Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২০ , ২৫ আষাঢ় ১৪২৭

গড় রেটিং: 3.0/5 (10 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৪-২৪-২০২০

রায়পুরায় সাবেক ইউপি সদস্যকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়

রায়পুরায় সাবেক ইউপি সদস্যকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়

নরসিংদী, ২৪ এপ্রিল- নরসিংদীর রায়পুরার চরাঞ্চলের বাঁশগাড়িতে মো. রহমত উল্লাহ (৬৩) নামে সাবেক ইউপি সদস্যকে স্থানীয় দুই সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে অপহরণের পর তার কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। ওই সময় সন্ত্রসীরা তার মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে মারধর করে। গত বুধবার রাতে (২২ এপ্রিল) উপজেলার বাঁশগাড়ি ও মির্জাচর ইউনিয়নের মধ্যবর্তী স্থানে এ ঘটনা ঘটে। তিনি একই ইউনিয়নের বালুয়াকান্দি গ্রামের মৃত আদম আলীর ছেলে।

অভিযুক্ত দুইজন হলো, বাঁশগাড়ি ইউনিয়নের দিঘলীকান্দি গ্রামের মৃত আবুল মাজেদের ছেলে মো. এরশাদ (২৭) ও বালুয়াকান্দি গ্রামের মৃত খোকা মিয়ার ছেলে আবু হানিফ (৩২)।

পুলিশ জানায়, এরশাদ ও হানিফের বিরুদ্ধে এলাকায় হত্যা ও নারী নির্যাতনে একাধিক মামালা রয়েছে। এরশাদ নারী নির্যাতনে একটি মামলায় ছয়মাস কারাভোগের পর জামিনে ছাড়া পেয়েছেন।

এদিকে দুইদিন পর শুক্রবার ভুক্তভোগী রহমত উল্লাহ ঘটনাটি তার পরিবার, প্রতিবেশী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের জানান। এলাকায় ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয়রা সন্ত্রাসী এরশাদ ও হানিফকে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানান। অভিযুক্ত দুইজনের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্ততি নিচ্ছেন বলে জানান রহমত উল্লাহ। এই ঘটনার পর ওই দুই সন্ত্রাসী গা ঢাকা দিয়েছে বলে জানা গেছে।

এ ব্যাপারে রহমত উল্লাহ বলেন, ঘটনার দিন বুধবার সন্ধ্যায় বাঁশগাড়ি বাজারের একটি ফার্মেসি থেকে গবাদি পশুর জন্য ওষুধ কিনে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। ওই মুহুর্তে স্থানীয় এক যুবক তাকে ডেকে নিয়ে যায় বাজারের তেঁতুলগাছ তলায়। এরশাদ ও আবু হানিফ সেখানে আগে থেকেই বসে ছিলেন। তিনি তেঁতুলগাছ তলায় পৌঁছানোর পরই ওই দুজন তাকে জোরপূর্বক মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে চলে যায়। রাত তখন সাড়ে সাতটা। রহমত উল্লাহকে নিয়ে যাওয়া হয় বাঁশগাড়ি ও মির্জাচরের মধ্যবর্তী নির্জন চরে। তখন তার কাছে দাবি করা হয় দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ। তিনি এত টাকা দিতে পারবেন না জানালে তারা তাকে মারধর ও মাথায় অস্ত্র ঠিকিয়ে হত্যার হুমকি দেয়। তখন তিনি এক বন্ধুর কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে তাদের নম্বরে বিশ হাজার টাকা আনান। অবশেষে বিশ হাজার টাকায় জিম্মিদশা থেকে মুক্তি পান তিনি। এরশাদ ও হানিফা তার সঙ্গে থাকা হ্যান্ডসেটটি ছিনিয়ে নেয়। পরে অবশ্যই তা আবার দিয়ে দেয়।

রহমত উল্লাহ বলেন, তখন তাদের এক বন্ধু একটি ব্যাগে করে আরো অস্ত্র নিয়ে আসে। তারা আমাকে বলেন ঘটনাটি যেন কাউকে না জানাই। যদি পুলিশ ও অন্য কাউকে জানাই তাহলে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।

এ ব্যাপারে বাঁশগাড়ি তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (পুলিশ ইন্সপেক্টর) গোবিন্দ্র সরকার বলেন, এ ঘটনার ব্যাপারে তিনি কিছুই জানেন না। থানায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সূত্র : কালের কণ্ঠ
এম এন  / ২৪ এপ্রিল

নরসিংদী

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে