Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শনিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২০ , ১২ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.0/5 (1 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১২-০৫-২০১৩

এরশাদের বর্জন পরবর্তী নানা বিকল্প ভাবনা আওয়ামী লীগের


	এরশাদের বর্জন পরবর্তী নানা বিকল্প ভাবনা আওয়ামী লীগের

ঢাকা, ০৫ ডিসেম্বর- মহাজোটের শরীক হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদের নির্বাচন পরবর্তী নানা বিকল্প ভাবছে আওয়ামী লীগ। তবে নির্বাচন প্রশ্নে এখনও অনঢ় রয়েছে। তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সর্বদলীয় সরকারের অধীনে এবং নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী যথাসময়ে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পক্ষ্যে দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করেছে। এজন্য প্রয়োজনে আরও কঠোর হবে আওয়ামী লীগ।

বুধবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠক এবং সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর রুদ্ধদার বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। প্রথম দফায় দলের কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের এমন অবস্থানের কথা জানান সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। তিনি বলেন, ঘোষিত সময়েই নির্বাচন হবে। কমিশন ঘোষিত তফসিলের পরির্তন মানবে না আওয়ামী লীগ।

কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকের পর সিনিয়র নেতাদের নিয়ে আরেকটি বৈঠক করেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রথম বৈঠক বিকাল সাড়ে চারটা শুরু হয়ে একবার বিরতি দিয়ে রাত আটটা পর্যন্ত চলে। পরের বৈঠকটি রাত নয়টা থেকে প্রায় এগারোটা পর্যন্ত চলে।

দুটি বৈঠকে আগামী জাতীয় নির্বাচন সম্পন্ন করা, বিএনপি-জামায়াতের নৈরাজ্য, জাতীয় পার্টির নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো, মন্ত্রিত্ব ও উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ ও সাংগঠনিক বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। রুদ্ধদ্ধার দ্বিতীয় বৈঠকেও নির্বাচন থেকে পিছু না হটার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি সন্ত্রাস, নৈরাজ্য মোকাবিলায় প্রয়োজনে আরো কঠোর হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তবে জাতিসংঘ দূত তারানকো ফেরার পর সরকার আরো কঠোর হবে।

জাতীয় পার্টিকে নির্বাচনে আনতে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দলের কয়েকজন সিনিয়র নেতাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তারা বুধবার রাতেই জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছেন। তবে পাননি। আজও সে চেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে জানাগেছে।

বৈঠক সুত্র জানায়, সারাদেশে বিএনপি-জামায়াতের তান্ডব আওয়ামী লীগ সাংগঠনিকভাবে শক্তহাতে মোকাবিলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সারাদেশে আওয়ামী লীগ মার খাওয়ার বিষয়টি বৈঠকে উপস্থাপন করেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া। দেশের অনেক জায়গায় নেতাকর্মীদের মারা হচ্ছে। আমরা আর কতো মার খাবো? এর কোনো প্রতিকার আছে কি না?

তখন দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী এবং শেখ সেলিম বলেন, আর মার খাওয়ার সময় নেই, এখন প্রতিরোধ করতে হবে। বৈঠকের অন্যান্যরাও তাতে সমর্থন জানালে সিদ্ধান্ত হয় যে, সারাদেশে জেলা ও উপজেলা কমিটিগুলোকে এবং সব প্রার্থীকে স্ব স্ব এলাকায় নেতাকর্মীদের নিয়ে নাশকতা প্রতিরোধ করতে হবে। এ লক্ষ্যে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে নির্দেশ দেওয়া হবে।

দ্বিতীয় বৈঠকে দলের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য ওবায়দুল কাদের, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ও প্রধানমন্ত্রীর সাবেক উপদেষ্টা গহর রিজভী উপস্থিত ছিলেন।  

সুত্র জানায়, বৈঠকে সীতাকুন্ডে বার বার নাশকতা রোধে ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, ড. হাছান মাহমুদ এবং কার্যনিবাহী সদস্য আমিনুল ইসলামকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে দলীয় সভানেত্রী বলেন, স্থানীয় থানা আওয়ামী লীগ তা প্রতিরোধ করতে পারছে না, প্রয়োজনে থানা কমিটি ভেঙে নতুন কমিটি করারও নির্দেশ দেন তিনি।

সূত্র জানায়, বৈঠকে আগামী ১৩ ডিসেম্বর মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার শেষে সারাদেশে নির্বাচনী সফরের সিদ্ধান্ত হয়। এর আগে আবার বৈঠক করা হবে। দলের সিনিয়র নেতাদের বিভাগ ভিত্তিক দায়িত্ব দেয়া হবে। বৈঠকে জানানো হয়, নির্বাচনে অংশ নেয়া নিয়ে অনেক দলের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে, অনেকে অংশ নেবেন বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে