Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ , ১২ ফাল্গুন ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০১-২৬-২০২০

সমস্যা অনেক, নগর গঠনে দরকার সকলের সমন্বিত উদ্যোগ

সমস্যা অনেক, নগর গঠনে দরকার সকলের সমন্বিত উদ্যোগ

ঢাকা, ২৭ জানুয়ারি - বাংলাদেশকে অন্য দেশের সাথে তুলনা না করে দেশের সমস্যা সমাধানে নতুন গবেষণা, আবিষ্কার, যুগোপযোগী সমাধান এবং সঠিকভাবে সমস্যা চিহ্নিতকরণের আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

নাগরিক সুরক্ষা এবং মানবিক স্বার্থে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থ সহযোগিতায় দুর্যোগ মোকাবিলায় সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা সচেতন নগর গঠনের উদ্দেশে দুটি প্রকল্পের উদ্বোধন ও আলোচনা কর্মশালায় নগর ব্যবস্থাপনা নিয়ে কথা বলেন তাজুল ইসলাম।

রোববার গুলশানের স্পেক্ট্রা কনভেনশন সেন্টারে প্রকল্প দুটির আন্তর্জাতিক ও জাতীয় কনসোর্টিয়াম পার্টনারদের আয়োজনে কর্মশালাটি আয়োজিত হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, “আমাদের অনেক ধরনের সমস্যা আছে। এগুলো এক রাতেই সমাধান হবে না, উন্নয়ন সংস্থা, গবেষক, প্রকৌশলী সবাইকেই নগর গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে। প্রতিবন্ধকতাও আছে, আপনারা বিষয়গুলো সঠিকভাবে চিহ্নিত করে কাজ করুন।”

প্রকল্পগুলোর একটি ‘স্ট্রেংদেনিং আরবান রেজিলিয়েন্স প্রোজেক্ট (সার্প-২)’ যেটির কনসোর্টিয়াম পার্টনার হিসেবে কাজ করছে সেভ দ্য চিলড্রেন ইন বাংলাদেশ, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ, পপুলেশন সার্ভিসেস অ্যান্ড ট্রেইনিং সেন্টার (পিএসটিসি) এবং কমিউনিটি পারটিসিপেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (সিপিডি)।

সেভ দ্য চিলড্রেনের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নাগরিক সহনশীলতা বৃদ্ধি করে একটি নিয়মতান্ত্রিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমন্বিত পদ্ধতি প্রয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশে নগর বিপর্যয় ও ঝুঁকির প্রভাব হ্রাসকরণে কাজ করবে সার্প-২ প্রকল্প। এই পদক্ষেপটি সমস্ত প্রাসঙ্গিক অংশীদার যেমন, বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতর, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং স্বেচ্ছাসেবকদের জড়িত করে বিভিন্ন কৌশল, পাঠ ও পদক্ষেপকে প্রাতিষ্ঠানিককরণের প্রক্রিয়ায় জোর দেবে। প্রকল্পটির আরও একটি অগ্রাধিকার হলো নাগরিক সহনশীলতা বৃদ্ধির উদ্যোগে সর্বাধিক প্রান্তিক গোষ্ঠীকে অন্তর্ভুক্ত করা। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ওয়ার্ড নং ২৯, ৩০, ৩২ এবং ৩৪, দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড নং ৪৭, ৪৯, ৫৮ এবং ৫৯ এবং নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১০, ১৪, ১৫ এবং ১৬ নং ওয়ার্ডে এই প্রকল্প কাজ করবে ২ বছরব্যাপী।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, অপর প্রকল্পটি হলো ‘ঢাকা আর্থকুয়েক অ্যান্ড ইমারজেন্সি প্রিপেয়ার্ডনেস- এনহ্যানসিং রেজিলিয়েন্স (ডিপার)’। এই প্রকল্পের কনসোর্টিয়াম পার্টনার হিসেবে আছে জার্মান রেড ক্রস, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, দ্য ব্রিটিশ রেড ক্রস, দ্য ইন্টারন্যশনাল ফেডারেশন অফ রেড ক্রস অ্যান্ড রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিজ, ক্রিশ্চিয়ান এইড এবং অ্যাকশন এগেইন্সট হাঙ্গার।

ঢাকার ১৮টি ওয়ার্ডে বড় ধরনের ভূমিকম্প এবং অন্যান্য জরুরি পরিস্থিতে সঠিক সাড়াদান ও প্রস্তুতি উন্নতকরণের মাধ্যমে স্থিতিস্থাপকতা বাড়ানোর উদ্দেশে কাজ করবে প্রকল্পটি। এছাড়াও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে উভয় প্রকল্প কাজ করবে।

অনুষ্ঠানে ভূমিকম্প প্রস্তুতি ও নগর সহনশীলতা এবং সরকারি উদ্যোগ নিয়ে দুটি প্রেজেন্টেশনও দেয়া হয়। বিশেষ অতিথি নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র সেলিনা হায়াত আইভি বলেন, “এখন আর অ্যাওয়ারনেস তৈরির সময় নেই। এখন সময় কাজ করার। সরাসরি ইমপ্লিমেন্টেশনে যেতে হবে। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার সাথে সাথে সরকারের আরও কাজ করতে হবে।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সেভ দ্য চিলড্রেন ইন বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্ক পিয়ের্স, জার্মান রেড ক্রসের হেড অফ অফিস গৌরব রায় এবং দুই প্রকল্পের পার্টনার সংস্থাগুলোর কর্মকর্তারা।

সূত্র : জাগো নিউজ
এন এইচ, ২৭ জানুয়ারি

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে