Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১৯ , ৩০ কার্তিক ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১১-২০-২০১৩

অধিকতর মনোনয়ন বিক্রি হওয়ায় বিপাকে বর্তমান সাংসদরা

শাহীন রহমান



	অধিকতর মনোনয়ন বিক্রি হওয়ায় বিপাকে বর্তমান সাংসদরা
ঢাকা, ২০ নভেম্বর-  অধিকতর মনোনয়ন বিক্রি হওয়ায় বিপাকে পরেছেন স্ব স্ব আসনের নির্বাচিত সাংসদরা। অনুগত একাধিক নেতা, সহকর্মী অঙ্গসংগঠনের নেতারা ইতোমধ্যে সাংসদ প্রার্থী হওয়ার লক্ষে দল থেকে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন।
 
জানা গেছে, প্রায় আড়াই হাজার মনোনয়ন পত্র গত কয়েক দিনে আওয়ামীলীগ কার্যালয় হতে বিক্রি হয়েছে। দল প্রতিষ্ঠালগ্নের পর হতে এটাই সর্বোচ্চ দলীয় মনোনয়ন পত্র বিক্রির রেকর্ড। এ তথ্য দলের একাধিক সূত্রের। সূত্রে জানা যায়, আসন প্রতি গড়ে আট থেকে দশটি মনোনয়ন পত্র বিক্রি হয়েছে। এমন কি হেভি ওয়েট হেভিওয়েটদের বিপক্ষেও দলের নেতারা মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছেন। ফলে সভাবতই টেনশনে রয়েছেন বর্তমান সংসদরা। প্রাপ্ত সূত্র গুলো বলেছে, অধিকাংশ জায়গায় আওয়ামী লীগ থানা কমিটির সভাপতি/ সাধারণ সম্পাদক কিংবা অঙ্গসংগঠনের সভাপতি ,সধারণ সম্পাদকরা নমিনেশন পত্র সংগ্রহ করেছেন। এমনকি শতাধিক উপজেলা চেয়ারম্যান, পরাজিত উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী নমিনেশন প্রত্র সংগ্রহ করেছেন।
 
রেকর্ড পরিমান নমিনেশন প্রত্র সংগ্রহ বিক্রি হওয়ায় আওয়ামী লীগের হাই কমান্ড খুশি হলেও দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল মারাত্মকভাবে ঘটবে, এটা সময়ের ব্যাপার মাত্র। এদিকে নমিনেশন পেপার সংগ্রহকারী সবাই যে নির্বাচনে অংশগ্রহন করবে তাও নয়। অনেকে স্থানীয় এমপিদের শিক্ষা দেবার জন্য নমিনেমন পেপার সংগ্রহ করেছে বলে জানা গেছে। নতুন নমিনেশন সংগ্রকারীরা যারা নির্বাচন করতে ইচ্ছুক কিংবা নিজ নিজ এমপির সাথে বার্গেটিং করতে চায়, সংশ্লিষ্টরা তাদের সমর্থকদের পিছনে বড় অংকের টাকা খরচ হয়ে গেছে, এমন ম্যাসেজ ইতোমধ্যেই দিয়েছেন। এমন অনেক প্রার্থী এখন রীতিমত লাভের অংশ খুঁজছেন। এসব নেতাদের বক্তব্য, গত প্রায় পাঁচ বছরে সাংসদেরা লুটেপুটে খেয়েছেন, আত্বীয় স্বজনেরা লাভবান হয়েছেন, এক্ষেত্রে দলের নেতা কর্মীরা ছিল উপেক্ষিত । ফলে বিক্ষু্ব্ধ প্রার্থীরা খরচের খাতা দশ লক্ষ থেকে ক্ষেত্র বিশেষ ৫০ লক্ষ পর্যন্ত খরচ হয়েছে, এমন ম্যাসেজ নিজ নিজ আসনের সাংসদ বা তার আত্বীয় স্বজনদেরকে দিয়ে রেখেছেন। খুলনা অঞ্চলের এক সাংসদ ক্ষোভের সাথে বলেন, নমিনেশন পেপার এভাবে ওপেন করায় দলের চেইন অব কমান্ড ভেঙ্গে পরেছে। যা দলের জন্য বড় ধরনের বিপর্যয় বয়ে আনবে। প্রবীন এই সাংসদ বলেন, কালো টাকার প্রভাব রোধ করতে আমরা সবাই কাজ করে যাচ্ছি অথচ এখন স্থানীয় সাবাই কে ম্যানেজ করে নির্বাচন করতে হবে। যাতে আরো কালো টাকার ব্যবহার বারবে।তবে নিয়মিত এই ভোটের সময় সবাই সাংসদদেরকে পেয়ে বসে। একাধিক সাংসদ এই বক্তব্যের সাথে একমত পোশন করেন।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে