Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, রবিবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২০ , ১৩ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.9/5 (10 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১২-০৯-২০১৩

প্রেমিকার আত্মহত্যার খবরে প্রেমিকের আত্মহত্যা


	প্রেমিকার আত্মহত্যার খবরে প্রেমিকের আত্মহত্যা

ময়মনসিংহ, ০৯ ডিসেম্বর- প্রেমিকার শরীরে আগুন দিয়ে আত্মহত্যার খবরে এক প্রেমিক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে আজ রবিবার ভোরে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে।

খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, টাঙ্গাইলের ভুয়াপুর উপজেলার অর্জুনা ইউনিয়নের তাড়াই গ্রামের মো. তফাজ্জলের পুত্র মো. লিটন মিয়া (২০) ভালোবেসে সর্ম্পক গড়ে তোলে প্রতিবেশী মোমেন আলীর মেয়ে মুনমুনের (১৫) সাথে। মুনমুন স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণির ছাত্রী। তাদের এ সর্ম্পক জেনে যায় মুনমুনের বিত্তশালী পরিবার। নিম্মবিত্ত পরিবারের ছেলে লিটনের সাথে এ সর্ম্পক কোনোভাবেই মেনে নিতে পারেনি মুনমুনের পরিবার।

প্রেমিকের পিরাপিরিতে নিজের আয় উপার্জনের পর দু’জনের বিয়ের সিদ্ধান্ত দেয় প্রেমিকার পরিবার। এ অবস্থায় চলে আসে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে। এখানে সে বোলার আলগী নামক এলাকায় এক ঠিকাদারের ব্রিজ নির্মাণে দৈনিক ভিক্তিতে শ্রমিকের কাজ নেয়। আর এখানেই শুনতে পায় তার প্রেমিকা শরীরে আগুন ধরিয়ে আত্মহত্যা করেছে। আর এ অবস্থাতেই নিজের প্রাণও বির্সজন দিলো ব্রিজের সেন্টারিং এর বাঁশের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে।

লিটনের সাথে কাজ করতে আসা পলাশ জানান, মুনমুনও লিটনের সর্ম্পক নষ্ট করার জন্য মুনমুনের পরিবার মুনমুনের স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেয়। এবং মুনমুনকে পেতে হলে লিটনকে আয় রোজগার করার জন্য পরামর্শ দেয়। এ অবস্থায় লিটন তাদের ২৭ জনের একটি দলের সাথে কাজ করার জন্য গত এক মাস আগে ঈশ্বরগঞ্জে চলে আসে। আর এরই মধ্যে লিটন জানতে পারে মুনমুনেকে অন্যত্র বিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে সে মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়ে। লিটন গতকাল শনিবার জানতে পারে মুনমুন শরীরে আগুন ধরিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে এবং রাতে সে হাসপাতালে মারা গেছে। এ খবরে লিটন খাওয়া-দাওয়া ছেড়ে কাজ করা থেকে বিরত থাকে। পরে আজ রবিবার ভোরে তার ঝুলন্ত লাশ পাওয়া যায় ব্রিজের সেন্টারিং এর বাঁশে।

লিটনের সহকর্মী বাবু নামে আরেকজন জানান, লিটন তাদের কয়েকজসের সাথে প্রায়ই বলতো কয়েকমাস কাজ করে টাকা জমিয়ে এলাকায় গিয়ে একটি দোকান দিবে। এর পর মুনমুনকে বিয়ে করবে। বাড়ি থেকে আসার সময় লিটন স্মৃতি হিসেবে মুনমুনের ব্যবহৃত ওড়না নিয়ে আসে । আর সেই ওড়না দিয়ে ফাঁস লাগায়।
ভুয়াপুর উপজেলার অর্জুনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী মোল্লা  মুনমুন মারা যাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্রেম ঘটিত বিষয়ে মেয়েটি আত্মহত্যা করেছে।

ঈশ্বরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক মো. ফারুক হোসেন জানান, প্রেমিকার মৃত্যুর খবরেই লিটন আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ময়মনসিংহ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে