Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২০ , ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৪-০১-২০২০

লালবাজারে গিয়ে পুলিশকর্মীদের অভিনন্দন মমতার, খোঁজ স্বজনের

লালবাজারে গিয়ে পুলিশকর্মীদের অভিনন্দন মমতার, খোঁজ স্বজনের

কলকাতা, ০১ এপ্রিল - করোনা-সংক্রমণ রুখতে যাঁরা প্রাণপাত করছেন, তাঁদের পাশে দাঁড়িয়ে আগাগোড়াই সওয়াল করছেন মুখ্যমন্ত্রী। দিনকয়েক আগে তিনি শহরের বিভিন্ন হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন। ঘুরে দেখেছেন শহরের বাজারও। মঙ্গলবার লালবাজারে গিয়ে পুলিশকর্মীদেরও উৎসাহ জোগালেন মুখ্যমন্ত্রী। পরে ভবানীভবনের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের দেখে গাড়ি থেকে নেমে তাঁদের সঙ্গেও কথা বলেন। ডিউটিরত পুলিশকর্মীদের কয়েকজনের মুখে মাস্ক না থাকায় সঙ্গে সঙ্গে ডিসি (সাউথ) মিরাজ খালিদকে ডেকে তাঁদের জন্য মাস্কের ব্যবস্থা করতে বলেন তিনি। পুলিশকর্মীদের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা, 'নিজেরা সুস্থ থাকুন। পরিবারকে সুস্থ রাখুন।' এ দিন দুপুরে শহরের বিভিন্ন জায়গায় পুলিশকর্মীদের সঙ্গে দেখা করেন কমিশনার অনুজ শর্মাও। করোনা-সংক্রমণ রুখতে এবং লকডাউন কার্যকরী করতে পুলিশ যে-সব পদক্ষেপ করছে, তা খতিয়ে দেখেন সিপি।

মঙ্গলবার বিকেলে নবান্ন থেকে বেরিয়ে লালবাজারে যান মুখ্যমন্ত্রী। সব পুলিশকর্মীর মাস্ক রয়েছে কি না, ব্যারাকগুলি কী অবস্থায় রয়েছে--সে সম্পর্কে খোঁজ নেন। এর পর সরাসরি চলে যান পুলিশ কমিশনারের চেম্বারে। সেখানে দাঁড়িয়ে কয়েক মিনিট খোঁজখবর নেওয়ার পর করিডরে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকজন পুলিশকর্মীর সঙ্গেও কথা বলেন। তাঁদের পরিবার-পরিজনদের সম্পর্কেও খোঁজ নেন। সেই সঙ্গে পুলিশকর্মীদের নিজেদের মধ্যেও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার পরামর্শ দেন মমতা।

কঠিন এই পরিস্থিতিতে বাড়িতে থাকার কোনও সুযোগ নেই পুলিশকর্মীদের। থানার দৈনন্দিন কাজের সঙ্গে সঙ্গে লকডাউন নিশ্চিত করার দায়িত্ব যেমন পুলিশ সামলাচ্ছে, করোনা সতর্কতার প্রচার চালাচ্ছে, ঠিক তেমনই অভুক্তদের খাবারের বন্দোবস্ত করা, মুমূর্ষুকে রক্তদান থেকে বিপদগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানো--এমনই নানা মানবিক কাজ করে চলেছেন পুলিশকর্মীরা। লালবাজারের নীচে দাঁড়িয়ে মাইক হাতে পুলিশকর্মীদের সে জন্য অভিনন্দনও জানান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, 'আইনশৃঙ্খলারক্ষা থেকে নিত্যপ্রয়োজনী জিনিস পৌঁছে দেওয়া, বহু সামাজিক দায়িত্ব পালন করছেন আপনারা। তার জন্য ধন্যবাদ। অভিনন্দন। ভালো কাজ করছেন। এটাই সব থেকে বড় কাজ।' সেই সঙ্গে তাঁর মন্তব্য, 'দুর্যোগকে ভয় না-পেয়ে দুর্যোগকে জয় করতে হয়।' এই পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যকর্মী, পুলিশ-সহ যাঁরা কাজ করছেন, তাঁদের জন্য অতিরিক্ত বিমা ছাড়াও রাজ্য সরকার আর কী কী করছে, তাও পুলিশকর্মীদের বোঝান মুখ্যমন্ত্রী।

দুপুরে লালবাজার থেকে বেরিয়ে ধর্মতলা, হাজরা, রাসবিহারী, গড়িয়াহাট, এমজি রোড--সহ বিভিন্ন জায়গা ঘুরে পুলিশকর্মীদের কাজে উৎসাহ দেন পুলিশ কমিশনারও। পরে তিনি বলেন, 'নাকা চলছে। মাইকিং চলছে। যাতে লোকে ঘর থেকে না-বেরোয়, তার জন্য লাগাতার প্রচার চলছে।' তবে গত কয়েকদিন ধরে আগের তুলনায় অনেক বেশি গাড়ি বেরোচ্ছে। লোকজনও বিনা প্রয়োজনে রাস্তায় বেরোচ্ছেন বলে অভিযোগ। সে প্রসঙ্গে কমিশনারের মন্তব্য, 'পুলিশ সবাইকে বোঝাবার চেষ্টা করছে। সাধারণ মানুষকে বুঝিয়েই লকডাউন সফল করার চেষ্টা চলছে।'

সুত্র : এই সময়
এন এ/ ০১ এপ্রিল

পশ্চিমবঙ্গ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে