Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২০ , ২০ চৈত্র ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (15 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০২-২২-২০২০

স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন গৌরীপুরের ডা. মুকতাদির

মনজুরুল ইসলাম


স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন গৌরীপুরের ডা. মুকতাদির

ময়মনসিংহ, ২২ ফেব্রুয়ারি- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন ময়মনসিংহের গৌরীপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা. একেএমএ মুক্তাদির। এছাড়াও ৮ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠান ২০২০ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারী) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের তালিকা প্রকাশ করা করেন।

স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ ক্যাটাগরিতে পদক প্রাপ্তরা হলেন, গোলাম দস্তগীর গাজী (বীর প্রতীক), মরহুম কমান্ডার (অব.) আবদুর রউফ, মরহুম মুহম্মদ আনোয়ার পাশা ও আজিজুর রহমান। চিকিৎসাবিদ্যায় অধ্যাপক ডা. মো. ওবায়দুল কবীর চৌধুরী, অধ্যাপক ডা. এ কে এম এ মুকতাদির। শিক্ষায় ভারতেশ্বরী হোমস। সাহিত্যে এস এম রইজ উদ্দিন আহম্মদ (বীর মুক্তিযোদ্ধা)। সংস্কৃতিতে কালীপদ দাস ও ফেরদৌসী মজুমদার।

১৯৭৫ সালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হতে এমবিবিএস পাস করেন। অধ্যাপক ডা. একেএমে মুকতাদির একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। ময়মনসিংহের পলাশকান্দায় সম্মুখ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন তিনি।

১৯৭৬ সালে গৌরীপুর পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ে চক্ষু ক্যাম্প শুরু করেন। ১৯৭৭ সাল থেকে ২০০৩ পর্যন্ত সেখানেই ক্যাম্প চালান। পরবর্তীতে উনার স্ত্রী গাইনি চিকিৎসক ডা. মাহমুদা খাতুনের সহায়তায় প্রতিষ্ঠা করেন ডা. মুকতাদির চক্ষু হাসপাতাল। ২০০৪ সালে নিজস্ব পাঁচ একর জমিতে ৭০ শয্যার এই হাসপাতাল স্থাপন করেন।

বর্তমানে ১০০ শয্যায় উন্নীত এই হাসপাতাল। চোখের ছানি অপারেশন, নেত্রনালির চিকিৎসা, চোখের মাংস বৃদ্ধি, গ্লুকোমা, চোখের ক্ষত, চোখের গুটি, টিউমার, ট্যারাচোখ সহ চোখের সাধারণ রোগের চিকিৎসা দেওয়া হয় এখানে। তিনি ছিলেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের চক্ষু বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান।

তিনি ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৫৬ জন জন রোগীকে এখন পর্যন্ত চিকিৎসা দিয়েছেন।

এছাড়াও তিনি ২০১৪ সালে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের কাছ থেকে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ অ্যাওয়ার্ড পান। ২০১৬ সালে অ্যাসোসিয়েশন অব কমিউনিটি অপথালমলোজি ইন ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ তাকে লাইফ টাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড দেয়। বাংলাদেশের চক্ষু চিকিৎসা ক্ষেত্রে অসাধারণ অবদানের জন্য ২০২০ সালে দেশের “সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার হিসাবে পরিচিত “স্বাধীনতা পুরস্কার” প্রদানের মনোনীত করা হয়।

ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানান হয়, আগামী ২৫ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজধানীর ওসমানী মিলনায়তনে ২০২০ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার দেয়া হবে। ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সরকার ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর এ পুরস্কার দিয়ে আসছে।

সূত্র : বিডি২৪লাইভ
এন কে / ২২ ফেব্রুয়ারি

ময়মনসিংহ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে