Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২০ , ১৮ চৈত্র ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০২-১৯-২০২০

কেমিক্যাল শিল্প পার্ক কতদূর

মিরাজ শামস ও বকুল আহমেদ


কেমিক্যাল শিল্প পার্ক কতদূর

ঢাকা, ২০ ফেব্রুয়ারি- পুরান ঢাকার নিমতলীতে ২০১০ সালের ৩ জুন কেমিক্যাল গোডাউনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। প্রাণ হারান ১২৩ জন। তখন সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, পুরান ঢাকার এসব কেমিক্যাল কারখানা দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হবে। গত বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি একই অঞ্চলের চুড়িহাট্টায় পারফিউমের কারখানা ও গোডাউনে অগ্নিদুর্ঘটনায় ফের প্রাণ হারান আরও ৭১ জন। এবারও সরকার বলেছিল, পুরান ঢাকায় কোনো কেমিক্যাল কারখানা থাকবে না। কারণ এই কেমিক্যালের গুদাম পুরান ঢাকাকে মৃত্যুকূপে পরিণত করেছে। কিন্তু দশ বছর পেরিয়ে গেছে। ভয়ংকর দাহ্য এসব কারখানা সরেনি। এখনও মৃত্যুর সঙ্গে বাজি রেখে বসবাস করছেন পুরান ঢাকাবাসী।

সরকারের পক্ষ থেকে এখন বলা হচ্ছে, একসঙ্গে সারানো হবে এসব ঝুঁকিপূর্ণ কেমিক্যাল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখানে আধুনিক কেমিক্যাল শিল্প পার্ক গড়ে তোলা হবে। সে জন্য চলছে জমি অধিগ্রহণ। তিন বছরের মধ্যে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। ব্যয় হবে এক হাজার ৬১৫ কোটি টাকা। এ ছাড়া চলতি বছর টঙ্গী ও শ্যামপুরে শতাধিক কেমিক্যাল গোডাউন সরিয়ে নেওয়া হবে।

গত বছরের এই দিনে চুড়িহাট্টার অগ্নিকাণ্ডের বিভীষিকার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুরান ঢাকার সব কেমিক্যাল কারখানা দ্রুত স্থানান্তরের নির্দেশনা দেন। এরপর দুর্ঘটনা রোধে কেমিক্যাল, প্রসাধনী ও প্লাস্টিকের গোডাউন ও কারখানা স্থানান্তরে বড় উদ্যোগ নেয় শিল্প মন্ত্রণালয়। যদিও এক দশক আগে আবাসিক এলাকার ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সরাতে একটি পল্লি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত তা বাস্তবায়ন হয়নি। তাই সরকার একসঙ্গে সব সরাতে ছোট পল্লি নয়, এখন বৃহৎ শিল্প পার্ক নির্মাণ করছে। যাতে পরিকল্পিতভাবে কেমিক্যাল ব্যবসায়ীরা নিরাপদে ব্যবসা করতে পারেন। এ জন্য মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখানে বিসিক কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক নির্মাণ হচ্ছে। জমি অধিগ্রহণ প্রায় শেষ পর্যায়ে। পুরান ঢাকার এই মৃত্যুকূপ থেকে নিরাপদে থাকতে চান সবাই। এ জন্য পরিকল্পিত শিল্পনগরীতে যেতে সম্মত উদ্যোক্তারাও।

চুড়িহাট্টা ট্র্যাজেডির পর ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পুরান ঢাকায় অভিযান শুরু করে সেবা সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে গঠিত টাস্কফোর্স। ওই সময়ে শিল্প মন্ত্রণালয় কেমিক্যাল পল্লি স্থাপনের আগে সাময়িকভাবে গোডাউন সরাতে দুটি প্রকল্প নেয়। বিসিআইসির শ্যামপুরের উজালা ম্যাচ ফ্যাক্টরির জায়গা এবং টঙ্গীতে বিএসইসির জমিতে এসব গোডাউন নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রকল্প প্রস্তাব অনুযায়ী এক বছরে এ কাজ শেষ করার কথা। কিন্তু এখনও হয়নি।

এর আগে নিমতলীতে ট্র্যাজেডির পর বুড়িগঙ্গার ওপারে ৫০ একর জমিতে কেমিক্যাল পল্লি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। কেরানীগঞ্জের সোনাকান্দা মৌজায় কেমিক্যাল পল্লি স্থাপনের এ প্রকল্প নেয় বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)। কিন্তু সে প্রকল্প এগোয়নি। এর পরে চুড়িহাট্টা ট্র্যাজেডির পর নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। ৯ বছর আগে নেওয়া কেমিক্যাল পল্লি প্রকল্প থেকে সরে এসে গত বছরের ১০ জুন মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখানে ৩০৮ একর জমিতে কেমিক্যাল শিল্প পার্ক স্থাপনের প্রকল্প একনেকে অনুমোদন হয়। ইতোমধ্যে জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। দ্রুত মাটি ভরাটের জন্য দরপত্র দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে বিসিক কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের প্রকল্প পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, এ পার্কের একপাশে ঢাকা-দোহার সড়ক এবং অন্য পাশে ইছমতী নদী। আগামী মে মাসের মধ্যে মাটি ভরাটের কাজ শেষ হবে। এর পর অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ শুরু করা হবে। এ শিল্প পার্কে প্রায় আড়াই হাজার প্লট করা হবে। এসব প্লট উদ্যোক্তারা অনেক কম দামে পাবেন। প্লটের টাকা পাঁচ থেকে ১০ বছর মেয়াদে পরিশোধের সুযোগ দেওয়া হবে। এতে পুরান ঢাকা থেকে একসঙ্গে সব গোডাউন ও কারখানা সরানো যাবে। আগামী তিন বছরের মধ্যে সব অবকাঠামো উন্নয়ন করে উদ্যোক্তাদের প্লট বুঝিয়ে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, এখানে ফায়ার সার্ভিস ও নিরাপত্তার জন্য আলাদা অফিস স্থাপন করা হবে। তরল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার (সিইটিপি) স্থাপন করা হবে। কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য আলাদা ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি মসজিদ, ডে-কেয়ার সেন্টার, হাসপাতাল, অ্যাসোসিয়েশনের অফিস থাকবে। এ ছাড়া উদ্যোক্তাদের জন্য গবেষণা কেন্দ্র থাকবে। পাশাপাশি নৌপথে পণ্য পরিবহনের জন্য পাশের নদীতে দুটি জেটি নির্মাণ করা হবে। এটি হবে অত্যাধুনিক একটি শিল্প পার্ক।

এফবিসিসিআইর কেমিক্যাল বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ কেমিক্যাল অ্যান্ড পারফিউমারি মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. বেলায়েত হোসেন সমকালকে বলেন, ব্যবসায়ীরা পরিকল্পিত ও পরিচ্ছন্ন প্লট নিয়ে যেতে চান। তবে আগে ২২ ধরনের কেমিক্যাল স্থানান্তরের পরিকল্পনা হলেও এখন সব ধরনের কেমিক্যাল গোডাউন ও কারখানা সরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ কাজ দ্রুত বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। আর এ সমস্যা সমাধানে মুন্সীগঞ্জে শুধু পার্ক হলেই হবে না, ঢাকার চারপাশে শিল্প এলাকাভিত্তিক স্থায়ীভাবে চারটি গোডাউন পল্লি স্থাপন করতে হবে। পাশাপশি অর্থনৈতিক অঞ্চলেও আলাদা করে গোডাউনের ব্যবস্থা রাখতে পরিকল্পনা করতে হবে।

টঙ্গীতে কেমিক্যাল গোডাউন নির্মাণ করছে বাংলাদেশ স্টিল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন। এ প্রকল্পের পরিচালক ও ঢাকা স্টিল ওয়ার্কসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনিরুজ্জামান খান সমকালকে বলেন, দু'ধাপে এই গোডাউন নির্মাণ করা হবে। এ প্রকল্পের অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ শুরু করছে নারায়ণগঞ্জ ড্রাইডক ইঞ্জিনিয়ারিং। তিনি বলেন, প্রথম ধাপে সাতটি গোডাউন হবে। দ্বিতীয় ধাপে একটি আটতলা ভবন করা হবে। ওই ভবনে ৪৮টি গোডাউন হবে। এ বছরের জুলাই মাসের মধ্যে প্রথম ধাপের গোডাউন হস্তান্তর করা হবে। দ্বিতীয় দফার কাজ এক বছরে শেষ হবে বলে তিনি জানান।

বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের উদ্যোগে শ্যামপুরের ৫৪টি কেমিক্যাল গোডাউন নির্মাণ হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক লিয়াকত আলী বলেন, গত ডিসেম্বরে গোডাউন নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। সব একতলা গোডাউন নির্মাণ করা হচ্ছে। এ ছাড়া দুটি অফিস ভবন নির্মাণ করা হবে। এখানে দুর্ঘটনা ঝুঁকি এড়াতে এক লাখ গ্যালন পানির ওভারহেড ট্যাঙ্ক নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উদ্যোক্তাদের গোডাউন হস্তান্তর করা হবে। তিনি বলেন, গোডাউন নির্মিত হলে বিসিআইসি ভাড়ার নীতিমালা তৈরি করবে। এরপর বৈধ কেমিক্যাল ব্যবসায়ীদের কাছে ভাড়া দেওয়া হবে।

গত মঙ্গলবার পুরান ঢাকায় গিয়ে দেখা যায়, আবাসিক ভবনে সেই কেমিক্যাল গোডাউন, ঝুঁকিপূর্ণ কারখানা, সরু গলিতে ভিড় ঠেলে দাহ্য পদার্থ আনা-নেওয়াসহ সবকিছুই চলছে আগের মতোই। কেমিক্যাল নামের 'বোমা'র ওপরই বসবাস করছেন বাসিন্দারা। ঘনবসতি ও ঝুঁকিপূর্ণ পুরান ঢাকা থেকে দাহ্য পদার্থ অপসারণ না হওয়ায় এখনও আতঙ্কে রয়েছেন বাসিন্দারা।

চুড়িহাট্টার অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যাওয়া ওয়াসি উদ্দিন মাহিতের বাবা নাসির উদ্দিন জানান, পানির জারের অর্ডার দিতে ঘটনার দিন বাসা থেকে চুড়িহাট্টা মোড়ে এসেছিল তার একমাত্র ছেলে ওয়াসি। আর ফেরেনি। কেমিক্যালের আগুনে অঙ্গার হয়ে গেছে। সন্তানহারা বাবা বলেন, 'আমরা পুরান ঢাকায় নিরাপদে বসবাস করতে চাই। তিনি জানান, বেশি টাকা ভাড়া পাওয়ার লোভে বাড়ির মালিকরা এখানে গোডাউন ভাড়া দেয়।

গত বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি রাতে চকবাজারের চুড়িহাট্টায় হাজী ওয়াহেদ ম্যানশনের কেমিক্যালের গোডাউন থেকে ভয়াবহ বিস্ম্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধানে সে সময় গঠিত একাধিক সংস্থা তাদের তদন্ত প্রতিবেদনে বিভিন্ন সুপারিশ দিয়েছিল। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল- দাহ্য পদার্থের গোডাউন সরানোর ব্যবস্থা করা, কঠোরভাবে আইন প্রয়োগ করা, সরু রাস্তা মানুষ ও যানবাহন চলাচলে অযোগ্য হওয়ায় বাসিন্দাদের পর্যায়ক্রমে অন্য স্থানে সরিয়ে নেওয়া, পুরান ঢাকাকে পরিকল্পিত নগরায়ণের আওতায় নেওয়া; গ্যাস, বিদ্যুৎ, টেলিফোন ও পানির লাইনের জন্য আলাদা আলাদা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা করা, কেমিক্যাল ব্যবহার এবং সংরক্ষণের সঙ্গে সংশ্নিষ্টদের ঝুঁকি সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়া ইত্যাদি। কিন্তু ঘটনার এক বছর হয়ে গেলেও বাস্তবায়ন হয়নি কোনো কিছুই। এর আগে ২০১০ সালের ৩ জুন পুরান ঢাকার নিমতলীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর ঘুম ভেঙে ছিল প্রশাসনের। কেমিক্যাল গোডাউনের বিরুদ্ধে দৌড়ঝাঁপ হয়েছিল বেশ কিছুদিন। সেটিও থেমে যায় কিছুদিন পর।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক শরীফ জামিল বলেন, যখন কোনো দুর্ঘটনা ঘটে, তখন সরকারের সংশ্নিষ্ট দপ্তরগুলো নড়েচড়ে বসে। কমিটি হয়, মিটিং হয় দফায় দফায়, সিদ্ধান্তও হয় অনেক। কিন্তু সেসব আর বাস্তবায়ন হয় না। চুড়িহাট্টার অগ্নিকাণ্ডের পরও অনেক সিদ্ধান্ত হয়েছিল। কিন্তু সব উদ্যোগ থেমে গেছে।

গত মঙ্গলবার দুপুরে চুড়িহাট্টা মোড়ের অদূরে হায়দার বক্স লেনে হাঁটার সময় মেশিন চলার শব্দ পাওয়া যায়। একটি আবাসিক ভবনের নিচতলায় কারখানা। সেখান থেকেই শব্দ আসছিল। প্রায় সব গেট ভেতর থেকে আটকানো। ভবনের একাংশে পলিথিন তৈরির কারখানা। চুড়িহাট্টা মোড়ে যে ভবন থেকে অগ্নিকাণ্ড শুরু হয়েছিল, তার বিপরীতে নন্দ কুমার দত্ত রোডের ১৭ নম্বর বাড়ির তৃতীয় ও চতুর্থ তলায় প্লাস্টিক খেলনা ফিটিং করা হয়। প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার ফাহিম উদ্দিন দাবি করেন, তারা সতর্কতার সঙ্গে কাজ করেন।

এ ছাড়া পুরান ঢাকার চকবাজার, নিমতলী, মৌলভীবাজার, আরমানিটোলা, মাজেদ সরদার রোড, রহমতগঞ্জ, হাজী আজগর লেন ও চুড়িহাট্টাসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে বাসাবাড়িতে কেমিক্যালের গুদাম, দোকান ও নানা ধরনের কারখানা চোখে পড়েছে। এসব গুদাম ও দোকানে রয়েছে থিনার, গ্লিসারিন, সোডিয়াম অ্যানহাইড্রোজ, হাইড্রোজেন পার অক্সাইড, সোডিয়াম থায়োসালফেটসহ ভয়ংকর রাসায়নিক দাহ্য পদার্থ। বেশকিছু বাড়ির বিভিন্ন ফ্ল্যাটে তালাবদ্ধ থাকতে দেখা গেছে। আশপাশের লোকজন জানায়, এসব বাড়ি গোডাউন হিসেবে ব্যবহার হওয়ায় সেগুলো বন্ধ।

চুড়িহাট্টা অগ্নিকাণ্ডের পর ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স থেকেও গঠিত তদন্ত কমিটি নানা সুপারিশ দিয়েছিল সে সময়। সে সময়ের তদন্ত কমিটির প্রধান ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক (ঢাকা বিভাগ) দেবাশীষ বর্ধন মঙ্গলবার সমকালকে বলেন, জনগণের নিরাপত্তার স্বার্থে অতি দ্রুত এগুলো সরিয়ে নেওয়া উচিত। এ জন্য মানুষকে সচেতন হতে হবে। ব্যবসায়ীদের একাধিকবার নোটিশ করা হয়েছে। এর পরও তারা সরেননি। কেমিক্যাল গোডাউন অপসারণে সমন্বিত পদক্ষেপ দরকার বলে জানান তিনি।

বাংলাদেশ অ্যাসিড মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহামুদুল্লাহ পলাশ জানান, ২০১০ সালে নিমতলীতে অগ্নিকাণ্ডের পর কেমিক্যাল পল্লি করে দেওয়ার কথা বলেছে সরকার। সেটি বাস্তবায়ন হয়নি। চুড়িহাট্টার অগ্নিকাণ্ডের পরও একই প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাস্তবায়ন হয়নি এখনও। কবে হবে সেই কেমিক্যাল পল্লি তা কেউ জানে না।

সূত্র : সমকাল
এন কে / ২০ ফেব্রুয়ারি

ঢাকা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে