Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২০ , ৪ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১২-১০-২০১৯

ফতুল্লায় ভাইকে মারধর করে বোনকে গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৬

ফতুল্লায় ভাইকে মারধর করে বোনকে গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৬

নারায়ণগঞ্জ, ১০ ডিসেম্বর- নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ভাইয়ের সঙ্গে থাকা এক তরুণীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার রাতে ফতুল্লার রেললাইন বটতলা এলাকার একটি পরিত্যক্ত গরুর খামারে এই ঘটনা ঘটে।

ঘটনার রাতেই অভিযান চালিয়ে ধর্ষণে জড়িত ৭ জনের মধ্যে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তাররা হলেন- রাসেল, সুজন মিয়া, শাহাদাত হোসেন, সুমন, রবিন ও আল আমিন।

ওই তরুণীর চাচাত ভাই বলেন, তারা নারায়ণগঞ্জ নগরের গোগনগর ফকির বাড়ি এলাকায় ভাড়া থাকেন। একটি কয়েল কারখানায় তারা চাকরি করতেন। ব্যবসা মন্দা হওয়ায় কয়েকদিন আগে কারখানাটি বন্ধ হয়ে যায়। ফলে তারা বেকার হয়ে পড়েন। তাই ভাই-বোন মিলে গার্মেন্টে চাকরির খোঁজে সোমবার সন্ধ্যায় ফতুল্লার শেহারচর ফোরকান মসজিদের সামনে আসেন। ওই সময় ৪ যুবক তাদের পথরোধ করেন। এক পর্যায়ে ওই যুবকরা তাকে ও তার বোনকে দুইদিকে নিয়ে যান। দুইজনকে আলাদা করার পর ওই যুবকদের সঙ্গে যোগ দেন আরও তিন যুবক। তাকে যুবকরা মারধর করে সঙ্গে থাকা ৩ হাজার ৪শ’ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে ছেড়ে দেয়। তাকে যখন মারধর করা হচ্ছিল তখন যুবকদের একটি পক্ষ তার বোনকে অন্য কোথাও নিয়ে যায়। তাকে ছেড়ে দেওয়ার পর তিনি তার বোনকে খুঁজতে থাকেন। রাত ৯টা পর্যন্ত বোনকে তিনি ওই এলাকার বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। এক পর্যায়ে তার বোন রামারবাগ এলাকার একটি ফোন ফ্যাক্সের দোকান থেকে তাকে ফোন দিলে তিনি সেখানে ছুটে যান। ছুটে গিয়ে তিনি ধর্ষণের বিষয়টি জানতে পারেন। কিন্তু বোনের কাছে গিয়ে দেখেন যারা তাকে মারধর করেছিলেন এবং তার বোনকে অপহরণ করে নিয়ে গিয়েছিলেন তারা ঘটনাস্থলেই ঘোরাফেরা করছে। এ কারণে তারা ভয়ে ওই এলাকার হানিফ ড্রাইভারের বাড়িতে আশ্রয় নেন। 

তিনি জানান, পরে খবর পেয়ে পুলিশ হানিফ ড্রাইভারের বাড়ি থেকে তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। থানায় নিয়ে যাবার পর ধর্ষকদের সহযোগীরা হানিফের বাড়িতে চড়াও হয়। পুলিশে খবর দেবার অভিযোগে এনে হানিফের ছেলে মাসুমকে অপহরণের চেষ্টা চালায়। ওই সময় তারা মাসুমকে মারধরও করে। খবর পেয়ে পুলিশ ধর্ষক ও হানিফ ড্রাইভারের বাড়িতে হামলাকারীদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে। শুরু হয় সাঁড়াশি অভিযান।

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি আসলাম হোসেন বলেন, ধর্ষণের শিকার তরুণী বাদি হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শারীরিক পরীক্ষার জন্য ওই তরুণীকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

সূত্র : সমকাল
এন কে / ১০ ডিসেম্বর

নারায়নগঞ্জ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে