Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২০ , ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৩-২১-২০২০

পেশির টান! বাঁচার সহজ উপায় কী?

পেশির টান! বাঁচার সহজ উপায় কী?

ঠান্ডার সময় পেশির টান খুব অস্বাভাবিক কিছু নয়। দৌড়তে গিয়ে হোক, বা ভারী কিছু তুলতে গিয়ে হোক, হঠাৎই টান লেগে যেতে পারে পা বা পিঠের পেশিতে। এমনকী কিছু না করেও অনেক সময় ব্যাথা হয় পেশির। ঘুমানোর সময় হয়তো টান লেগে গেল ঘাড়ে কিংবা স্নান করে মাথা মোছার সময় কাঁধে। তবে শুধু শীতেই না, গরমেও এমনটা হতে পারে। পেশির টান বা ব্যাথার নিরাময় কীভাবে হবে, সেটা বোঝার জন্য আগে জানতে হবে, এই ব্যাথা কেন হয়। পেশির মধ্যে জলের পরিমাণ কমে গেলে, পেশি তার ফ্লেক্সিবিলিটি বা স্থিতিস্থাপকতা হারায়। সেই কারণেই প্রয়োজন মতো সংকোচন-প্রসারণ করে উঠতে পারে না। তাই হঠাৎ প্রসারণের ফলে সেখানে আঘাত লাগে। পেশিতে প্রয়োজনীয় মিনারেল বা খনিজ পদার্থের অভাবেও এই সমস্যা হতে পারে। কারণটি থেকেই আন্দাজ করা যায়, কী কী ভাবে পেশির টান বা ব্যাথার হাত থেকে বাঁচা সম্ভব।

১। পেশির দরকার জল

শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল থাকলে কি পেশির ব্যাথা হবে না? এ নিয়ে চিকিৎসক মহলে মিশ্র মত রয়েছে। কারও মতে, পর্যাপ্ত জল থাকলেও পেশির ব্যাথা হতে পারে। তবে একটা বিষয়ে উভয় মহলই একমত। শরীর যদি সঠিক ভাবে হাইড্রেটেড থাকে, তাহলে টান লাগলেও ব্যাথার পরিমাণ খুব বেশি হয় না। তাই যখনই তেষ্টা পাবে অল্প করে জল খান। এতে আপনার পেশি ফ্লেক্সিবিলিটি বাড়বে। আচমকা টান ধরে গেলেও, সেই ব্যাথা কম সময়ের জন্য থাকবে।

২। কার্বোহাইড্রেট-এ না নয়

ভাত বা পাস্তা খেলে শরীর ভারী হয়ে যায় বলে মনে করেন? আসলে এরা কিন্তু আপনার পেশির জন্য খুবই দরকারি। এই ধরনের হাই-কার্বোহাইড্রেট খাবারগুলি পেশিকে দ্রুত পুষ্টি জোগায়। পেশির আঘাত সামলে ওঠার জন্য যে প্রয়োজনীয় উপাদানের দরকার হয়, তা-ও পাওয়া যায়, এই কার্বোহাইড্রেট থেকেই।

৩। নুন-চিনিতে নজর

শুধু জলের পক্ষে পেশিকে হাইড্রেট রাখা সম্ভব নয়। পেশির ফ্লেক্সিবিলিটি বা স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখার জন্য দরকার লবণও। কারণ এই নুনে থাকে ইলেকট্রোলাইটস। পেশির কোষের মধ্যে জল কীভাবে ঢুকবে, কতটা ঢুকবে, কতটাই বা বেররে, তার পুরোটা নিয়ন্ত্রণ করে এই ইলেকট্রোলাইটস। তাই সোডিয়ামের মতো লবণের শরীরে উপস্থিতিটা খুব দরকারি। না হলে শরীর ডিহাইড্রেট হয়ে যাবে। তাই নুন-চিনির জল খেতে পারেন। বা এক লিটার জলে ইলেকট্রল ভিজিয়ে সারা সকাল ধরে অল্প অল্প করে। এতে শরীরের প্রয়োজনীয় ইলেকট্রোলাইট শরীর এই পাণীয় থেকে পেয়ে যায়।

৪। মাল্টি ভিটামিনের উপকার

চিকিৎসকের পরামর্শে মাল্টিভিটামিন খাওয়াটাও পেশির টানের হাতে থেকে রক্ষা পাওয়ার অন্যতম ভালো রাস্তা। কারণ সহজলোভ্য মাল্টি ভিটামিনের মধ্যে সঠিক পরিমাণে ক্যালসিয়াম আর ম্যাগনেসিয়াম থাকে। এই দুটি যৌগই পেশির স্থিতিস্থাপকতা বাড়াতে সাহায্য করে।

৫। ব্যায়াম বা স্ট্রেচিং

যাঁরা নিয়মিত স্ট্রেচিং বা যোগাসন করেন, তাঁদের পেশির স্থিতিস্থাপকতা অন্যদের তুলনায় বেশি। এবং শরীরের চাহিদাতেই তাঁরা বেশি পরিমাণে ফ্লুইড নিতে বাধ্য হন। সব মিলিয়ে পেশির গুণগত মান তাতে ভালো হয়। তাই এই স্ট্রেচিং-এর দিকে নজর দিতে পারেন। এতে পেশির টান থেকে অনেকটাই মুক্তি পাবেন।

এন এইচ, ২২ মার্চ

সচেতনতা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে