Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শুক্রবার, ১৯ জুলাই, ২০১৯ , ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.7/5 (9 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১২-১৭-২০১১

শুধু ইসি নিয়ে সংলাপে আগ্রহী নয় বিএনপি

শুধু ইসি নিয়ে সংলাপে আগ্রহী নয় বিএনপি
নতুন নির্বাচন কমিশন (ইসি) নিয়োগের ব্যাপারে রাষ্ট্রপতির উদ্যোগে সংলাপ নিয়ে আগ্রহ নেই প্রধান বিরোধী দল বিএনপির।
দলটির নেতারা মনে করেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহালের বিষয়টি পাশ কাটাতে নির্বাচন কমিশন নিয়ে সংলাপের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তাঁদের দাবি, তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি পুনর্বহাল না করে নির্বাচন কমিশন নিয়ে যত সংলাপই করা হোক না কেন, তা হবে অর্থহীন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি পুনর্বহালকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে বিএনপি। দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে নির্বাচন কমিশনে কারা এলেন বা না এলেন, তাতে কিছু যায়-আসে না।’
বঙ্গভবনের উচ্চপর্যায়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, নতুন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে রাষ্ট্রপতি এ পর্যন্ত সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করবেন। দলগুলোর মতামত ও তাদের দেওয়া নামের তালিকা নিয়ে সেখান থেকে তিনি কমিশনার নিয়োগ দেবেন।
বর্তমান সিইসি এ টি এম শামসুল হুদা ও নির্বাচন কমিশনার মুহাম্মদ ছহুল হোসাইনের মেয়াদ শেষ হবে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি। অপর নির্বাচন কমিশনার এম সাখাওয়াত হোসেনের মেয়াদ শেষ হবে ১৩ ফেব্রুয়ারি। তাই জানুয়ারিতে এই সংলাপ শুরু হতে পারে বলে সূত্রটি জানায়।
জানতে চাইলে বিএনপির নীতিনির্ধারক পর্যায়ের একাধিক নেতা বলেন, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ইসি নিয়ে সংলাপে বিএনপি অংশ নেবে কি না, তা বঙ্গভবন থেকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ পাওয়ার পর স্থায়ী কমিটিতে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
জানতে চাইলে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে রাষ্ট্রপতির সংলাপকে ভালো উদ্যোগ বলেই ধরে নিচ্ছি। তবে বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচনে যাবে না। তাই দেশের প্রধান রাজনৈতিক সংকটের সমাধান জরুরি। সেটা করা হলে শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন গঠনে সব দলের সঙ্গে আলোচনা ফলপ্রসূ হতে পারে।’
এর আগে গত ১৬ জুন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সংবাদ সম্মেলন করে বলেছিলেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা কে হবেন, নিরপেক্ষ ও যোগ্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী করে গড়ে তোলা এবং প্রশাসনকে নির্দলীয়করণের ব্যাপারে প্রয়োজন হলে সরকারের সঙ্গে আমরা আলোচনা করতে চাই।’
এই অবস্থায় নির্বাচন কমিশন নিয়ে রাষ্ট্রপতির সংলাপে বিএনপি সাড়া দেবে কি না, এ ব্যাপারে জানতে চাইলে দলটির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য এম কে আনোয়ার বলেন, কেবল নির্বাচন কমিশন নিয়ে আলোচনা অর্থহীন। কেননা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের ব্যাপারে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি ছাড়া এখন পর্যন্ত সব দলই একমত পোষণ করেছে। এ নিয়ে রাজনৈতিক সংকটও তৈরি হয়েছে। এটি পাশ কাটিয়ে অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ সংকটের সমাধানে রাষ্ট্রপতির এই উদ্যোগ সংকটকে আরও বাড়িয়ে দেবে।
বিএনপির জ্যেষ্ঠ এই নেতা মনে করেন, এই সংলাপ প্রমাণ করবে, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ব্যক্তি তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহালের মতো দাবি সম্পূর্ণ এড়িয়ে গেলেন। কেননা এই কমিশন বলছে, তারা সর্বোচ্চ স্বাধীনতা ভোগ করছে। সরকারও তা-ই বলছে। কিন্তু কমিশনের চাহিদা মেটাতে সরকার সবকিছু করছে না। সরকারের অসাংবিধানিক আচরণের বিরুদ্ধে কমিশনও কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে