Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২০ , ১৮ চৈত্র ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (10 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০২-১২-২০২০

ইভিএমের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে জয় পেলেন কাউন্সিলর প্রার্থী

ইভিএমের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে জয় পেলেন কাউন্সিলর প্রার্থী

ঢাকা, ১২ ফেব্রুয়ারি- ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) হওয়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে জয় পেয়েছেন ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী ঝুড়ি প্রতীকের শেখ মো. আলমগীর। সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ভোট পুনঃযাচাই করে কাউন্সিলর হিসেবে শেখ মো. আলমগীরের নাম ঘোষণা করা হয়। তবে ইভিএমে গৃহীত ভোটের সংশোধিত ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছেন বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষিত ‘টিফিন ক্যারিয়ার’ প্রতীকের প্রার্থী জুবায়েদ আদেল।

নির্বাচন ভবনের মিডিয়া সেন্টারে ভোট পুনঃগণনার পর ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ কাউন্সিলর পদে শেখ মোহাম্মদ আলমগীরকে বিজয়ী ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবদুল বাতেন। এসময় তিনি ফল বদলে যাওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রিজাইডিং কর্মকর্তাকে দায়ী করেন।

রিটার্নিং অফিসার বলেন, গত ১ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণের পর ফল প্রকাশের সময় প্রিজাইডিং কর্মকর্তার ‘ভুলে’ টিফিন ক্যারিয়ার প্রতীকের প্রার্থী জুবায়েদ আদেলকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছিল। সেদিন আদেলের টিফিন ক্যারিয়ার প্রতীকে সর্বোচ্চ দুই হাজার ৪৪৫ ভোট পড়েছে জানিয়ে তাকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। তখন শেখ আলমগীরের ঝুড়ি প্রতীকে দেখানো হয়েছিলো দুই হাজার ২৩৫ ভোট।

তবে ফল ঘোষণার পর আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী আলমগীর তা চ্যালেঞ্জ করে জানান, আরমানিটোলা উচ্চ বিদ্যালয়ের পুরুষ ভোটকেন্দ্রে (কেন্দ্র-৫২০) তার প্রাপ্ত (৪৩৯) ভোট ঘুড়ি প্রতীকের প্রার্থী ইরোজ আহমেদের ভোটের সঙ্গে যোগ হয়ে গেছে। অন্যদিকে ঘুড়ি প্রতীকের (২০২) ভোট যোগ হয়েছে তার ঝুড়ি প্রতীকের ভোটের সঙ্গে।

রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, আরমানিটোলা উচ্চ বিদ্যালয়ের পুরুষ ভোটকেন্দ্রে ঝুড়ি প্রতীকে ভোট পড়েছিল ৪৩৯ ভোট আর ঘুড়িতে ২০২ ভোট। কিন্তু সেটি উল্টে গিয়েছিল। এতে পুরো রেজাল্টে টিফিন ক্যারিয়ারের প্রার্থী জিতে গিয়েছিলেন। পরে ঝুড়ি প্রতীকের প্রার্থী অভিযোগ দিলে বিষয়টি যাচাই করে দেখা গেছে প্রার্থী ও প্রিজাইডিং অফিসারের ফলাফল ভিন্ন। আমরা বাধ্য হয়ে ফল স্থগিত করেছি, আমরা বিধি ও আইন দেখেছি।

প্রিজাইডিং অফিসার বলেছে, তিনি লিখতে ভুল করেছেন, তিনি ক্ষমা চেয়ে লিখিতও দিয়েছেন। ফল যাচাইয়ে আরমানিটোলার ৪৩৯ ভোট ঝুড়ি প্রতীকে যোগ করায় শেখ আলমগীরের ভোট দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ৪৭২ ভোট, যা জুবায়েদ আদেলের (টিফিন ক্যারিয়ার) দুই হাজার ৪৪৫ ভোটের চেয়ে বেশি। এছাড়াও এ এম কাইয়ুম (রেডিও) ৭২৩ ভোট ও ইরোজ আহমেদ (ঘুড়ি) এক হাজার ৪৩৮ ভোট পেয়েছেন। যেহেতু শেখ মোহাম্মদ আলমগীর ঝুড়ি প্রতীকে ৯টি কেন্দ্রে সর্বোচ্চ দুই হাজার ৪৭২ ভোট পেয়েছেন, সেজন্য সর্বোচ্চ ভোটপ্রাপ্ত হিসাবে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে শেখ আলমগীরকে বিজয়ী ঘোষণা করেছি।

ইভিএমে ফল জালিয়াতি মানবো না: এদিকে নতুন করে ফল ঘোষণায় আপত্তি জানিয়েছেন কাউন্সিলর প্রার্থী জুবায়েদ আদেল। তিনি বলেন, এই ফলাফল আমি মানি না। ইভিএমে জালিয়াতি করে আমাকে পরাজিত করানো হয়েছে। কারণ আমাকে আগে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছিল। আমাকে কাগজও দেওয়া হয়েছে। আমি নতুন ফল মানি না। ইভিএমে যে ফলাফল পাল্টানো সম্ভব তা প্রমাণিত হলো। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে যাওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।

ইভিএমে শতভাগ সফল-এনআইডি ডিজি: ফলাফল ঘোষণার সময় উপস্থিত জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন (এনআইডি) অনুবিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম বলেন, ইভিএম নতুন পদ্ধতি, যার কারণে কিছু কনফিউশন থাকতে পারে। তবে এটি আগের সব পদ্ধতির চেয়ে নির্ভরযোগ্য। একটি কেন্দ্রে যে কয়টি বুথ থাকবে, তার সব ইনডিভিজ্যুয়াল ফলাফল অডিট কার্ডে সংরক্ষিত থাকে। এছাড়াও এসডি কার্ডে ভোটারসহ, কেন্দ্রের তথ্য সংরক্ষিত থাকে। কেন্দ্রে কতজন ভোট দিয়েছেন, কোন প্রতীকে কত ভোট পড়েছে সব তথ্যই সংরক্ষিত থাকে অডিট কার্ডে। দুই সিটির ভোটে ইভিএম ব্যবহারে শতভাগ সফলতা পাওয়া গেছে বলে দাবি করেন তিনি।

সূত্র : বাংলা ট্রিবিউন
এন কে / ১২ ফেব্রুয়ারি

ঢাকা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে