Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২০ , ৮ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১২-১৫-২০১৯

গয়েশ্বর-নিতাইকে নিয়ে ফখরুলের রসিকতা

গয়েশ্বর-নিতাইকে নিয়ে ফখরুলের রসিকতা

ঢাকা, ১৫ ডিসেম্বর- ভারতের জাতীয় নাগরিক নিবন্ধন (এনআরসি) প্রসঙ্গে বক্তব্য দিতে গিয়ে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এবং ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরীকে নিয়ে রসিকতা করলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ভারতের এনআরসির প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘৪৮ সালে যখন দেশ ভাগ হয় তখন যে বিষয়গুলো ছিল, সে বিষয়গুলো আজকে ৭০ বছর পরে আবার সামনে নিয়ে আসা হলো। বলা হচ্ছে, অমুসলিমরা যেতে পারবে, আর মুসলিমদেরকে কোনো নাগরিকত্ব দেয়া হবে না। বিভাজন-বৈষম্য দেখেন। আপনি ভিসা নিয়ে যাবেন ভারতে, ভিসা শেষ হয়ে যাওয়ার পরে একদিন দেরি হলে আপনাকে দিতে হবে একুশ হাজার টাকা ফাইন (জরিমানা)।

আর আমাদের দাদা নিতাই দাদা বা গয়েশ্বর দাদা-উনারা যদি যান, যদি একদিন দেরি করেন তাহলে একশ টাকা। সম্পূর্ণ সাম্প্রদায়িকতার বিষয়, যেটা আমরা চিন্তাও করতে পারি না যে, ভারতের মতো দেশে এ ধরনের রাজনীতি শুরু হবে এবং সাম্প্রদায়িক আইন তৈরি হবে। যা সম্পূর্ণভাবে বিভাজন তৈরি করছে।’

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে রোববার (১৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় এ রসিকতা করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ এটা চিন্তাই করতে পারে না। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির একটা পীঠস্থান বলা যেতে পারে। সবচেয়ে সুন্দর দেশ হচ্ছে বাংলাদেশ। যেটা আমরা বারবার বলি। আর তারা (ভারতের মন্ত্রী) পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে বলছেন যে, বাংলাদেশে মাইনোরিটিদেরকে (সংখ্যালঘু) নির্যাতন করা হয়, তার জন্য নাকি এ এনআরসি আইন তৈরি করেছেন। এ কথা বললে বলা হবে যে, আমরা ভারত বিরোধী। না কখনো না। আমরা ভারত বিরোধী নই।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘ভারত ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে আমাদেরকে সহযোগিতা করেছে, আমাদের বন্ধুত্ব ছিল, বন্ধুত্ব আছে। আমরা সবাই সেটা সম্মান করি। কিন্তু আমাদের দেশ ছোট হতে পারে, কিন্তু একটা স্বাধীন দেশ তো, একটা সার্বভৌম দেশ তো, আমরা তো মুক্তিযুদ্ধ করে স্বাধীনতা এনেছি। সেখানে আজকে এভাবে আমার স্বার্থকে বিপন্ন করা হয়। আমাদের যে সরকার দায়িত্বে আছে, তারা যদি কোনো কিছু না দেখে, কোনো কিছু না বলে, তাহলে কি বলাটাও আমার অপরাধ?’

তিনি বলেন, ‘আজকে আমাদের সরকার আমাদের দেশের স্বার্থ রক্ষার জন্য কোথাও দাঁড়িয়ে কথা বলছে না। শুধু একটা ঢোল বাজায়- উন্নয়ন হচ্ছে, উন্নয়ন হচ্ছে। এমন উন্নয়ন যে, পেঁয়াজের দাম ৩০০ টাকা, কৃষক ধানের দাম পায় না, ব্যাংকগুলো খালি হয়ে যাওয়ার অবস্থায় এসে গেছে, বিদেশিরা বিদেশ থেকে ফেরত আসছে, চাকরি নেই, শেষ হয়ে যাচ্ছে। আমার মা-বোনেরা নির্যাতিত হয়ে লাশ হয়ে ফেরত আসছেন- অথচ সরকারের মুখ বন্ধ, কোনো কথা নেই। কারণ তাদের ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য ওই সমস্ত দেশের অনাচার-অত্যাচার, তারা স্বীকার করে নিচ্ছে। তারা একটা নতজানু সরকার।’

মির্জা ফখরুলের সভাপতিত্বে ও সহ-প্রচার সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলিমের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, সেলিমা রহমান, কেন্দ্রীয় নেতা আবদুস সালাম, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, শিরিন ‍সুলতানা, আবদুস সালাম আজাদ, শহীদুল ইসলাম বাবুল।

সূত্র: জাগোনিউজ

আর/০৮:১৪/১৫ ডিসেম্বর

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে