Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ , ৬ ফাল্গুন ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (10 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০১-১৫-২০২০

নাগরিকত্ব আইন হিন্দু-মুসলিম বিভাজন করছে: অধীর চৌধুরী

নাগরিকত্ব আইন হিন্দু-মুসলিম বিভাজন করছে: অধীর চৌধুরী

কলকাতা, ১৬ জানুয়ারি- ভারতীয় সংসদের নিম্নকক্ষ লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা অধীর চৌধুরী বলেছেন, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন, এনআরসি ও এনপিআরের মাধ্যমে মোদি সরকার হিন্দু-মুসলিমের মধ্যে বিভেদ তৈরির চেষ্টা হচ্ছে।

পশ্চিমবঙ্গের বাদুড়িয়ায় বুধবার সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন ‘সিএএ’, জাতীয় নাগরিকপঞ্জি ‘এনআরসি’ ও জাতীয় জনসংখ্যা নিবন্ধন ‘এনপিআর’ বিরোধী সমাবেশে বক্তব্য রাখার সময় ওই মন্তব্য করেন। খবর এনডিটিভির।

কংগ্রেস এ নেতা বিজেপির সমালোচনা করে বলেন, আর যেন কোনো আলোচনা নেই, এনআরসিতে কী হবে, এনপিআরে কী হবে, সিএএতে কী হবে এ আলোচনাই চলছে।

আমাদের আলোচনা ঘুরেফিরে কেন্দ্রীভূত এনআরসি, নাগরিকত্ব আইন ইত্যাদি। আমরা এগুলোর সঙ্গে পরিচিত ছিলাম না। মানুষের জীবনে প্রয়োজন এনআরসি বা এনপিআর নয়।

মানুষের জীবনে প্রয়োজন তার রুটিরুজি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, শিল্প, তার অগ্রগতি। কিন্তু নতুন করে আমাদের আবার যেন ৭০ বছর পেছনে ঠেলে দেয়া হচ্ছে! আবার আমাদের মধ্যে বীজ বপন করা হচ্ছে তুমি হিন্দু, তুমি মুসলিম!

তুমি মানুষ ঠিকই কিন্তু মানুষের মধ্যে ভাগ হচ্ছে– তুমি হিন্দু, তুমি মুসলিম। আমরা তো এসব ৭০ বছর আগে ফেলে দিয়ে চলে এসেছি। এটিকে তো আমরা অতীত করে দিয়েছি। এ জন্য আমাদের অনেক রক্তক্ষয় হয়েছে।

ভারত দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পাকিস্তান জন্ম নিয়েছে, ভারতবর্ষ জন্ম নিয়েছে। ২০ লাখ মানুষ হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গায় খুন হয়েছিল সেই সময়। দেড় থেকে দুই কোটি মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছিল।

আবার কী আমরা সেই অতীতে ফিরে যাব? আবার কী আমরা দেশ ভাগের সেই বাতাবরণে? ভারতবর্ষের মানুষকে আজ সেই জায়গাতেই ঠেলে দেয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, সব সমস্যার মূলে নাগরিকত্ব আইন। এমন একটা প্রচার চলছে দেশে, যেন সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে নাগরিকত্ব আইন ঠিকঠাক হয়ে গেলে।

আমাদের প্রশ্ন– আমরা কী তাহলে নাগরিক নই? দেশ স্বাধীনের সাত দশক পরও কী আমাদের নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হবে?

অসমে কী করলেন বিজেপির লোকেরা? ১৯ লাখ লোকের নাম এনআরসি থেকে বাদ দিয়ে দিয়েছে। ১২ লাখ মানুষ তার মধ্যে হিন্দু। তিন লাখ ওখানকার আদিবাসী স্থানীয় লোক।

এক থেকে দেড় লাখ মুসলিম আছে এর মধ্যে। তা হলে কী লাভ হলো এতে? কার লাভ হলো?

গেড়ুয়াদের উদ্দেশ্য হলো দেশের মধ্যে সাম্প্রদায়িক বাতাবরণ তৈরি করে সমাজকে বিভক্ত করা বলেও কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরীর দাবি।

আর/০৮:১৪/১৬ জানুয়ারি

পশ্চিমবঙ্গ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে