপালনের ক্ষেত্রে আপনার এই লাগাতার নীরবতা দুর্ভাগ্যজনক ও অনুচ্ছেদ ১৬৪-র শপথের পরিপন্থী এবং সংবিধানের স্বত্তা ও ভাবেরও বিরোধী।’ শেষে এই চিঠি পাওয়ার পরই অবিলম্বে তার উত্তর দিতে বলা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীকে।

উল্লেখ্য, ইতোমধ্যেই ফিরহাদ হাকিমের নেতৃত্বে কলকাতা পৌরসভার পরিচালন দায়িত্ব গ্রহণ করেছে প্রশাসক বোর্ড। অন্যদিকে, একটি জনস্বার্থ মামলার পরিপ্রেক্ষিতে এই প্রশাসক মণ্ডলিকে ‘কেয়ার টেকার বোর্ড’ হিসেবে উল্লেখ করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। ২০ জুলাই পর্যন্ত এই প্রশাসক বোর্ডকে কাজ করার অনুমতি দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ।

সূত্র : আমাদের সময়
এম এন  / ১৪ মে

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে