Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, রবিবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২০ , ১৩ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১২-০১-২০১৯

লন্ডন ব্রিজ হামলায় বদলাতে পারে হিসাব-নিকাশ

লন্ডন ব্রিজ হামলায় বদলাতে পারে হিসাব-নিকাশ

লন্ডন, ০১ ডিসেম্বর - লন্ডন ব্রিজের সন্ত্রাসী হামলার পর ব্রিটেনের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রাধান্য পাচ্ছে নিরাপত্তা ও ইমিগ্রেশন ইস্যু। গত সপ্তাহে বিভিন্ন জরিপে লেবার পার্টি এগিয়ে থাকলেও শনিবারের সন্ত্রাসী হামলার প্রভাব নির্বাচনে পড়তে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, ভোটাররা ভোট দেওয়ার সময় নানা হিসাব-নিকাশ করেন। চিন্তা করেন কোন দল দেশের নিরাপত্তা দিতে পারবে। লন্ডন ব্রিজের হামলায় শুরু হয়েছে নতুন করে হিসাব-নিকাশ।

প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ও বিরোধী নেতা জেরেমি করবিন বলেছেন, নির্বাচন যথাসময়েই হবে। নির্বাচনের কোনো বিকল্পও নেই। পাশাপাশি নির্বাচনী প্রচারও চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেন। শুক্রবার বন্ধ থাকলেও শনিবার আবার প্রচারকাজ শুরু করেছে কনজারভেটিভ পার্টি, বামপন্থি ও জেরেমি করবিনের লেবার পার্টি, লিবারেল ডেমোক্র্যাট এবং স্কটিশ জাতীয়তাবাদী এসএনপি।

এদিক শনিবার নির্বাচনী বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে স্থান করে নেয় সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলার বিষয়টি। বিরোধী নেতা জেরেমি গতকাল এক নির্বাচনী প্রচারে বলেন, পুলিশের সংখ্যা কমানোর কারণে আজকে নানা সমস্যা হচ্ছে। সন্ত্রাসসহ সব ধরনের অপরাধ দমন করে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। কিন্তু বাজেট কাট করে সেই নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্বে থাকা পুলিশ বাহিনীকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে রাষ্ট্র নিজেই।

২০১০ সালে কনজারভেটিভ পার্টি (টরি পার্টির উত্তরসূরি) ক্ষমতায় আসার পর প্রায় ২০ হাজার পুলিশ ও ৬ হাজার কমিউনিটি সাপোর্ট অফিসার কাট হয়েছে। ৫ শতাংশ বাজেট ছেঁটে দেওয়া হয় দেশের সর্বোচ্চ গোয়েন্দা সংস্থা এমআই ফাইভের। এ কারণে বলা হচ্ছেÑ বেশ ঝুঁকি বা চ্যালেঞ্জের মুখে আছে পুলিশ। তবে করবিনের অভিযোগকে বরিস ভিত্তিহীন বললেন।

অন্যদিকে অনেকে মনে করেন, পুলিশসহ বিভিন্ন বাজেট কাটই কাল হয়ে দাঁড়াতে পারে কনজারভেটিভের জন্য ১২ ডিসেম্বরের নির্বাচন।

সব হামলার পর স্বাভাবিকভাবেই বর্ণবাদী একটি গোষ্ঠী মুসলিম কমিউনিটির দিকে আঙুল তোলে। ইসলাম ও মুসলিম কমিউনিটি সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বর্ণবাদী মন্তব্যের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। ২০১৮ সালে বোরকা নিয়ে করা ওই মন্তব্যের জন্য তাকে দুঃখ প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছিলেন সংবাদ উপস্থাপক নিক ফেরারি।

শুক্রবার নিকের ওই আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছেন বরিস জনসন। জানিয়েছেন, ওই মন্তব্যের জন্য তিনি কোনো ক্ষমা চাইবেন না। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা। যদিও ইসলামে এসব জঙ্গিবার জায়গা নেই বলে বারবার বলে আসছেন মুসলিম কমিউনিটির মানুষ। তার পরও বিভিন্নভাবে সাধারণ মুসলিমরা হেনস্তা, হয়রানি ও হামলার শিকার হয়েছেন বিগত দিনে। তাই অভিবাসীদের ভোটগুলোও লেবার দলে যেতে পারে বলে মনে করেন অনেকেই।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে তিনটি সন্ত্রাসী হামলায় ৩৪ জন নিহত হয়েছেন। তিনটি হামলায় পাঁচ হামলাকারীও নিহত হন। ১৯৭৪ সালের আইআরএর হামলার পর এ তিনটি হামলা বেশ বড় মনে করা হয়। এর মধে ২০০৫ সালের সেভেন সেভেন হামলাও রয়েছে।

সূত্র : আমাদের সময়
এন এইচ, ০১ ডিসেম্বর

ইউরোপ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে