Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ , ১৫ ফাল্গুন ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.7/5 (3 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১২-২৫-২০১১

শহীদ মিনারে আবদুর রাজ্জাকের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা

শহীদ মিনারে আবদুর রাজ্জাকের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা
মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রাজ্জাকের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছে দেশের রাজনৈতিক দল, সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের মানুষ।

রাজ্জাকের মরদেহ লন্ডন থেকে রোববার দুপুরে ঢাকায় আনার পর জাতীয় সংসদ ভবন এবং জাতীয় ঈদগাঁ ময়দানে দুটি জানাজার পর মরদেহ নেওয়া হয় শহীদ মিনারে।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টায় মরদেহ বিমান থেকে নামিয়ে সরাসরি নেওয়া হয় প্রয়াতের গুলশানের বাসায়। সেখানে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

দীর্ঘদিন রোগে ভুগে গত শুক্রবার লন্ডনে মৃত্যু হয় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য রাজ্জাকের। তার বয়স হয়েছিলো ৬৯ বছর।

শহীদ মিনারে নেওয়ার আগে বিকাল ৪টায় জাতীয় ঈদগাঁয় জানাজায় রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারাসহ বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নেন। জানাজা পরিচালনা করেন বায়তুল মোকাররমের খতিব মাওলানা মো. সালাহউদ্দিন।

জানাজায় আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে ছিলেন রাজ্জাকের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহযোদ্ধা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ ও আব্দুল জলিল।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সহসভাপতি সাদেক হোসেন খোকা, আবদুল্লাহ আল নোমান, যুগ্মমহাসচিব আমানউল্লাহ আমান, কেন্দ্রীয় নেতা খায়রুল কবির খোকনও অংশ নেন জানাজায়।

আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে ছিলেন আবুল মাল আবদুল মুহিত, মোহাম্মদ নাসিম, মাহবুব-উল আলম হানিফ, কামরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর কবির নানক প্রমুখ।

ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, ন্যাপ সাধারণ সম্পাদক এনামুল হকসহ ১৪ দলের নেতারাও অংশ নেন জানাজায়। গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনও অংশ নেন জানাজায়।

এরপর রাজ্জাকের মরদেহ নেওয়া হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। সেখানে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা জানানোর পর মরদেহ হিমঘরে রাখা হবে।

এর আগে দুপুর ৩টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত জানাজায় স্পিকার আবদুল হামিদ, ডেপুটি স্পিকার শওকত আলী, মন্ত্রিসভার সদস্য ও সংসদ সদস্যরা অংশ নেন।

জানাজার আগে প্রয়াতের ছেলে নাহিন রাজ্জাক বাবার জন্য সমবেত সবার কাছে দোয়া চান।

দেশে আনার পর সংসদ প্রাঙ্গণেই রাজ্জাকের প্রথম জানাজা হয়। এর আগে শনিবার লন্ডনে একটি জানাজা হয়েছিলো।

সংসদ ভবনে জানাজার পর পুলিশের একটি দল মুক্তিযুদ্ধের এই সংগঠকের প্রতি রাষ্ট্রীয় সালাম জানায়। এরপর ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

বিএনপি নেতা মওদুদ আহমদ ও আ স ম হান্নান শাহর নেতৃত্বে একটি দলও ফুল দিয়ে প্রয়াতের প্রতি শ্রদ্ধা জানায়।

রাজ্জাকের মরদেহ দুপুর সোয়া ১২টায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে করে আনার পর তা সরাসরি নিয়ে যাওয়া হয় গুলশানের বাড়িতে।

বিমানে রাজ্জাকের কফিন নিয়ে আসেন স্ত্রী ফরিদা রাজ্জাক, দুই ছেলেসহ পরিবারের সদস্যরা।

গুলশানের বাড়িতে রাজ্জাকের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপতি প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতার কফিনে ফুল দেন। কফিনের পাশে দাঁড়িয়ে মোনাজাতও করেন তিনি।

রাষ্ট্রপতির পর প্রধানমন্ত্রীও ওই বাড়িতে প্রয়াত নেতার কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। কফিনের পাশে দাঁড়িয়ে মোনাজাতের পর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনাও দেন তিনি।

ঢাকায় নামার পর বিমানবন্দরে রাজ্জাকের কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান আমু, তোফায়েল ও জলিল।

বিমানবন্দরে আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে ছিলেন সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, ওবায়দুল কাদের, সাহারা খাতুন, ফারুক খান, জাহাঙ্গীর কবির নানক, শাজাহান খান, মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, ফজলে রাব্বী প্রমুখ।

ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি মেনন, জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুও ছিলেন বিমানবন্দরে।

সোমবার রাজ্জাকের কফিন নেওয়া হবে শরীয়তপুরের ডামুড্ডায়, তার গ্রামের বাড়িতে। ওই এলাকা থেকে নির্বাচনে দাঁড়িয়ে কখনো হারেননি এই আওয়ামী লীগ নেতা। এরপর ঢাকায় ফিরিয়ে এনে বিকালে বনানী কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হবে।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে