Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বুধবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২০ , ৮ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১২-০৮-২০১৯

মহাস্থানগড়ে ব্যক্তি মালিকানার জমিতে বাড়িঘর নির্মাণে বাধার অভিযোগ

মহাস্থানগড়ে ব্যক্তি মালিকানার জমিতে বাড়িঘর নির্মাণে বাধার অভিযোগ

বগুড়া, ০৯ ডিসেম্বর- বগুড়ার মহাস্থানগড় এলাকায় ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে বসতবাড়ি এবং পানিসেচের ড্রেন নির্মাণে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ বাধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। রোববার দুপুরে মহাস্থানগড়ের মাস্টারপাড়া এলাকায় গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করা হয়।

এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মহাস্থানগড় প্রতিবন্ধী স্কুলের সভাপতি শাহিনুর রহমান। সংবাদ সম্মেলনে ওই গ্রামের কয়েকশ' নারী-পুরুষ উপস্থিত ছিল। এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন রায়নগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম শফি।

সম্মেলনে বলা হয়, বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার রায়নগর ইউনিয়নের মহাস্থানগড় গ্রামে প্রায় ১০ হাজার মানুষের বসবাস। ওই গ্রামের ৭৫০ দশমিক ৯৩ একর জমির মধ্যে ৫৮৬ দশমিক ১১ একর ব্যক্তিমালিকানাধীন। বাকি ১৬৪ দশমিক ৮২ একর জমির মধ্যে মহাস্থান মাজার মসজিদের মালিকানায় রয়েছে ১০২ দশমিক ৭৩ এবং অবশিষ্ট ৬২ দশমিক শূন্য ৯ একর প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের।

লিখিত বক্তব্যে শাহিনুর রহমান বলেন, ব্রিটিশ শাসনামলে প্রণীত ক্যাডাস্টাল সার্ভে (সিএস), পাকিস্তান শাসনামলের মডিফায়েড রেকর্ড (এমআরআর) ও বাংলাদেশে প্রস্তুত করা রিভিশনাল সার্ভের (আরএস) ভিত্তিতে তারা মহাস্থানগড় মৌজায় বংশানুক্রমে বসতবাড়ি নির্মাণসহ চাষাবাদ করে আসছেন। তা ছাড়া স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসাসহ বহু প্রতিষ্ঠানও গড়ে উঠেছে। তবে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের আওতাধীন জাদুঘর কর্তৃপক্ষ কয়েক বছর ধরে এই গ্রামের বাসিন্দাদের বসতবাড়ি ও পানিসেচের ড্রেন নির্মাণে বাধা দিচ্ছে। এমনকি মৃত্যুবরণকারী লোকদের দাফনের জন্য জমিতে কবর খুঁড়তেও বাধা দিচ্ছে।

যোগাযোগ করা হলে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের বগুড়া আঞ্চলিক কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মুজিবুর রহমান জানান, মহাস্থানগড় এলাকাটি প্রায় আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন একটি দুর্গনগরী। উত্তর-দক্ষিণে এক হাজার ৫২৫ মিটার এবং পূর্ব-পশ্চিমে এক হাজার ৩৭০ মিটার দীর্ঘ নগরীর পুরোটাই প্রাচীর ঘেরা, যা সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে চিহ্নিত। প্রত্ন আইন অনুযায়ী ব্যক্তিমালিকানা জমি হলেও তার ভেতরে কোনো খননকাজ করা যাবে না। তিনি বলেন, গ্রামবাসীর সঙ্গে আমাদের কোনো বিরোধ নেই। আমরা শুধু প্রত্ন আইনকে অনুসরণ করার চেষ্টা করি।

সূত্র : সমকাল
এন কে / ০৯ ডিসেম্বর

বগুড়া

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে