Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২০ , ৭ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১১-২৯-২০১৯

জয়পুরহাট আওয়ামী লীগের নিয়ন্ত্রণ জামায়াতের হাতে

শাহেদ চৌধুরী


জয়পুরহাট আওয়ামী লীগের নিয়ন্ত্রণ জামায়াতের হাতে

জয়পুরহাট, ৩০ নভেম্বর- জামায়াতের অনেক নেতাকর্মী জয়পুরহাট আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন। তারা এখন মামলা থেকে রেহাই পাওয়ার চেষ্টা করছেন। বিস্ময়কর হলো, জামায়াত নেতাকর্মীদের অনেকেই আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতা হয়েছেন। কেউ কেউ হয়েছেন জনপ্রতিনিধি।

আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাকর্মীদের অনেকেই বলছেন, জয়পুরহাট আওয়ামী লীগের নিয়ন্ত্রণ এখন জামায়াতের হাতে। ক্ষেতলাল উপজেলা জামায়াতের আমির মমিনুল ইসলামকে উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক করা হয়েছে। এই উপজেলা জামায়াতের আরেক আমির আমিরুল ইসলাম উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা হয়েছেন। ক্ষেতলাল পৌর জামায়াতের আমির এরশাদুল আলমকে পৌর আওয়ামী লীগের সদস্য করা হয়েছে।

গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুযায়ী আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়া নেতাকর্মীদের তালিকায় এমন চিত্র পাওয়া গেছে। জয়পুরহাটে মামলা হওয়ার পর জামায়াত সমর্থক গোবিন্দপুরের মনোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ জালাল, কাঁশড়ার ইব্রাহীম সরকার, একাব্বর আলী, কাঁশড়া পূর্বপাড়ার মোহাম্মদ আলাল, ফারুক সরকার ও মোহাম্মদ ওবাইদুল আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন। পাঁচবিবি উপজেলার জামায়াত সমর্থক মোহাম্মদ মইনুলের ছেলে ছাত্রদলের মোহাম্মদ নাইম আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন। তার মতো আওয়ামী লীগে এসেছেন এই উপজেলার জামায়াত সমর্থক আবদুর রহিমের ছেলে ছাত্রদলের মোহাম্মদ হাবীব ও জামায়াতের আরেক সমর্থক মোহাম্মদ হাবিবরের ছেলে ছাত্রদলের মোহাম্মদ মুসা।

পাঁচবিবি উপজেলা জামায়াতের নেতাকর্মীদের অনেকেই এখন আওয়ামী লীগের সক্রিয় কর্মী। তাদের মধ্যে রয়েছেন বড়পুকুরিয়ার মোহাম্মদ আমু, মোহাম্মদ সাগর, আবদুস সোবহান, ছাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ বাবলু, মহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ হারুন, আবদুল হান্নান, মোহাম্মদ মান্নান, আবদুর রহমান, আহসান হাবিব, শফিকুল ইসলাম, আবদুল ওয়াহাব, কাঁশড়ার মোহাম্মদ আবুশাম, কামরুল ফকির, মোহাম্মদ শহিদুল, শহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ মজনু, আবদুল কাদের ফকির, মোহাম্মদ তছলিম, আমেদ আলী সরকার ও শাহাবুল মল্লিক।

শালাইপুরের ৪৩ জামায়াত কর্মী আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন। তারা হচ্ছেন- মোহাম্মদ আইজুল, জেল হক, মোহাম্মদ উরাহিম, আবদুর রহমান, মোহাম্মদ উলামিন, নুর ইসলাম, মোহাম্মদ মাবুদ, রাশিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ সোহেল, নুর আমিন, মোহাম্মদ আলী, শহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ শাহাবুর, মুনসুর রহমান, মোহাম্মদ রিপন, আবদুল মুমিন, মোহাম্মদ রিমন, শফিকুল ইসলাম, মোহাম্মদ মামুন, রবিউল ইসলাম, মোহাম্মদ সাইদুল, নাছির উদ্দীন, মোহাম্মদ বকুল, মতিয়ার রহমান, মোহাম্মদ লজিব, মোফাজ্জল হোসেন, মোহাম্মদ সবুজ, আবদুল মালেক, মোহাম্মদ সুলতান, আলী আযম, মোহাম্মদ মুর্শিদুল, দেলোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ তারেক, শাহাজাহান আলী, মোহাম্মদ একরামুল, ফারুক হোসেন, মোহাম্মদ হাসিবুর, আবদুস ছবুর, মোহাম্মদ ইছাব্বর, মনোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ শাফি, আফজাল হোসেন ও গোলজার রহমান।

আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়া কাঁশড়া পূর্বপাড়ার ৩৭ জামায়াত কর্মী হচ্ছেন- হায়দার আলী, আজিজুল হক, জাহারুল ইসলাম, আইজার মল্লিক, হযরত আলী ফকির, নুর আলম, আহসান হাবিব, মোখলেছুর রহমান, ইয়াছিন শাহ, জাফরুল মল্লিক, মোহাম্মদ জহুরুল, হাফিজুর ইসলাম, মোহাম্মদ সুলতান, ছাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ মজনু, জহুরুল ইসলাম, মোহাম্মদ মুসলিম, ছাইদুল ইসলাম, মোহাম্মদ ছাত্তার, মুসলিম বাবু, মোহাম্মদ সাহাদাৎ, আবদুল বারিক, মোহাম্মদ মোস্তফা, খাইরুল ইসলাম, মোহাম্মদ জাকারিয়া, ইসমাইল, মোহাম্মদ জোবা, মোহাম্মদ হাবিল, মোহাম্মদ কাবিল, মোহাম্মদ রেজাউল, মোহাম্মদ মাসুম, নুর আলম, আনিছুর রহমান, মোহাম্মদ শফিকুল, মোহাম্মদ তারেক, মোহাম্মদ আনোয়ার ও মোহাম্মদ আব্বাছ।

নারায়ণপুরের মোহাম্মদ আজিদ, নুরু নবী, মোহাম্মদ মতিবুল, মিজানুর রহমান, মোহাম্মদ হারুন, বেলাল উদ্দিন, মোহাম্মদ মামুন, আবদুল কাদের, মোহাম্মদ কাওছার, আবদুস সালাম, মোহাম্মদ জনাব্বর, রবিউল ইসলাম, মোহাম্মদ আইজুল, তৈয়মদ্দিন, মোহাম্মদ হাবিব, কামরুজ্জামান, সাদ্দাম হোসেন, আবদুল হামিদ, আবদুল করিম, মহিনুর রহমান, আবদুল কাদের, মোহাম্মদ সুলতান, মনতাজ উদ্দিন, কছিমদ্দিন, আবদুল বারিক, বাঁশখুরের মোহাম্মদ রব্বানী, আজিজার রহমান, মোহাম্মদ লেবু, সিরাজুল ইসলাম, মোহাম্মদ মেহেদী, আবদুর রহিম, মোহাম্মদ রেজওয়ান, আবদুল মতিন, মোহাম্মদ আলম, রবিউল ইসলাম, মোহাম্মদ আশরাফ, আবদুল হালিম, মোহাম্মদ জোব্বার, মনোয়ার রহমান, মোহাম্মদ সাইফুল ও মোহাম্মদ কিবরিয়া আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন।

কুয়াতপুরের ২৪ জামায়াত কর্মী আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন। তারা হচ্ছেন- মোহাম্মদ মেহেদী, মোস্তাফিজুর রহমান, মোহাম্মদ মামুন, হাবিবুর রহমান, বকুল হোসেন, সালেক হোসেন, মোহাম্মদ মাছুম, শাহারুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, আবদুল হান্নান, আবুল বাশার, ইনামুল হক, মোহাম্মদ এমদাদ, তালেব মুন্সি, মোহাম্মদ সালাম, বেলাল হোসেন, আবদুস ছালাম, মুসা কারীমুল্লাহ, আবুল হোসেন, মোফাজ্জল হোসেন, আবদুল মালেক, ছাইদুল ইসলাম, বেলাল হোসেন ও আলম হোসেন। রুনিহালীর মোহাম্মদ মুরাদ, আনিছুর রহমান, আবদুল্লাহ, ছাইফুল ইসলাম, আবদুল আলিম, জাহানুর ইসলাম, মেহেদুল ইসলাম, বেলাল উদ্দিন, সেলিম উদ্দিন, মোহাম্মদ শামিম, আবদুল মুমিন, মোহাম্মদ মাসুদ, আল আমিন, ফেরদাউস হোসেন, রুহুল আমিন, নাছির উদ্দিন, ইয়াছিন আলী, খাইরুর ইসলামও আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন।

এ ছাড়া জামায়াত থেকে আওয়ামী লীগে যোগদানের তালিকায় রয়েছেন বড়পুকুরিয়ার জিয়াউল হক, নছির উদ্দিন, আবদুল হান্নান, কুড়ান মণ্ডল, সিরাজুল ইসলাম, ইদ্রিস আলী, ফরহাদ হোসেন, আয়েন উদ্দীন, মতিয়ার রহমান, মোহাম্মদ তারেক, সুজাউল ইসলাম, আবু ইউসুফ, মোহাম্মদ বাবলু, জমিল হোসেন, আব্বাছ আলী, বাবলু হোসেন, দিলবর রহমান, রসুল উদ্দীন, আবু রায়হান, বদিউজ্জামান, আবু ইউসুফ আলী, আবদুল আলিম, মনসুর রহমান, শহিদুল ইসলাম, গোবিন্দপুরের মোহাম্মদ কাউসার, শাহজাহান আলী, মোহাম্মদ আযাদ, হোসেন আলী, মোহাম্মদ মর্তুজা, আবদুল লতিফ, মোহাম্মদ আনিছ, আয়নুল হক, মোহাম্মদ জহির, হরেন্দার হেলাল উদ্দিন, সাইদুল ইসলাম, মতিয়ার রহমান, আবদুল জলিল, আমিরুল ইসলাম, লাটপাড়ার মোহাম্মদ মুন্টু, আবদুল আলিম, ইদ্রিস আলী, ক্ষেতলাল উপজেলার পাটবাড়ীর আনোয়ারুল ইসলাম ও মনঝার বাজারের এবাদুর রহমান।

এই জেলার অনেকেই আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে জনপ্রতিনিধি হয়েছেন। সদর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আবদুল কুদ্দুস সরকার হয়েছেন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার। তার বিরুদ্ধে জয়পুরহাট থানায় মামলা রয়েছে। ধানমন্ডির নুরে আলম সিদ্দিক ঘটু আলম ৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। এ ছাড়া ক্ষেতলালের আক্কেলপুর হাজীপাড়ার বিএনপি নেতা আবদুর রহিম বাঁধন আক্কেলপুর পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, চক্ররপাড়া বিএনপি নেতা আবুল কালাম আজাদ আক্কেলপুর পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, মহিতুর বিএনপির নেতা তৌফিকুল ইসলাম গোপীনাথপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য এবং আবাদপুর বিএনপি নেতা তোজাম্মেল মণ্ডল গোপীনাথপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

অন্যদিকে, মামলার পর আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন সদর উপজেলা বিএনপির স্থানীয় নেতা জুমিনীপাড়ার রিপন আলী, হারাইলের মোহাম্মদ জাফর, শেখপাড়ার হুমায়ুন বাবু, লাড্ডু শেখ, পাঁচবিবি উপজেলা ছাত্রদলের স্থানীয় নেতা বালিখাটা বটতলীর হেলাল হোসেন, শফিকুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন, দমাদমার নুর ইসলাম, গোড়নার তারা মিয়া, মোহাম্মদ ছাইদুল, শিরট্টির সায়েদ হোসেন, মোহাম্মদ মোস্তফা, ভারাহুতের আবদুল আজীজ, মোহাম্মদ মফিদুল, সুজাউল ইসলাম, মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর, আবু কালাম, জোবারুল জোবাউল, খাড়িয়াপাড়ার লুৎফর রহমান, আবদুল আলীম, হরিপুরের জহুরুল ইসলাম, কুয়াতপুরের রোস্তম আলী, জহির উদ্দিন, শাহিনুর রহমান, মোহাম্মদ কিবরিয়া, আবদুস সবুর, মোহাম্মদ জাকারিয়া, দেলোয়ার হোসেন, আবদুল হালিম, বাবলু মিয়া, নুর ইসলাম, আবদুল করিম, ছাইফুর ইসলাম ও কাঁশড়া পূর্বপাড়ার ফিরোজ তালুকদার।

জামায়াতের মতো বিএনপির অনেকেই আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন সদর উপজেলার জামালপুরের ডা. মোহাম্মদ মতিন, দাদরা সরকারপাড়ার মোহাম্মদ মোস্তফা, মোহাম্মদ আকতার, মোহাম্মদ আবেদীন, দাদরা পাইকরতলীর মোহাম্মদ বেলজার, দাদরা জন্তিগ্রাম ক্লাব ঘরের আহমেদুল সরকার, চকগোপালের মোহাম্মদ মানিক, দেওয়ানপাড়ার বেদারুল ইসলাম বেদিন, বেল আমলার ইয়াকুব আলী, শাপলানগর প্রামাণিকপাড়ার মামুনুর রশিদ মামুন গিরা মামুন, হারাইলের মোহাম্মদ রানা, মোসলেম নগরের মোহাম্মদ হোসেন, স্বর্ণপট্টি কুণ্ডুপাড়ার আশরাফুজ্জামান এমএ প্রিন্স, গৌরীপাড়ার মোহাম্মদ আসলাম, নুরুজ্জামান, দেওয়ানপাড়ার মোহাম্মদ আবু, টনি মণ্ডল, হরিহরপুরের মোহাম্মদ সফিকুল, মোহাম্মদ সফি, আকাশ চন্দ্র, মোহাম্মদ ওছি, মোহাম্মদ সাঞ্জু, মোহাম্মদ মঞ্জু, পূর্ব বালিখাটার মোহাম্মদ জাকির, মোহাম্মদ রকি, মোহাম্মদ জুয়েল, আরবী পাটাবুকার চঞ্চল শিং, পলাশ শিং, বালিখাটা বটতলীর মোহাম্মদ ইসমাইল, নুর আলম, ইনতাজ মণ্ডল, রোস্তম আলী, খাসবাঘড়ীর মোহাম্মদ ওয়াশিম, বালিখাটা পোস্ট অফিসপাড়ার এসএম খায়রুজ্জামান রিপন, মহাজের কলোনির আক্তার হোসেন, মতিয়ার হোসেন ভুটু, মাতাইশ মঞ্জিলের রিফাত চৌধুরী, দমাদমার মোহাম্মদ ইয়ামিন, সাজু হোসেন, মোহাম্মদ পোলয়, শফির উদ্দিন, আল আমিন, মোহাম্মদ শহিদুল, কার্তিক কুণ্ডু, নবির উদ্দিন, সুজন হাজারী, মিঠু মণ্ডল, পাঁচবিবি গ্রামের মহসিন আলী, জাহাঙ্গীর আলম, তুরীপাড়ার ইয়াছিন আলী, সাগর হোসেন, অতুল সিং, কেটু সিং, বিশ্বজিৎ শিং, ভুটু সিং, রাজু হোসেন, আশরাফুল ইসলাম, ছাইদুল বক্স, মোহাম্মদ নাজমুল, মুন্সিপাড়ার মিজানুর রহমান, মোহাম্মদ মুনছুর, আরজি অনন্তপুরের মোহাম্মদ হান্নান, পাটাবুকার জাহিদুল ইসলাম, নাকুরগাছীর শফিকুল ইসলাম, পশ্চিম বালিখাটার রুবেল হোসেন, মাতখুরের হেলাল হোসেন, আয়মা রসুলপুরের মোহাম্মদ মিন্টু, লকনাহারের মোহাম্মদ রোস্তম, সাইদার রহমান, শামসুল ইসলাম, ছোট মানিকের মোহাম্মদ মাসরেকুল, নাজমুল ইসলাম জনি, মোহাম্মদ রনি, মোহাম্মদ মুরশিদুল, মোহাম্মদ হানিফ, মোহাম্মদ হাসিনুর, মোহাম্মদ কাওছার, মোহাম্মদ নাসিম, দরপুলের মোহাম্মদ হাবীব, বিনশিরার মোহাম্মদ মোসলিম, গোড়নার মোহাম্মদ ফেরদৌস, এনামুল হক, মোহাম্মদ সাজ্জাদুর, ছামউদ্দিন, মোহাম্মদ হানিফ, মাসুদ রানা, মোহাম্মদ ইসমাইল, ইউসুফ আলী, মোহাম্মদ সাইফুল, মিনাহাজুল ইসলাম, মোহাম্মদ সাহারুল, মোহাম্মদ জহুরুল, মহির উদ্দিন, মোহাম্মদ আলিম, মোস্তাফিজুর রহমান, গোড়না আদর্শপাড়ার জুয়েল রানা, সোহেল রানা, শাহ আলম, মোহাম্মদ বায়েজিত, আবু তারেক তাজু, আনিছুর রহমান, বিনশিরার মোহাম্মদ রহিম, মতিয়ার রহমান, মোহাম্মদ মোস্তাকিম, শাহিনুর রহমান, কবেজ আলী, মোহাম্মদ হাফিজুল, তোফাজ্জল হোসেন, মোহাম্মদ হাফিজুল, জলিল প্রামাণিক, মোহাম্মদ ছামাদ, মোহাম্মদ আলীম, ইউসুফ আলী, মোহাম্মদ আলম, মোহাম্মদ আপেল, রিপন মণ্ডল, মোহাম্মদ ছানোয়ার, মোহাম্মদ জান্নাতুল, ইউসুফ আলী, মোহাম্মদ কাদের, নাছির মাস্টার, সাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ ছানোয়ার, আবু মুসা, মোহাম্মদ আইনুল, রফিকুল ইসলাম, জাকেরপুরের মোহাম্মদ মিজানুর, মোহাম্মদ তাসকিল, মোহাম্মদ দুলাল, ভারাহুতের মোহাম্মদ ফেরদৌস, জাহাঙ্গীর আলম, মিজানুর রহমান, মোহাম্মদ জাকারিয়া, হারুনুর রশিদ, মোহাম্মদ ফজলু, আকবর আলী, মোহাম্মদ আলিম, খয়বর হোসেন খোকা, মোহাম্মদ আলেক, আবদুল বারিক, মোহাম্মদ রহিম, আবদুল হাই, মোহাম্মদ শফিকুল, মনোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ হামিদুল, মুছা মিয়া, মোহাম্মদ রেজুয়ান, আমিরুল ইসলাম, মোহাম্মদ তোজাম, সেলিম হোসেন, মোহাম্মদ ছালাম, আবদুর রহমান, মোহাম্মদ আমজাদ, আবদুর রাজ্জাক, মোহাম্মদ রবিউল, আনিছুর রহমান, মোহাম্মদ তোমছের, ছানোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ রাজ্জাক, হাতেম আলী, মোহাম্মদ হামিদ, সুজাউল ইসলাম, মোহাম্মদ আলিম, আবদুল মান্নান, মোহাম্মদ কাশেম, বুলু মিয়া, মোহাম্মদ আজাহার, ইলিয়াস হোসেন, মোহাম্মদ বারিক, আলী আন্তাজ, মোহাম্মদ ইকবাল, আবু কালাম, মোহাম্মদ রাসেল, আলম মিয়া, মোহাম্মদ হায়দার, জয়নুল হক, মোহাম্মদ ফারুক, সোহেল রানা, মোহাম্মদ বাবু, শাহিনুর রহমান, মোহাম্মদ জাহিদুল, খালেক মিয়া, মোহাম্মদ রায়হান, এনামুল হক, মোহাম্মদ কালাম, রবিউল ইসলাম, মোহাম্মদ ইসলাম, জামাত আলী, মোহাম্মদ আনছার, আবদুর রাজ্জাক, আনছার আলী, মোহাম্মদ কোরবান, জাহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ আমিরুল, শফিকুল ইসলাম, মোহাম্মদ আরিফুল, শফিউল ইসলাম, মোহাম্মদ আলেক, আশিদুল আলী, মোহাম্মদ বাবু, আলম হোসেন, মোহাম্মদ শফিকুল, আশরাফ আলী, মোহাম্মদ রঞ্জু, আবু ইসাহাক, মোহাম্মদ জুয়েল, আকবর হোসেন, আবদুল আজিজ, আবদুল খালেক, আবু হায়াত, সাইফুল ইসলাম, আবু রায়হান, ইউসুফ আলী, জয়নুদ্দিন, ছাইদুল ইসলাম, হেলাল মিয়া, নজরুল ইসলাম, বেলাল মিয়া, রেজাউল ইসলাম, বাদশা মিয়া, শহিদুল ইসলাম, রইচ উদ্দিন, খাড়িয়াপাড়ার মোহাম্মদ জাহিরুল, ইউসুফ আলী, মোহাম্মদ ইয়াহিয়া, নুর আমিন, শিরট্টির হযরত আলী, নাজেম মিয়া, আলমগীর হোসেন, কাজেম মিয়া, জাহিদ হাসান, ফারুক মিয়া, মতিউর রহমান, ময়েজ আলী, আবু বক্কর সিদ্দিক, আমিরুল ইসলাম, হরিপুরের নুরুজ্জামান, লুৎফর রহমান, ইদ্রিস আলী, নয়াপাড়ার আমিনুর রহমান, বাবু মিয়া, রুনিহালীর গজেন চন্দ্র, দিলীপ চন্দ্র, দীপক চন্দ্র, কুয়াতপুরের মোহাম্মদ আফজাল, নুর আলম, মোহাম্মদ কাঞ্চা, শাহ আলম, মোহাম্মদ রব্বানী, জাহাঙ্গীর আলম, মোহাম্মদ আজিজার, জালাল হোসেন, মোহাম্মদ নবাইদুল, ছাইদুল ইসলাম, মোহাম্মদ সালাম, আবদুল মজিদ, ইসমাইল হোসেন, মোহাম্মদ জাকারিয়া, ছহির উদ্দিন, মোহাম্মদ নওশাদ, তহির উদ্দিন, মোহাম্মদ শামীম, শাহজাহান, মোহাম্মদ মোজাম, ইসমাইল হোসেন, মোহাম্মদ ইব্রাহিম, আসাদুল ইসলাম, মোহাম্মদ বাবু, আবু মিয়া, মোহাম্মদ উজ্জ্বল, নুরুজ্জামান, মোহাম্মদ মোজাফফর, রমজান আলী, মোহাম্মদ ইয়াকুব, আমির হোসেন, মোহাম্মদ প্রফেসর, আলম হোসেন, মোহাম্মদ ইয়াকুব, ছানোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ মিঠুন, আবু সাঈদ, মোহাম্মদ মোস্তফা, আবদুল হাই, মোহাম্মদ জাহিদুল, হামিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ আফজাল, নুর আলম, শাহ আলম, রোস্তম আলী, রশিদ মণ্ডল, শামস উদ্দিন, আশরাফ আলী, আবদুল হান্নান, আবদুল মান্নান, বোরহান উদ্দিন, রুবেল হোসেন, মাসুদ রানা, জহির উদ্দিন, আবদুস সামাদ, শহিদুল ইসলাম, মোজাহার আলী, আবদুস সোবহান, নজরুল ইসলাম, মোহাম্মদ ইব্রাহিম, আবদুর রশিদ, আবদুল খালেক, মতিয়ার রহমান, আবদুল মালেক, আতিয়ার রহমান, আবদুল আলিম, ওজোমুদ্দিন, আফজাল হোসেন, কুতুব উদ্দিন, জাইবর আলী, হবিবর রহমান, সাইফুল ইসলাম, আবদুল মোমিন, মনোয়ার হোসেন, আনোয়ার হোসেন, সাইদুল রহমান, সিরাজুল ইসলাম, মতিরুল ইসলাম, মীর শহীদ, আলাল হোসেন, হেলাল হোসেন, রফিকুল ইসলাম, হযরত আলী, লুৎফর রহমান, মোখলেছ আলী, আবদুর রশিদ মণ্ডল, শামস উদ্দিন মাস্টার, আশরাফ আলী, আবদুর হান্নান, আবদুল মান্নান, বোরহান উদ্দিন, রুবেল হোসেন, মাসুদ রানা, ইমরান হোসেন, রাসেল হোসেন, আনিছুর রহমান, আবদুর রহিম প্রধান, আবদুল ওয়াহাব প্রধান, আবদুল কালাম প্রধান, আবদুল লতিফ, তৌহিদুল ইসলাম, ওসমান আলী, মিজানুর রহমান, শহিদুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম, ছাইদুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম, মতিরুল ইসলাম, মীর শহীদ, আবদুল মজিদ, হাবিবুর রহমান, হরেন্দা এলাকার মোহাম্মদ শাইদুল, রাইহান চৌধুরী, ছাইদুল ইসলাম, রাসেল চৌধুরী, রেজাউল ইসলাম, আবদুল আলিম চৌধুরী, এনামুল হক, রতন চৌধুরী, জাহিদুল ইসলাম, বড়পুকুরিয়ার মোহাম্মদ আনোয়ার, মীর শহীদ, মোহাম্মদ দিলবর, নুরুন্নবী, মোহাম্মদ ইউসুফ, মোহাম্মদ তারেক, মোহাম্মদ হারুন, বাঁশখুরের মোহাম্মদ রিয়াজুল, তোফাজ্জল হোসেন, আজম আলী, তালেব হোসেন, আবু বক্কর, আবদুল মান্নান, সাইদুল ইসলাম, নবাইদুল ইসলাম, কাঁশড়া পূর্বপাড়ার মোহাম্মদ দুলাল, মোহাম্মদ রাকিবুল, মোহাম্মদ শফিকুল, নাজমুল প্রামাণিক, মোহাম্মদ আতিকুর, এনামুল প্রামাণিক, মোহাম্মদ জাহেরুল, মোহাম্মদ দেলোয়ার, আমিরুল ইসলাম, মোহাম্মদ রাশেদ, মোহাম্মদ রাসেল, মোহাম্মদ মজিদ, মোহাম্মদ আরাফাত, মোহাম্মদ বাইজিদ, মোহাম্মদ আলিম, মোহাম্মদ মোকলেছ, মোহাম্মদ বাবু, মোহাম্মদ এরশাদ, ক্ষেতলাল উপজেলার বড়তারা এলাকার সাইফুল ইসলাম, সফিকুল ইসলাম, আক্কেলপুর চৌধুরীপাড়ার মামুন অর রশিদ, আক্কেলপুর পুরাতন বাজারের আকতার হোসেন, নাছিমা আকতার রুবি, পশ্চিম আমুট্টর আবুল কালাম আজাদ, হরিসাড়ার রুহুল আমিন, কাশিড়ার বিপ্লব সাকিদার, পালশার শহিদুল ইসলাম ও সরস্বতীপুরের মাজেদুল ইসলাম।

এ ছাড়া শেখপাড়া বিএনপির কমপক্ষে ২২ নেতা আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন। তারা হচ্ছেন- আশরাফ আলী শেখ, গোলাম রব্বানী নান্টু, মোজাম শেখ, মোহাম্মদ ইশতিয়াক, আবু বক্কর সিদ্দিক, আফজাল হোসেন, নিয়ামুল শেখ, নাজমুল হক, মোহাম্মদ আলী, মোহাম্মদ বকুল, গোলজার হোসেন, মোহাম্মদ রিপন, শাজাহান আলী, মোহাম্মদ হৃদয়, আবদুস সাত্তার, মোহাম্মদ শাহীন, আনতাজ শেখ, মোহাম্মদ ভুট্টো, হাসান শেখ, উজ্জ্বল শেখ, জুয়েল শেখ ও আনিছ শেখ। এলডিপি থেকে যোগ দিয়েছেন চিত্রাপাড়ার রেজাউল করিম।

রাজশাহী : জেলায় ছাত্রশিবির নেতাও আওয়ামী লীগের নেতা বনেছেন। বাগমারা উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আলতাব হোসেন মোল্লাকে উপজেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদবিষয়ক সম্পাদক করা হয়েছে। এ ছাড়া বাগমারা পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাচ্চু হয়েছেন পৌর কৃষক লীগের সভাপতি।

আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন বাগমারা উপজেলা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসান মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম মোল্লা। রাজশাহীর বাগমারা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আলতাফ হোসেন, মারিয়া ১০ নম্বর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইসমাইল হোসেন, পুঠিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি লতিফ বিশ্বাস, পুঠিয়া পৌর বিএনপির সভাপতি আলী হোসেন, পুঠিয়া পৌর ছাত্রদলের সভাপতি আতিকুর রহমান ও পুঠিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান মুক্তাও যোগদানকারীদের মধ্যে রয়েছেন

সিরাজগঞ্জ :জেলার বেলকুচি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমানের বিরুদ্ধে আটটি মামলা রয়েছে। তিনি আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন। মামলায় জড়িয়ে আছেন রাজাপুরের বিএনপি নেতা আল মাহমুদ ও মোহাম্মদ রকি। তারাও আওয়ামী লীগে এসেছেন। জামায়াত সমর্থক শেখপাড়ার শহিদুল ইসলাম মামলায় জড়িয়ে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন।

বিএনপি থেকে এসেই সদর উপজেলার এনামুল হক উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা হয়েছেন। উল্লাপাড়া উপজেলা বিএনপির শহিদুল ইসলাম আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে স্থানীয় পৌরসভার ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। এ ছাড়া আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন বিএনপির বহুতী এলাকার শাহজামাল আকন্দ, বনবাড়ীয়ার মিজানুর রহমান, ধলেশ্বর যুবদলের শরিফুল ইসলাম মঞ্জু, চৌহালী উপজেলার শাহজাহান আলী সরদার ও অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম মানিক।

প্রকাশিত প্রতিবেদন নিয়ে ব্যাখ্যা :গত ১৭ নভেম্বর সমকালে 'ফ্রিডম পার্টি, জঙ্গি নেতাও এখন আওয়ামী লীগে' শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনের একাংশের ব্যাখ্যা দিয়েছেন তেজগাঁও থানা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য এ এস এম বাদল। তিনি বলেছেন, তার স্ত্রী জামায়াত কর্মী নন। তার পরিবার তো দূরের কথা, আত্মীয়স্বজনের পরিবারেও জামায়াত সমর্থক কেউ নেই।

একই প্রতিবেদনের আরেকটি অংশের ব্যাখ্যায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৫৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোহাম্মদ মাসুদ বলেছেন, তিনি জামায়াত থেকে এসেই নেতা হননি। তিনি কখনই জামায়াতের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না। তার পরিবারের সবাই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। তিনি নিজেও আওয়ামী লীগ ঘরানার রাজনীতি করছেন।

২১ নভেম্বর 'বিএনপি থেকে আ'লীগে এসেই নেতা ও জনপ্রতিনিধি' শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনের একাংশের ব্যাখ্যায় মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের অর্থ সম্পাদক আবদুর রহিম খান বলেছেন, তিনি কখনই বিএনপির রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন না; মানিকগঞ্জ জাকের পার্টির সভাপতি ছিলেন।

সূত্র: সমকাল

আর/০৮:১৪/৩০ নভেম্বর

জয়পুরহাট

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে