Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ , ৫ আশ্বিন ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.9/5 (122 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৯-৩০-২০১১

জলাতঙ্ক নির্মূলে কুকুরকে টিকার পাইলট প্রকল্প আগামী মাসে

জলাতঙ্ক নির্মূলে কুকুরকে টিকার পাইলট প্রকল্প আগামী মাসে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (রোগ নিয়ন্ত্রণ) পরিচালক বে-নজীর আহমেদ বৃহস্পতিবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, বহু অংশীদারের সমন্বয়ে এক বছর মেয়াদি এ প্রকল্পে কুকুরের বংশবিস্তার রোধ ও কুকুরকে টিকা দেওয়ার পাশাপাশি জলাতঙ্ক রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে কাজ করা হবে।

কুকুরের কামড়ে জলাতঙ্ক রোগে প্রতি বছর বাংলাদেশে অন্তত দুই হাজার মানুষের মৃত্যু হয়।

বে-নজীর বলেন, "বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ও ওয়ার্ল্ড সোসাইটি ফর দ্য প্রটেকশন অব এনিম্যালস (ডব্লিউএসপিএ) এ প্রকল্পে সহায়তা দেবে।"

এ কর্মসূচিকে 'জলাতঙ্ক প্রতিরোধে কম খরচে সবচেয়ে কার্যকর' কৌশল হিসেবে বর্ণনা করেছে ডব্লিউএইচও।

রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের পরিচালক বে-নজীর বলেন, "এ প্রকল্পের সফলতার ওপর ভিত্তি করে আমরা জলাতঙ্ক প্রতিরোধের কৌশল নির্ধারণ করবো।"

"কুকুর নিধন অমানবিক ও উদ্দেশ্য পূরণে অকার্যকর হওয়ায় তা করা উচিত নয়। টিকাদানের মাধ্যমে জলাতঙ্ক প্রতিরোধের আধুনিক প্রযুক্তি রয়েছে। বন্ধ্যাকরণের মাধ্যমে আমরা কুকুরের বংশ বিস্তারও নিয়ন্ত্রণ করতে পারি।"

তবে এ ভাইরাসজনিত রোগ সম্পর্কে সবাইকে সচেতন হতে হবে। এ ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটলে "এক বছরেরও বেশি সময় তা সুপ্ত অবস্থায় থাকতে পারে।"

"কুকুরকে টিকাদান, সবাইকে কুকুরের কামড় এড়ানোর কৌশল শেখানো এবং কামড়ে আহতদের সুষ্ঠু চিকিৎসার মাধ্যমে জলাতঙ্ক নিয়ন্ত্রণের কার্যকর সমাধান সম্ভব।"

তিনি বলেন, এ প্রকল্পের মাধ্যমে 'এক-হাত' ধারণা প্রতিষ্ঠা পাবে। এটা সব অংশীদারের একসঙ্গে কাজ করার ধারণাকে এগিয়ে নেবে।

"পশু কল্যাণ সংস্থাগুলোর সঙ্গে জনস্বাস্থ্য, প্রাণিসম্পদ ও স্থানীয় সরকার বিভাগগুলো ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করবে।"

ডব্লিউএসপিএ'র এক বিবৃতিতে বলা হয়, 'নিষ্ঠুরতা ও জলাতঙ্ক'-এ দুই থেকে মানবজাতিকে রক্ষায় বিশ্বব্যাপী এক কর্মসূচির অংশ হিসেবে তারা বাংলাদেশকে সহায়তা দেবে।

জলাতঙ্ক মুক্ত বিশ্ব মানে কুকুর ম্ক্তু বিশ্ব নয় বলে মনে করে সংস্থাটি।

ডব্লিউএসপিএ'র হিসাবে, জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত হয়ে সারা বিশ্বে প্রতি বছর ৫৫ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয় এবং অপ্রয়োজনে ও নির্দয়ভাবে বছরে প্রায় দুই কোটি কুকুর মেরে ফেলা হয়।

প্রায়ই জলাতঙ্ক প্রতিরোধের ভুল পদক্ষেপ হিসেবে কুকুর নিধন করা হয় বলে মনে করে সংস্থাটি।

রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের হিসাবে প্রতিবছর দুই থেকে তিন লাখ কুকুরের কামড় দেওয়ার ঘটনা ঘটে। ১৫ বছরের কম বয়সীরাই সবচেয়ে বেশি শিকার হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জলাতঙ্ক পুরোপুরি প্রতিরোধযোগ্য। তবে একবার কেউ এ রোগে আক্রান্ত হলে মৃত্যু অনিবার্য।

কাউকে কুকুর কামড় েিদেল ১০ থেকে ১৫ মিনিট ধরে সাবান দিয়ে ক্ষতস্থানটি ধোয়ার পরামর্শ দেন তারা।

"তারপর ওই ব্যক্তিকে ভ্যাকসিন নিতে হবে। আর এ ভ্যাকসিনও আমাদের দেশে সহজলভ্য," বলেন বে-নজীর।

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে