Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২০ , ৭ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১১-২৬-২০১৯

৭৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ করলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রধান সহকারী

৭৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ করলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রধান সহকারী

নারায়ণগঞ্জ, ২৭ নভেম্বর- ৭৮ লাখ ৪ হাজার ১৩০ টাকা আত্মসাৎ করেছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রধান সহকারী মো. রেজাউল করিম।

অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তার কাছ থেকে আত্মসাৎকৃত অর্থ ফেরত নেয়ার পাশাপাশি চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহনেরও নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। এ ঘটনায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

রেজাউল করিমের বাড়ি চাঁদপুর জেলার মতলব থানার চরলক্ষ্মীপুর গ্রামে। স্থানীয় সরকার বিভাগের জেলা পরিষদ অধিশাখার উপসচিব ড. জুলিয়া মঈন এক চিঠিতে রেজাউল করিমের আত্মসাতকৃত ৭৮ লাখ ৪ হাজার ১৩০ টাকা দ্রুত ফেরত নেয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে জরুরিভিত্তিতে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহনেরও নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

১৮ আগষ্টের এ নির্দেশনাপত্রটি মঙ্গলবার রাতে গনমাধ্যমকর্মীদের হাতে আসে।

নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুব্রত পাল জানান, রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র তৈরি করা হচ্ছে এবং বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। তিনি ইতিপূর্বে আত্মসাতকৃত ২০ লাখ টাকা ফেরত দিয়েছেন। বাকি টাকা ফেরত দেয়ার জন্য তিনি কিছুদিন সময় চেয়েছেন। আমরা লোপাটকৃত সক অর্থ উদ্ধারের চেষ্টা করছি।

জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জে জেলা পরিষদের প্রধান সহকারী হিসেবে দীর্ঘদিন কর্মরত ছিলেন রেজাউল করিম। ২০০১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর মুন্সিগঞ্জ জেলা পরিষদে চাকরি উচ্চমান সহকারী পদে যোগদান করেন তিনি। যোগদানের ২৪ দিনের মাথায় বদলি হয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদে যোগদান করেন।

দুদকের অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে, চাকরি নেয়ার প্রায় ১৭ বছর পর সার্টিফিকেট জমা না দিয়ে মুন্সিগঞ্জ জেলা পরিষদে চাকরি নিয়েছিলেন রেজাউল করিম।

এরপর প্রতারণা করে মুন্সিগঞ্জ জেলা পরিষদে উচ্চমান সহকারি পদে চাকরি ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে সরকারি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-২ এর উপসহকারী পরিচালক ২০১৭ সালের ১৬ ডিসেম্বর মুন্সিগঞ্জ সদর থানায় মামলা করেন।

২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে দুদকের মামলায় বেশ কিছুদিন জেলহাজতেও ছিলেন রেজাউল করিম।

টাকা আত্মসাতের বিষয়ে বিষয়ে জানতে রেজাউল করিমের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি।

সূত্র: যুগান্তর

আর/০৮:১৪/২৭ নভেম্বর

নারায়নগঞ্জ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে