Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২০ , ২৫ চৈত্র ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০২-১০-২০২০

পি কে হালদারের অবস্থান জানতে তৎপর মন্ত্রণালয়

আলমগীর হোসেন


পি কে হালদারের অবস্থান জানতে তৎপর মন্ত্রণালয়

ঢাকা, ১০ ফেব্রুয়ারি- অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় প্রশান্ত কুমার হালদারের (পি কে হালদার) অবস্থান শনাক্ত করতে পারেনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। জব্দ করা সম্ভব হয়নি তার পাসপোর্টও। হাইকোর্টের নির্দেশের পর মন্ত্রণালয় তাদের অধীন সংস্থাগুলোকে এ বিষয়ে চিঠি দিয়ে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বলে। সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা বিভাগ থেকে হাইকোর্টকে এ বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে।

জানতে চাইলে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল প্রিন্স আল মাসুদ এ প্রতিবেদককে বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে হাইকোর্টের দুটি নির্দেশনা ছিল। পি কে হালদার ও অন্যদের পাসপোর্টগুলো যেন জব্দ করা হয় এবং তারা যেন বিদেশ যেতে না পারে। দ্বিতীয়ত, তাদের ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশনা ছিল বাংলাদেশ ব্যাংকের ওপর। তিনি বলেন, আদেশের পর মন্ত্রণালয় তাদের অধীন সংস্থা- সিভিল এভিয়েশন, সিআইডিসহ অন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এ ব্যাপারে চিঠি দিয়েছে। পাসপোর্টগুলো জব্দ করা হয়েছে কি না, তারা দেশের বাইরে না ভেতরে আছে বা তাদের অবস্থান কোথায়- এ মর্মে কোনো রিপোর্ট দেয়নি। পরবর্তী সময়ে অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করা হবে বলে জানিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব গত ৫ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টকে এ বিষয়ে অবহিত করেন।

গত ১৯ জানুয়ারি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিস লিমিটেড (আইএলএফএসএল) থেকে অপসারিত প্রশান্ত কুমার হালদারের পাসপোর্ট জব্দের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মোহাম্মদ খুরশিদ আলম সরকারের একক বেঞ্চের আদেশে পি কে হালদারের মা, স্ত্রী, ভাইসহ ওই কোম্পানির শীর্ষ ১৯ কর্মকর্তার পাসপোর্ট জব্দের আদেশও দেয়া হয়। পি কে হালদার এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক এমডি ছিলেন। তিনি কোটি কোটি টাকা লোপাট করে বিদেশে পালিয়েছেন বলে গণমাধ্যমে খবর এসেছে। আইএলএফএসএলের ৭ বিনিয়োগকারীর টাকা ফেরত চেয়ে করা মামলার শুনানি শেষে হাইকোর্ট ওই আদেশ দেন।

ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির এ প্রতিবেদককে বলেন, আদেশ বাস্তবায়নের বিষয়টি হাইকোর্টকে অবহিত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এর আগে তিনি সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ৭ আবেদনকারী স্থায়ী আমানত হিসেবে প্রায় ৮৫ মিলিয়ন টাকা জমা দিয়েছিলেন। আমানত পরিপক্ব হওয়ার পর আমানতকারীরা তাদের আমানতের টাকা উত্তোলনের জন্য আবেদন করলে তাদের জানানো হয়- আইএলএফএসএল আমানতের টাকা দিতে অক্ষম। এ পরিস্থিতিতে আমানতকারীরা কোম্পানিটিকে দেউলিয়া ঘোষণা করার আরজি জানিয়ে ২০১২ সালের ডিসেম্বরে হাইকোর্টে আবেদন করেন। সর্বশেষ গত ১২ জানুয়ারি আইএলএফএসএল আদালতে একটি লিখিত আবেদন দিয়ে বলে, বর্তমান অবস্থায় কোম্পানি একসঙ্গে সব পাওনাদারের পাওনা পরিশোধ করতে পারবে না। তবে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আবেদনকারীদের অর্থ ফেরত দেবে।

অবৈধ ব্যবসা ও কার্যক্রমের মাধ্যমে পৌনে ৩০০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পি কে হালদারের বিরুদ্ধে মামলাও করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গত ৮ জানুয়ারি কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১-এ দুদকের সহকারী পরিচালক মামুনুর রশীদ চৌধুরী বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় বলা হয়, পি কে হালদার অসৎ উদ্দেশ্যে বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা ও অবৈধ কার্যক্রমের মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ২৭৪ কোটি ৯১ লাখ ৫৫ হাজার ৩৫৫ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন করেন।

সূত্র: যুগান্তর

আর/০৮:১৪/০৯ ফেব্রুয়ারি

আইন-আদালত

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে