Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ , ১৪ ফাল্গুন ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১২-১৬-২০১৯

বগুড়ায় আ’লীগ নেতার হাতে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার লাঞ্ছিত

বগুড়ায় আ’লীগ নেতার হাতে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার লাঞ্ছিত

বগুড়া, ১৬ ডিসেম্বর- বগুড়ার নন্দীগ্রামে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শফিউল আলম ছবির হাতে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার হাবিবুর রহমান লাঞ্ছিত হয়েছেন।

সোমবার দুপুরে নন্দীগ্রাম উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নন্দীগ্রাম মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার শারমিন আকতার প্রধান অতিথি ছিলেন।

অনুষ্ঠান শুরুর ১৫ মিনিট আগে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শফিউল আলম ছবি মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে আসেন। তিনি সাবেক কমান্ডার হাবিবুর রহমানের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে তিনি তাকে শার্টের কলার ধরে টানাহেঁচড়া ও লাঞ্ছিত করে চলে যান। এতে উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতা শফিউল আলম ছবি বলেন, সাবেক কমান্ডার হাবিবুর রহমান শিক্ষক জয়নাল আবেদীন (জোনাব আলী), সাবেক পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবদুর রাজ্জাক, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান নুরুজ্জামানসহ অন্তত ২৬ জনকে সৈনিক দেখিয়ে মুক্তিযোদ্ধার তালিকাভুক্ত করেন। এদের ২-৩ হাজার টাকা দিয়ে অবশিষ্ট হাবিবুর রহমান পকেটে তোলেন। আর এ টাকা দিয়ে জমি কেনাসহ বিভিন্ন খাতে ব্যয় করছেন।

তিনি বলেন, নন্দীগ্রাম উপজেলায় তিনিসহ অন্তত ৩৬ জন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাকে তালিকাভুক্ত করতে বিরোধিতা করেছেন। তালিকায় সাবেক কমান্ডারদের নামে নিচে রেখেছেন। এসব কারণে তার কাছে কৈফিয়ত চাওয়া হয়েছিল। এ নিয়ে বাকবিতণ্ডা ও ধাক্কাধাকি হয়েছে। তাকে লাঞ্ছিত করা হয়নি।

নন্দীগ্রাম মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ও মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল এবং কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হাবিবুর রহমান জানান, তিনি যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা। কোনো ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা তৈরি করেননি। আওয়ামী লীগ নেতা ছবি প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা নয়; যুদ্ধের সময় তিনি রাখাল ছিলেন। তাই তাকে তালিকাভুক্ত করা সম্ভব হয়নি।

তিনি আরও বলেন, কী কারণে তাকে লাঞ্ছিত করা হয়েছে তা জানেন না। তবে তার ধারনা, টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের দায়িত্বে থাকায় প্রতিহিংসা হিসেবে এ কাজ করে থাকতে পারেন। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কমান্ডারকে অবহিত করা হলে তিনি ব্যবস্থা নেবার আশ্বাস দিয়েছেন। এছাড়া তাকে লাঞ্ছিত করার ব্যাপারে শিগগিরই মুক্তিযোদ্ধারা কর্মসূচি দিবেন।

নন্দীগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পদাধিকার বলে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার শারমিন আকতার জানান, অনুষ্ঠান শুরুর আগেই দুজনের মধ্যে কিছু হয়। এ ব্যাপারে পরে দেখার আশ্বাস দেয়া হয়েছে।

সূত্র : যুগান্তর
এন কে / ১৬ ডিসেম্বর

বগুড়া

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে