Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২০ , ২৫ চৈত্র ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০২-১৮-২০২০

আবার শীতনিদ্রায় আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতারা

আবার শীতনিদ্রায় আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতারা

ঢাকা, ১৯ ফেব্রুয়ারি- মাঝখানে ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দুই সিনিয়র হেভিওয়েট নেতা আমীর হোসেন আমু এবং তোফায়েল আহমেদ বেশ সরব ছিলেন। তারা কিছুটা কাজ পেয়েছিলেন। আর সেই কাজে নিজেদের যোগ্যতা তারা ভালোই প্রমাণ করেছিলেন। তারাও আশায় বুক বেধেছিলেন সিটি নির্বাচনের পর মন্ত্রিসভার রদ বদলে হয়তো তাদের মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। বিশেষ করে মুজিব বর্ষের আগে অনেক সিনিয়র নেতাই মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হবেন এমন আশায় বুক বেঁধেছিলেন।

সিটি নির্বাচনের পর মন্ত্রিসভায় যে ক্ষুদ্র একটি পুনর্বিন্যাস হয়েছে তা উল্লেখ করার মতো নয়। তাই আপাতত সিনিয়র নেতাদের মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার আর কোনো খবর থাকলো না। এটা সিনিয়র নেতাদের হতাশ করেছে। তাছাড়া সিটি নির্বাচনের পর তাদেরকে আনুষ্ঠানিকভাবে ধন্যবাদ জানানো, দলীয়ভাবে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ইত্যাদি কিছুই করা হয়নি। আর এই বিষয়টিতে অভিমান করেছেন আওয়ামী লীগের দুই হেভিওয়েট নেতা।

শুধু হেভিওয়েট ওই দুই নেতাই নয় সিটি নির্বাচনের পর শীত নিদ্রায় গেছেন আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতারা। আমীর হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ ছাড়াও বেগম মতিয়া চৌধুরী কর্মহীন ১৪ দলের অন্যতম সমন্বয়ক মোহাম্মদ নাসিম। সিটি নির্বাচনের সময় তিনি ১৪ দলকে নিয়ে বেশ কিছু কর্মসূচি পালন করেছিলেন। কিন্তু সিটি নির্বাচনের পর তিনিও নিরবতা অবলম্বন করছেন।

আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতারা কেনো নিরবতা পালন করছেন তা নিয়ে খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে, প্রথমত দেখা যাচ্ছে দলের সিনিয়র নেতাদের কোনো কাজ দেওয়া হচ্ছে না। যদিও মোহাম্মদ নাসিম এবং মতিয়া চৌধুরী প্রেসিডিয়ামের সদস্য তারপরও দেখা যাচ্ছে দলের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে তাদেরকে ডাকা হচ্ছে না।

দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের একাই তার নিজস্ব টিম দিয়ে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডগুলো পরিচালনা করছেন। ফলে তারা নিজেদের মান সম্মান রক্ষার্থে নিজেদেরকে গুটিয়ে রেখেছেন।

অন্যদিকে আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদের মতো সিনিয়র নেতাদেরকেও শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিক বৈঠকগুলো ছাড়া অন্য কোনো কর্মকাণ্ডের জন্য ডাকা হচ্ছে না। এই সমস্ত সিরিয়র নেতারা তাদের অনুগত কর্মীদের বলেছেন, এখন অনেক বয়স হয়েছে। এই বয়সে যেচে যেচে কোথাও যাওয়া শোভন নয়। এজন্যই তারা নিজেদেরকে গুটিয়ে রেখেছেন।

আওয়ামী লীগের অনেক নেতাই মনে করেন, আগামী ১৭ মার্চ থেকে যে মুজিববর্ষ শুরু হচ্ছে সেই সময় সিনিয়র নেতারা অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন। বিশেষ করে আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদের মতো যারা মুক্তিযুদ্ধ এবং জাতির পিতার সঙ্গে ঘনিষ্টভাবে ছিলেন মুজিব বর্ষে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকা উচিত ছিল। কিন্তু নানা কারণেই তারা দলের কর্মকাণ্ড থেকে নিস্ক্রিয়।

আর এই নিস্ক্রিয়তার একটি মূল কারণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে এখন দলের যে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তারাই সিরিয়র নেতাদের কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে চাচ্ছেন না। আর এর ফলে সিরিয়রদের সঙ্গে যে দূরত্ব তৈরি হচ্ছে সেই দূরত্ব দলের জন্য একটা ভুল বার্তা দিচ্ছে। আর সেটি হলো যখনই একজন সেতা সিনিয়র হয়ে যাবেন তখন কি তিনি দলের জন্য অপাংক্তেও হয়ে যাবেন। এখন যারা দলের নীতি নির্ধারক বা যাদের ইচ্ছা দলে সবকিছু হচ্ছে তারাও যখন সিনিয়র হবেন তখন তাদেরকেও কি এভাবেই অপাংক্তেও করে ফেলে দেওয়া হবে। এই প্রশ্ন উঠেছে আওয়ামী লীগের মধ্যেই।

সূত্র: বাংলা ইনসাইডার

আর/০৮:১৪/১৯ ফেব্রুয়ারি

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে