Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, রবিবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২০ , ৬ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১২-০৫-২০১৯

আন্দোলনে উসকানি দিলে আবার অস্থির হবে জাবি

আন্দোলনে উসকানি দিলে আবার অস্থির হবে জাবি

ঢাকা, ০৫ ডিসেম্বর - জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’র ব্যানারে আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুর ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুরাদ চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক ও প্রশাসনিক ভবন প্রদক্ষিণ করে বটতলায় গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।

সমাবেশে গত ৫ নভেম্বর আন্দোলনকারীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার নিন্দা ও এ ঘটনায় জড়িতদের শাস্তির দাবি জানানো হয়।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের অধ্যাপক আনোয়ারুল্লাহ ভূঁইয়া বলেন, গত ৫ নভেম্বর উপাচার্যের মদদে ছাত্রলীগ আমাদের যৌক্তিক আন্দোলনে নির্মম হামলা চালিয়েছিল। এই উপাচার্যের দুর্নীতির খতিয়ান দীর্ঘ হচ্ছে। বর্তমান সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে যে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি আমরা তা জাবির ক্ষেত্রেও দেখতে চাই। আমরা আন্দোলনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়কে কালিমামুক্ত করতে চাই।

জাবি সাংস্কৃতিক জোটের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মুশফিক উস সালেহীন বলেন, বর্তমান প্রশাসন হল খুলে দিয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের একটি বিজয়। ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের লেলিয়ে দিয়ে উপাচার্য আমাদের ওপর ঠিক একমাস আগে হামলা চালিয়েছিল। আমাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে উসকানি দিলে জাহাঙ্গীরনগর আবার অস্থির হবে।

জাবি ছাত্রফ্রন্টের (মার্ক্সবাদী) সাধারণ সম্পাদক সুদীপ্ত দে’র সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ জাবি শাখার আহ্বায়ক শাকিল উজ জামান।

সমাবেশ শেষে আগামী ১০ ডিসেম্বর উপাচার্যের দুর্নীতির খতিয়ান প্রকাশ করা হবে বলে ঘোষণা দেন আন্দোলনের সমন্বয়ক অধ্যাপক রাইহান রাইন।

এদিকে গতকাল বুধবারের সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল আবাসিক হল খুলে দেয়া হয়েছে। এরই মধ্যে হলে ফিরতে শুরু করেছেন শিক্ষার্থীরা। রোববার থেকে শুরু হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম।

গত ৫ নভেম্বর দুপুরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের অপসারণ দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালায়। হামলায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংবাদিকসহ অন্তত ২৫ জন আহত হন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ওইদিনই অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি আবাসিক হল সমূহও বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

সূত্র : জাগো নিউজ
এন এইচ, ০৫ ডিসেম্বর

শিক্ষা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে