Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ২৫ মে, ২০২০ , ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৪-০৩-২০২০

সংক্ষিপ্ত খুতবা, ফরজ নামাজ শেষেই ফাঁকা বায়তুল মোকাররম

সংক্ষিপ্ত খুতবা, ফরজ নামাজ শেষেই ফাঁকা বায়তুল মোকাররম

ঢাকা, ০৩ এপ্রিল- বিশ্বজুড়ে মহামারি আকার ধারণ করেছে করােনাভাইরাস। বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ জন এতে আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬১ জনে। এরই প্রেক্ষিতে করোনার বিস্তার ঠেকাতে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে সংক্ষিপ্ত খুতবায় জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এছাড়া আজকে মুসল্লিদের উপস্থিতিও ছিল কম। জুমার ফরজ নামাজের পরই ফাঁকা হয়ে যায় বাংলাদেশের জাতীয় মসজিদ।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) জুমার নামাজে দেশের সব মসজিদে বাংলা বয়ানকে নিরুৎসাহিত করে শুধুমাত্র সংক্ষিপ্ত খুতবা ও ফরজ নামাজ পড়ার আহ্বান জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। পাশাপাশি নামাজের সময় কাতারে ফাঁকা ফাঁকা হয়ে দাঁড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এছাড়া বয়স্ক মুসল্লিসহ যেকোনো বয়সীদের যাদের হাঁচি-কাশি, জ্বর কিংবা গলাব্যথা রয়েছে তাদেরকে জুমাসহ সব নামাজ বাসায় পড়তে বলা হয়েছে। পাশাপাশি যেকোনো রোগে আক্রান্তদের মসজিদে না যাওয়ারও পরামর্শ দিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

করােনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সরকার ও বিশেষজ্ঞগণ সতর্কতার জন্য যেসব নির্দেশনা প্রদান করছেন তা মেনে চলার জন্য জনগণকে অনুরােধ জানানো হয়েছে।

সবাইকে অপরাধমূলক কাজকর্ম থেকে বিরত হয়ে ব্যক্তিগতভাবে তওবা, ইস্তিগফার ও কোরআন তিলাওয়াত অব্যাহত রাখারও আহ্বান জানানাে হয়।

শুক্রবার দেখা যায়, বায়তুল মোকাররমে জুমার নামাজের জন্য চিরচেনা দৃশ্য নেই। বাসায় ওজু করে সুন্নত-নফল পড়ে মসজিদে আসতে বলায় এবং জ্বর, সর্দি-কাশি থাকলে মসজিদে না আসার নির্দেশনার কারণে মসজিদে মুসল্লিদের সমাগম ছিল খুবই কম। হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে মুসল্লিদের হাত ধোয়ানো ও হ্যান্ড টাওয়াল (টিস্যু) সরবরাহ করা হয়।

করোনা সতর্কতায় অধিকাংশ মুসল্লিকেই দেখা যায় দূরত্ব বজায় রেখে মসজিদে প্রবেশ, বেরিয়ে যাওয়া এবং ব্যক্তিগত নিরাপত্তায় হাত মোজা ও মাস্ক ব্যবহার করে মসজিদে আসছেন।

বাদ জুমা জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন ভারপ্রাপ্ত খতিব মুফতি মাওলানা এসানুল হক জিলানী।

বাংলা খুতবা ছাড়াই সংক্ষিপ্ত আরবি খুতবায় ফরজ নামাজ শেষেই মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাতে বিশ্বের সব দেশকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে সুরক্ষিত রাখতে এবং এ ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের আরোগ্য কামনা করে মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা হয়। মোনাজাতের সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন সাধারণ মুসল্লিরা। মোনাজাত শেষ হতেই ফাঁকা হয়ে যায় মসজিদ।

সূত্র: জাগোনিউজ

আর/০৮:১৪/৩ এপ্রিল

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে