Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ , ১৩ ফাল্গুন ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.8/5 (47 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১২-২৫-২০১১

কেক কেটে বড়দিনের উৎসবের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী


কেক কেটে বড়দিনের উৎসবের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
খিস্ট্রান সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব বড়দিনে খিস্ট্রান ধর্মীয় নেতা ও বিশিষ্টজনদের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ক্রিসমাস কেক কেটে খ্রিস্টমাস অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার রাতে তিনি তার সরকারি বাসভবনে এ কেক কাটেন। বড়দিন উপলক্ষে গণভবনে ‘ক্রিসমাস ট্রি’ও সাজানো হয়।  

প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিদলকে কেক ও মিষ্টি খাইয়ে আপ্যায়ন করেন।

প্রতিনিধিদলের সদস্যরা ফুলের তোড়া এবং খ্রিস্টমাস কার্ড উপহার দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান।

অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া শেষে ধর্মবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট এম শাহজাহান মিয়া বাংলানিউজকে এসব তথ্য জানান।

এ সময় খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদলকে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে বাসযোগ্য ভূমি হিসেবে গড়ে তুলতে সকলকে অব্যাহত সহযোগিতা দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রতিটি ধর্মের অনুসারীরা তাদের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও অধিকার ভোগ করতে পারে।

তিনি বলেন, ‘প্রত্যেক ধর্মাবলম্বীকে ধর্মীয় অধিকার ভোগের বর্তমান অবস্থা যাতে ভবিষ্যতে বজায় থাকে এবং কেউ যাতে ২০০১ সালের মতো আতঙ্ক সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য সকলকে সতর্ক থাকতে হবে।’

প্রত্যেক ধর্মের অনুসারীদের অধিকার সমুন্নত রাখার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি আমরা সবাই এদেশের সন্তান এবং সকল ধর্মের লোকদের অপরিমেয় ত্যাগ স্বীকারের মধ্য দিয়ে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের দক্ষতার প্রতি তাঁর সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে এবং জনপ্রশাসনে পদোন্নতি ও নিয়োগ দিচ্ছে। অতীতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত দক্ষ সরকারি কর্মকর্তাদের তাদের পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।

সরকার প্রতিনিধিত্ব কম রয়েছে এমন সব ক্ষেত্রে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্বে বিষয়টির প্রতিও নজর দিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সকল ধর্মীয় সম্প্রদায় ধর্মমত ও শ্রেণীর কল্যাণে সরকার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যা্েচ্ছ।

খ্রিস্টমাস উৎসব উদযাপন উপলক্ষে খৃস্টান সম্প্রদায়ের সদস্যদের প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বর আমাদের জন্য অত্যন্ত গৌরবোজ্জ্বল মাস কেননা, এ মাসেই আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি এবং এ মাসেই মহান যিশুর আগমন ঘটেছে।

ধর্মবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট এম শাহজাহান মিয়া এবং বাংলাদেশ খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট প্রমোদ মানকিন, বিশপ লিনুস নির্মল গোমেজ এবং অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি জেনারেল নির্মল রোজারিও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা সন্ত্রাস দমন, আইন-শৃংখলার উন্নয়ন, যুদ্ধাপরাধের বিচার ও দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে তাঁর সরকারের সাফল্যের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা করেন।

খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের নেতারা ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশ গঠনে বর্তমান সরকারকে তাদের সহযোগিতা দেওয়ার কথা জানান এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য সরকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেন।

অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যার্পণ আইন-২০১১ ও খৃষ্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট সংসদে পাস, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের স্বীকৃতি প্রদানে তারা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে