Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২০ , ১৮ আষাঢ় ১৪২৭

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৫-০৪-২০২০

শেবাচিম কলেজের টেকনোলজিস্ট দেড় মাস ধরে অনুপস্থিত

শেবাচিম কলেজের টেকনোলজিস্ট দেড় মাস ধরে অনুপস্থিত

বরিশাল, ০৫ মে- 'করোনা প্রাদুর্ভাব চলাকালী সময়ে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্বাস্থ্য খাতের সঙ্গে যুক্ত সকল কর্মকর্তা, কর্মচারী, নার্স এবং চিকিৎসকদের ছুটি প্রাপ্য হবে না।' চলতি বছরের ১৯ মার্চ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে এমনই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

কিন্তু বরিশাল শেরে-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজের এক টেকনোলজিস্ট দীর্ঘ দেড় মাস ধরে বিনা অনুমতিতে কলেজে অনুপস্থিত রয়েছে। তিনি হচ্ছেন- এনাটমি টেকনোলজিস্ট মাহমুদা খানম।

এদিকে করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ টেকনোলজিস্ট সংকট থাকায় মাইক্রোবায়োলজি বিভাগে স্থাপন করা আরটি-পিসিআর ল্যাব চলছে কোনোভাবে জোড়াতালি দিয়ে। 

মেডিক্যাল কলেজ সূত্রে জানা গেছে, ‘দীর্ঘ বছর ধরেই দক্ষিণাঞ্চলের এই মেডিক্যাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিতে টেকনোলজিস্ট সংকট রয়েছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে ৪ জন নারীসহ মোট ১২ জন টেকনোলজিস্ট কাজ করছেন বিভিন্ন বিভাগে। সংকট জনবলের মধ্য দিয়ে ৮ জনকে দিয়ে মেডিক্যাল কলেজের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগে স্থাপন করা কভিড-১৯ পরীক্ষার আরটি-পিসিআর ল্যাবের কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

এ সুযোগে এ্যানাটমি’র হিস্টোলজি ল্যাবের মেডিক্যাল টেকনোজিস্ট মাহমুদা খানম গোটা এপ্রিল মাসসহ চলতি মাসের এ অব্দি আসেননি কর্মস্থলে। শুধু তাই নয়, মার্চ মাসে কর্মস্থলে এসেছেন ১৬ দিন। মার্চ মাসের কোনো এক সময়ে এসে হাজিরা খাতায় পুরো মাসের স্বাক্ষর প্রদান করেন। বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানার পরে হাজিরার স্থলে কর্তৃপক্ষ ক্রোস চিহ্ণ দিয়ে মার্কিং করে রেখেছেন।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে মাহমুদা খানম মোবাইলে জানান, তার সঙ্গে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। তিনি মার্চ মাসের শেষ দিন পর্যন্ত অফিসে গেছেন। এরপর তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করেন এবং একটি ছুটির দরখাস্তও কর্তৃপক্ষের কাছে দিয়ে এসেছেন। আর তারপরে লকডাউন শুরু হয়ে যাওয়ায় তিনি যানবাহন সংকটের কারণে গৌরনদী উপজেলার বাসস্থান থেকে অফিসে আসতে পারেননি। বর্তমানে তিনি সেখানেই আছেন বলেও জানান।

এনাটমি বিভাগের ক্লার্ক সুশীল চন্দ্র জানান, মাহমুদা খানম একটি ছুটির দরখাস্ত যেটি দিয়েছিলেন, সেটি কর্তৃপক্ষ পাশ করেননি। আর পাশ হওয়ার আগেই তিনি অফিসে আসা বন্ধ করে দেন এবং আজ অব্দি তিনি অফিসে আসেননি।

এ বিষয়ে কলেজের প্রশাসনিক বিভাগের প্রধান সহকারী দীপক চন্দ্র জানান, এ বিষয়ে তারা মৌখিকভাবে শুনেছেন, তবে বিভাগ থেকে লিখিতভাবে বিষয়টি জানানো হয়নি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি আজ জানতে পেরে লিখিতভাবে জানানোর জন্য কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন।

মেডিক্যাল কলেজের দায়িত্বপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডা. এস এম সরোয়ার জানান, তিনি বিষয়টি মৌখিকভাবে শোনার পরপরই সংশ্লিষ্ট বিভাগের দায়িত্বরতদের ডেকেছেন। তাদের কাছ থেকে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর না থাকা এবং বিনানুমতিতে অনুপস্থিত থাকার বিষয়টি জেনেছেন। বিভাগ থেকে বিষয়টি লিখিতভাবে দিতে বলা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সিদ্ধান্ত নিয়ে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

সূত্র: কালের কণ্ঠ
এম এন  / ০৫ মে

বরিশাল

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে