Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে, ২০১৯ , ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)


আপডেট : ১১-০৭-২০১৩

বিকল্প মালিক দিয়ে জেসপ চালানো হোক, চায় আইএনটিটিইউসি


	বিকল্প মালিক দিয়ে জেসপ চালানো হোক, চায় আইএনটিটিইউসি
কলকাতা, ৭ নভেম্বর- জেসপ কর্তৃপক্ষ কারখানা চালাতে না পারলে বিকল্প মালিক দিয়ে কারখানা চালানো হোক৷ এই বিষয়ে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার উভয়েরই দায়িত্ব রয়েছে বলে দাবি জানাল জেসপের শ্রমিক ইউনিয়ন৷ মঙ্গলবার জেসপের আইএনটিটিইউসি ইউনিয়নের প্রেসিডেণ্ট নির্মল ঘোষ জানান, যেহেতু ভারত হেভি ইঞ্জিনিয়ারিং নিগমের অংশীদারিত্ব রয়েছে এই কারখানায়, তাই তাদের কাছেও আবেদন জানাবো বিকল্প মালিক খুঁজে কারখানা চালানোর৷ কারণ জেসপ কর্তৃপক্ষের কারখানা চালানোর সদিচ্ছার অভাব আছে বলে মনে করছে ইউনিয়নগুলি৷
 
এদিকে, সিটু সমর্থিত ‘ফেডারেশন অফ মেটাল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কার্স ইউনিয়নস্' এর তরফ থেকে নিরঞ্জন চট্টোপাধ্যায়  জানান, "শ্রমিক অসন্তোষের নাম করে মালিকপক্ষ কারখানা বন্ধ করে দিতে চাইছে৷ এই শিল্পে মালিক শ্রমিকদের নিয়মিত বেতন, গ্র্যাচুইটি দিচেছ না৷ শিল্প বন্ধ করে সম্পদ লুঠ করার জন্যই উত্পাদন কমিয়ে দেওয়া হয়েছে৷ শ্রমিকদের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে কারখানা লক আউট করে দেওয়ার চেষ্টার বিরোধিতা করে শ্রমিকদের তরফে ‘জয়েণ্ট ফোরাম অব ইউনিয়নস অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েসন' তৈরি করা হয়েছে৷ তাদের দাবি, মালিকপক্ষ অবিলম্বে সাসপেনশন অফ ওয়ার্কস নোটিস প্রত্যাহার করুক৷ রাজ্যের শ্রমমন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসু মঙ্গলবারও বলেন, কারখানা বন্ধের প্রস্তাব হিসাবে যে চিঠি জেসপ কর্তৃপক্ষের তরফে দেওয়া হয়েছে, সেটিকে আমরা নোডাল নোটিস হিসাবে গ্রহণ করছি না৷৮ নভেম্বর একটি ত্রিপাক্ষিক বৈঠক হবে৷ সব পক্ষকে চিঠি দেওয়া হচেছ৷ সেখানেই আলোচনা হবে৷ শ্রমসচিব, শ্রম কমিশনারের উপস্থিতিতে বৈঠকটি হবে৷ কারখানা সুষ্ঠুভাবে চলুক এটাই সরকার চায়৷" কর্তৃপক্ষের জারি করা ‘সাসপেনশন অফ ওয়ার্ক' নোটিস মানতে রাজি নয় কোনও শ্রমিক সংগঠনই৷ 
 
সংস্হার বিরু‌দ্ধে বারবার অভিযোগ উঠেছে, তাদের হাতে প্রচুর টাকার বরাত রয়েছে কিন্ত্ত সেই অনুযায়ী শ্রমিকদের কাজ দিয়ে সরবরাহ করা হচ্ছে না৷ জেসপের ভাইস প্রেসিডেণ্ট (কর্পোরেট কমিউনিকেশন) ধ্রবজ্যোতি নন্দী বলেন, "ত্রিপাক্ষিক বৈঠকের চিঠি এখনও আমরা পাইনি৷ তাছাড়া, কারখানার ন্যূনতম উত্পাদন ক্ষমতা, নিয়ম যদি শ্রমিকরা না মানেন তাহলে বাইরে থেকে আমাদের উত্পাদন করাতে হয়৷ সেক্ষেত্রে লাভজনকভাবে কারখানা চালানো যাবে না৷ আমাদের হাতে বরাত নেই একথা আমরা বলিনি৷ কিন্ত্ত নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তো উত্পাদন  সরবরাহ করতে হবে৷" জেসপের শ্রমিক নেতা নির্মল ঘোষ বলেন, কর্তৃপক্ষ যদি উত্পাদন করার মতো কাঁচামাল, ম্যাচিং মেটেরিয়াল ইত্যাদি দেয় তাহলে শ্রমিকরাও যথাসময়ে কাজ করবে৷ এছাড়াও শ্রমিকদের বকেয়া ইএসআই, গ্রাচুয়িটি ইত্যাদিও মিটিয়ে দিতে হবে৷ তাঁদের দাবি, শ্রমিককে পুরো কাজ দিয়ে পুরো বেতন দিতে হবে৷ গত দশ বছরে কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের ধারাবাহিকভাবে কাজ দেয়নি৷ কাঁচামাল দেয়নি৷ অতীতের বরাত ব্যাকলগ হয়ে রয়েছে৷ শ্রমিক সংখ্যা দিন দিন কমিয়ে দিচেছ কর্তৃপক্ষ৷ উত্পাদন ক্ষমতা কম করে দেওয়া হচ্ছে ইচ্ছে করে৷ যা কারখানা বন্ধ করার চক্রান্ত৷  

পশ্চিমবঙ্গ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে