Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, রবিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৯ , ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 5.0/5 (2 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১১-১৭-২০১৩

এখনও ১৪ মামলার আসামি তারেক, বিচার চলছে চারটির


	এখনও ১৪ মামলার আসামি তারেক, বিচার চলছে চারটির
ঢাকা, ১৭ নভেম্বর- অর্থপাচার মামলায় খালাস পেলেও এখনও ১৪টি মামলা ঝুলছে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে। এর মধ্যে আরও চারটি মামলা বিচারাধীন। অন্যাগুলো হাইকোর্টেও আদেশে স্থগিত আছে।
 
তারেক রহমানের মামলাগুলোর মধ্যে দুটিতে আনা হয়েছে সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ। ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার ঘটনায় মামলা দুটি করা হয়। এর বাইরে এই বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে আছে চাঁদাবাজির ছয়টি, অর্থ আত্মসাতের দুইটি, অবৈধ সম্পদ অর্জন, আয়কর ফাঁকি, ঋণ খেলাপি এবং হত্যা মামলা ধামাচাপা দেয়া চেষ্টার একটি করে মামলা।
 
২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসার পর তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মামলাগুলো হয়। পাঁচ বছরের মধ্যে সিঙ্গাপুরে অর্থ পাচারের একটি মামলায় তারেক খালাস পেয়েছেন। কিন্তু অন্য মামলাগুলো নিষ্পত্তি না হওয়ায় সহসাই তার আইনি প্রক্রিয়া থেকে মুক্তির কোনো সুযোগ নেই।
 
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় দুটি সহ চারটি মামলায় তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি আছে। এই মামলাগুলো বিচারাধীন। হাইকোর্ট থেকে বাকি মামলাগুলোর বিষয়ে স্থগিতাদেশ নিয়ে এসেছেন তারেক রহমানের আইনজীবীরা।  
 
তারেক রহমানের আইনজীবী জাকির হোসেন ভূইয়া বলেন, ‘তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মোট ১৫টি মামলা ছিল। এর মধ্যে একটি মামলায় খালাস পাওয়ায় এখন ১৪টি মামলা থাকলো’।
 
সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসার পর তারেক রহমানের বিরুদ্ধে প্রথম মামলাটি করেন ব্যবসায়ী আমিন আহমেদ ভূঁইয়া। এক কোটি টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগে ২০০৭ সালের ৮ মার্চ গুলশান থানায় মামলা করেন তিনি। ওই মামলাতেই গ্রেপ্তার হর তারেক।
 
তারেক রহমানের মামলাগুলোর মধ্যে দুটিতে আসামি আছেন তার তা খালেদা জিয়াও। দুদকের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট এবং জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আসামি করা হয়েছে মা-ছেলেকে। এর বাইরে জোট সরকার ক্ষমতায় থাকাকালে বসুন্ধরার কর্মকর্তা সাব্বির হত্যা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য ২১ কোটি টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে করা মামলাও আছে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে।
 
দুটি মামলায় জামিন পেয়ে ২০০৮ সালে আদালতের অনুমতি নিয়ে যুক্তরাজ্যে চিকিৎসা করতে যান তারেক রহমান। ২০১২ সালে জামিন বাতিল হয়ে গেলেও দেশে ফেরেননি তিনি। ফলে পরবর্তীতে তার কয়েকটি মামলায় জামিন বাতিল করে তাকে পলাতক দেখিয়ে মামলার কার্যক্রম শুরু করে আদালত।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে