Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ , ৫ ফাল্গুন ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (15 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০১-০৮-২০২০

রাতে মামলার তদন্তে গিয়ে ‘হামলার’ শিকার, ৫ এসআই আহত

রাতে মামলার তদন্তে গিয়ে ‘হামলার’ শিকার, ৫ এসআই আহত

ঝিনাইদহ, ০৯ জানুয়ারি- ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার আড়পাড়া এলাকায় মাদরাসাছাত্র হত্যাকাণ্ডের তদন্তে গিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পাঁচজন সদস্য আহত হয়েছেন।

আহত পুলিশ সদস্যদের দাবি, তাদের মারধর করা হয়েছে। পিবিআইয়ের দুই সদস্যকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য তিনজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

আহতরা হলেন, ঝিনাইদহ পিবিআইয়ের এসআই হাফিজুর রহমান, এসআই সোহেল রানা, এএসআই আব্দুল খালেক, এসআই বিএম হুমায়ুন কবির ও এএসআই জাফর।

আহত হাফিজুর রহমান জানান, সকাল থেকেই একটি হত্যা মামলা তদন্তের জন্য আমরা আড়পাড়া এলাকায় অবস্থান করছি। হঠাৎ রাত ১০ টার দিকে ছুরি উদ্ধার হলে সাব্বিরকে ওই ছুরি দিয়ে স্বীকারোক্তি নেয়ার সময় আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা করে আমাকে তারা একটি ঘরের মধ্যে আটকে রেখে মারধর করে। অন্য সদস্যরা আসামিদের নিয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। আমার দুই চোখের মধ্যে আঙুল ঢুকানো হয়েছে। পিঠে ও বুকে পর্যাপ্ত কিলঘুষি মারা হয়েছে।

এরপর কালীগঞ্জ থানার ওসিসহ থানার একদল পুলিশ আড়পাড়া এলাকার মুশফিকুর রহমান ডাবলুর বাসা থেকে আমাকে উদ্ধার করেন বলে জানান তিনি।

এ ব্যাপারে কালীগঞ্জ থানার ওসি মুহা. মাহফুজুর রহমান মিয়া এ প্রতিবেদককে জানান, ‘আমি নিজে ঘটনাস্থলে গিয়ে অবরুদ্ধ পিবিআই সদস্যকে উদ্ধার করে নিয়ে আসি। তাকে বেশ মারধর করা হয়েছে। আহত হাফিজুর রহমানকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় পিবিআইয়ের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ঝিনাইদহের পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এমকেএইচ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, কালীগঞ্জে মাদ্রাসাছাত্র হত্যাকাণ্ডের তদন্তে যায় পিবিআই সদস্যরা। রাতে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা করা হয়। হামলায় পাঁচচন পুলিশ আহত হয়েছেন। দুজন হাসপাতালে ভর্তি ও তিনজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

হামলার সময় হত্যাকাণ্ডের আলামত ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে এবং আসামিদেরও ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করা হয়। এ ঘটনায় মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান তিনি।

এদিকে আটক সাব্বিরের পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, সাব্বিরকে নিয়ে রাত ১০ টার দিকে তার বাসায় নিয়ে গিয়ে অন্য একটি ছুরি হাতে ধরিয়ে দিয়ে জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি নেয়ার চেষ্টা করেন পিবিআই সদস্যরা। এ সময় আমরা প্রতিবাদ করি এবং এক পিবিআই সদস্যকে আটকে রেখে পুলিশকে খবর দেই। এরপর পুলিশ এসে মুশফিকুর রহমান ডাবলু ও তার ভাই লাভলুকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।

সূত্র: যুগান্তর

আর/০৮:১৪/০৯ জানুয়ারি

ঝিনাইদহ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে