Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, রবিবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২০ , ১৩ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১২-০৮-২০১৯

সমাজ ও দেশ গঠনমূলক চলচ্চিত্র নির্মাণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সমাজ ও দেশ গঠনমূলক চলচ্চিত্র নির্মাণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ঢাকা, ০৮ ডিসেম্বর - চলচ্চিত্রকে সবচেয়ে শক্তিশালী গণমাধ্যম উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, চলচ্চিত্রের মাধ্যমে সবচেয়ে দ্রুত মানুষের মাঝে মেসেজ পৌঁছানো যায়। সেজন্য জীবনধর্মী, সুন্দর সমাজ ও দেশ গঠনমূলক চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে হবে। এমনভাবে চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে হবে যেন নতুন প্রজন্ম সন্ত্রাস, মাদক ও জঙ্গিবাদের প্রতি ঘৃণা প্রদর্শন করে।

রোববার (৮ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। চলচ্চিত্র শিল্পে গৌরবোজ্জ্বল অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৭ ও ২০১৮’ প্রদান করা হয়। অনাড়ম্বর এ অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার বাংলাদেশি চলচ্চিত্রশিল্পীদের জন্য সর্বোচ্চ স্বীকৃতি। এবার যথাক্রমে ২৭ ও ২৮ ক্যাটাগরিতে ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৭ ও ২০১৮’ দেওয়া হয়।

২০১৭ সালে আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান ও অভিনেত্রী সালমা বেগম সুজাতা। ২০১৮ সালে আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন চিত্রনায়ক ও প্রযোজক এম এ আলমগীর এবং অভিনেতা প্রবীর মিত্র।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চেয়েছিলেন রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক মুক্তির মাধ্যমে শক্তিশালী সুন্দর একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলবেন। ১৯৫৬ সালে বঙ্গবন্ধু যখন মন্ত্রী ছিলেন তখন পাকিস্তানের চলচ্চিত্রের কথা উল্লেখ করে বলেছিলেন, পাকিস্তান যদি ভালো এবং শক্তিশালী চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে পারে তাহলে বাংলাদেশ কেন পারবে না? এজন্য বঙ্গবন্ধু এফডিসি প্রতিষ্ঠা করেন। সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে আরও শক্তিশালী করার জন্য তিনি বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

সরকারপ্রধান বলেন, আমরা রাজনৈতিকভাবে দেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে গেছি। বাংলাদেশ এখন সম্মানের জায়গায় পৌঁছেছে। বিশ্বের যে কোনো মানুষ এখন বাংলাদেশকে চেনে। আমরা বাংলাদেশকে সম্মানজনক জায়গায় নিতে পেরেছি।

তিনি বলেন, চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে একটি সমাজের ভালো দিক জানা যায় বোঝা যায়। যেমন চলচ্চিত্রের মাধ্যমে সুন্দর সমাজের চিত্র ফুটে ওঠে, আবার অপসংস্কৃতির মাধ্যমে ফুটে ওঠে কুৎসিত জিনিস। আমাদের দেশে যেন অপসংস্কৃতির চর্চা না হয়, সেজন্য চলচ্চিত্রকারদের ভূমিকা রাখতে হবে।

চলচ্চিত্রকে সমাজের আয়না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই চলচ্চিত্র যেন সবাই মিলে দেখতে পারে এবং চলচ্চিত্র থেকে যেন অনেক কিছু জানতে পারে শিখতে পারে, এ ধরনের চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে হবে ।

শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৭৫ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করার পর চলচ্চিত্র ও সংস্কৃতির ওপর একটি বিশাল আঘাত আসে। পরিবারের সকলকে নিয়ে চলচ্চিত্র দেখার মত পরিবেশ তখন ছিল না। কিন্তু এখন সে পরিস্থিতি আমরা অনেকটা পেরিয়ে সুষ্ঠু এবং সুন্দর ছবি নির্মাণের চেষ্টা দেখতে পাচ্ছি। আমরা ক্ষমতায় আসার পরেই চলচ্চিত্রশিল্পকে অপসংস্কৃতি থেকে বের করে নিয়ে আসার় চেষ্টা করেছি ।

সরকারপ্রধান বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু চলচ্চিত্রকে আরও বলিষ্ঠ করতে বঙ্গবন্ধু ফিল্ম সিটির জন্য জায়গা দিয়ে গেছেন। জায়গাটা অনেকটা পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল। আমরা প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ করেছি। কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে বিএফডিসি ভবন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে । এছাড়া পুরাতন ছবিগুলো যেন থাকে সেজন্য আর্কাইভ ভবনও আমরা নির্মাণ করে দিয়েছি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান ও তথ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হাসানুল হক ইনু। স্বাগত বক্তব্য রাখেন তথ্য সচিব আব্দুল মালেক।

সূত্র : জাগো নিউজ
এন এইচ, ০৮ ডিসেম্বর

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে