Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২০ , ১৩ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১১-২৭-২০১৯

উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ অপচয়ের অভিযোগ

উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ অপচয়ের অভিযোগ

রাজবাড়ী, ২৭ নভেম্বর - রাজবাড়ী বালিয়াকান্দি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ অপচয়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার সোনাপুর মীর মশাররফ হোসেন কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ একেএম রুহুল আমিন এই অভিযোগ করেছেন।

গত সোমবার (২৫ নভেম্বর) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করেন তিনি।

অভিযোগের অনুলিপি গতকাল (২৬ নভেম্বর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার, রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর ডাকযোগে পাঠানো হয়েছে।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, বালিয়াকান্দি উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আবুল কালাম আজাদ বাসার বিদ্যুৎ বিল নিজের পকেট থেকে না দিয়ে রাজস্ব তহবিল থেকে পরিশোধ করে আসছেন। যা সম্পূর্ণ নিয়ম বহির্ভুত। তিনি রাজস্ব তহবিল থেকে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে সরকারি অর্থ অপচয় করেছেন।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ উপজেলা-১ শাখার ২০১০ সালের ১১ নভেম্বর সিনিয়র সহকারী সচিব তসলিমা কানিজ নাহিদা স্বাক্ষরিত উপজেলা চেয়ারম্যানদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রদান প্রজ্ঞাপনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে, ‘উপজেলা চেয়ারম্যানগণ আবাসিক টেলিফোন বিল বাবদ ১২শত টাকা প্রাপ্য হবেন। ব্যয়কৃত অর্থ উপজেলা রাজস্ব তহবিল থেকে নির্বাহ করা হবে। নির্ধারিত বিলের অতিরিক্ত ব্যয় হলে উপজেলা চেয়ারম্যানকে ব্যক্তিগত ভাবে পরিশোধ করতে হবে। বাড়ি ভাড়া বাবদ ৫ হাজার টাকা হারে পাবেন। উপজেলা রাজস্ব তহবিল থেকে পরিশোধ করা হবে। বিদ্যুৎ ও গ্যাস বিল উপজেলা চেয়ারম্যান নিজে নির্বাহ করবেন।’

২০১০ সালের ১ আগস্ট থেকে এ আদেশ কার্যকর হয়। তা সত্ত্বেও বালিয়াকান্দি উপজেলা চেয়ারম্যান তার বাসভবনের (মিটার নং-৫৪০৪) ২০০৯ সালের মে মাস থেকে ২০১৯ সালের মে মাস পর্যন্ত ৭৫ হাজার ৫৫৬ টাকা বিদ্যুৎ বিল রাজস্ব তহবিল থেকে পরিশোধ করেছেন। যা সম্পূর্ণ বে-আইনি।

চিঠিতে বিষয়টি তদন্তপূর্বক সরকারি অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত প্রদানে ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করেন তিনি।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বলেন, অভিযোগের বিষয়টি শুনেছেন। তবে, লিখিত কপি পাননি। উপজেলা নির্বাচনের পর ২০১০ সালে তাদের অফিস করা নিয়ে একটি চিঠি ইস্যু হয়। তখন কেউ কেউ ইউএনও অফিসে, আবার কেউ কেউ বাসভবনে অফিস করেন। সেই সময় তিনি উপজেলা পরিষদের বাসায় অফিস নেন।

তিনি বলেন, এরপর একটি চিঠি আসে, তাতে বলা হয় যেহেতু উপজেলা চেয়ারম্যানের অফিস বাসায়, সেহেতু তারা মাসে ৫ হাজার টাকা বাসা ভাড়া পাবেন এবং সেই টাকা দিয়ে বিদ্যুৎ ও পানির বিল পরিষদ করবেন। কিন্তু তখন তিনি কোনো নতুন বাসা ভাড়া নেননি। বাসা ভাড়ার টাকা কিংবা টেলিফোন বিলও তোলেননি।

তিনি আরও বলেন, ‘আমি তো উপজেলা পরিষদের বাসায় থাকি। কোনো আলাদা বাসায় থাকি না, যার কারণে বিদ্যুৎ বিল দেব। যে অভিযোগ করা হয়েছে, তার কোনো ভিত্তি নেই। এটা ষড়যন্ত্রমূলক।’

সূত্র : জাগো নিউজ
এন এইচ, ২৭ নভেম্বর

রাজবাড়ী

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে