Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২০ , ৬ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১২-১৫-২০১৯

জাতিকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে হবে : রাষ্ট্রপতি

জাতিকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে হবে : রাষ্ট্রপতি

ঢাকা, ১৫ ডিসেম্বর- রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্য ও চেতনা বাস্তবায়নে নিজ নিজ অবস্থান থেকে আরও বেশি অবদান রেখে দেশ ও জাতিকে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে হবে।’

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে রোববার (১৫ ডিসেম্বর) দেয়া এক বাণীতে তিনি এ আহ্বান জানান। আগামীকাল বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে জাতি ৪৯তম বিজয় দিবস উদযাপন করবে বলেও জানান রাষ্ট্রপতি। বিজয়ের এ মাহেন্দ্রক্ষণে তিনি দেশবাসী ও প্রবাসে বসবাসরত সকল বাংলাদেশিকে বিজয় শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতা বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ অর্জন। এ অর্জনের পেছনে রয়েছে, শোষণ-বঞ্চনার পাশাপাশি রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের ইতিহাস।’

রাষ্ট্রপতি বিজয় দিবসে শ্রদ্ধাবনত চিত্তে স্মরণ করেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। এ ছাড়া গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন মুক্তিযুদ্ধে আত্ম-উৎসর্গকারী বীর শহীদদের, যাদের সর্বোচ্চ ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয় স্বাধীনতা। বিজয়ের এ দিনে তিনি শ্রদ্ধা জানান জাতীয় চার নেতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক-সমর্থক, বিদেশি বন্ধু, যুদ্ধাহত ও শহীদ পরিবারের সদস্যসহ সর্বস্তরের জনগণকে, যারা জাতির বিজয় অর্জনে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অবদান রেখেছেন। জাতি তাঁদের অবদান শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে।

আবদুল হামিদ বলেন, ‘রাজনৈতিক স্বাধীনতার পাশাপাশি অর্থনৈতিক মুক্তি ছিল স্বাধীনতার লক্ষ্য। জাতির পিতা সে লক্ষ্যকে সামনে রেখে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের অর্থনীতি ও অবকাঠামো পুনর্গঠনের মাধ্যমে অর্থনৈতিক মুক্তির সংগ্রাম শুরু করেছিলেন। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাসহ তাঁর পরিবারের আপনজনদের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ফলে দেশে গণতন্ত্র ও উন্নয়নের অগ্রযাত্রা থমকে দাঁড়ায়। উত্থান ঘটে স্বৈরশাসন ও অগণতান্ত্রিক সরকারের।’

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারোর সঙ্গে বৈরিতা নয়,’ জাতির পিতা ঘোষিত এ মূলমন্ত্রকে ধারণ করে দেশের পররাষ্ট্রনীতি পরিচালিত হচ্ছে। মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বিতাড়িত ও নির্যাতিত লাখ লাখ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে মানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বাংলাদেশ এ সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানে বিশ্বাসী।’ তিনি এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের জন্য মিয়ানমারসহ জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ‘২০২০ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও ২০২১ সালে মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী সাড়ম্বরে উদযাপিত হবে। জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ এ দুটি অনুষ্ঠানই বাঙালি জাতির ইতিহাসে অনন্য মাইলফলক। দলমত নির্বিশেষে সকলের অংশগ্রহণ অনুষ্ঠান দুটির উদযাপনে নতুন মাত্রা যোগ করবে। লাখো শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার সুফল জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সম্মিলিত প্রচেষ্টার বিকল্প নেই।’

সূত্র: জাগোনিউজ

আর/০৮:১৪/১৫ ডিসেম্বর

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে