Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বুধবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২০ , ৯ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১১-২৬-২০১৯

পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি: এবার আড়তদারদের জিজ্ঞাসাবাদের চিন্তা

পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি: এবার আড়তদারদের জিজ্ঞাসাবাদের চিন্তা

ঢাকা, ২৬ নভেম্বর- আমদানিকারকদের কাছে পেঁয়াজের মজুত নেই বলে জানিয়েছেন কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. মো. সহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, আমদানির পর পেঁয়াজ ঢাকাসহ দেশের সব জেলা-উপজেলা পর্যায়ে আড়তদারদের কাছে চলে গেছে। আমদানিকারকরা মজুত না করলেও আড়তদাররা মজুদ করতে দামে কারসাজি করতে পারে।

দেশের ৪৩ শীর্ষ পেঁয়াজ আমদানিকারককে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) তিনি এসব কথা বলেন।

গতকাল সোমবার থেকে রাজধানীর কাকরাইলের আইডিইবি ভবনে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের কার্যালয়ে এই আমদানিকারকদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এই জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমদানির পর পেঁয়াজ কোথায় কোথায় গেছে, তার তথ্য পাওয়া গেছে। কোনও অসাধু ব্যবসায়ী বাজার কারসাজিতে ভূমিকা রাখলে তাদের চিহ্নিত করে পরবর্তীতে ব্যবস্থা নেবো।’

তিনি বলেন, ‘আমদানিকারকরা যে পেঁয়াজ আমদানি করেছেন সেগুলো কাদের কাছে কী দামে বিক্রি করেছেন, কোথায় বিক্রি করেছেন, সেসব তথ্য আমরা সংগ্রহ করেছি। আগামীতে প্রয়োজন হলে এনবিআরের অনুমতি নিয়ে আড়তদার ও পাইকারি ব্যবসায়ীদের ডাকা হবে।’

কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক বলেন, ‘এর বাইরেও আমরা ব্যবসায়ীদের উদ্বুদ্ধ করছি আরও পেঁয়াজ আমদানি করার, যাতে পেঁয়াজের বাজার দ্রুত সহনশীল হয়।’

এক প্রশ্নের জবাবে সহিদুল ইসলাম বলেন, ‘জিজ্ঞাসাবাদে যেসব তথ্য পাওয়া গেছে তা সমন্বয় করতে হবে। আমদানিকারকরা মূলত আমদানি করে বিক্রি করে দেন। তারা যাদের কাছে বিক্রি করেন, তাদের কাছে কোন কোন জায়গায় মজুত থাকতে পারে বা আছে, সেগুলো আমরা দেখবো।’ কোথায় কোথায় পেঁয়াজ গেছে, সে তথ্য তারা ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে পেয়েছেন বলে জানান তিনি।

এই কর্মকর্তা বলেন, ‘আমাদের উদ্দেশ্য মজুতের তথ্য বের করা। যার কাছে মজুত আছে সে যদি জানে তাহলে বাজারে ছেড়ে দেবে, বাজার সহনশীল হবে। যাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে তাদের আমরা বলেছি, আপনারা যাদের কাছে বিক্রি করেছেন তাদের বলতে হবে যেন মজুত না রেখে পেঁয়াজ বাজারে ছেড়ে দেয়। পাশাপাশি শুধু ভারত নয়, অন্য দেশ থেকেও পেঁয়াজ আমদানি করতে ব্যবসায়ীদের আমরা উদ্ধুদ্ধ করেছি।’

জিজ্ঞাসাবাদে সিন্ডিকেটের কোন তথ্য পাওয়া গেছে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে সহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা সিন্ডিকেট বলতে চাই না। কোনও অসাধু ব্যবসায়ী যদি থাকে, যারা বাজার কারসাজিতে ভূমিকা রাখে, আমরা তাদের চিহ্নিত করে পরবর্তীতে ব্যবস্থা নেবো।’

কাস্টমস সূত্র জানায়, ১০ আমদানিকারক গত আগস্ট থেকে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত ১৫৯ কোটি ১২ লাখ টাকায় মোট ৪৪ হাজার ৩১ টন পেঁয়াজ আমদানি করে। এ ছাড়া আগস্ট থেকে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত ৩৪১ আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান দেশের আটটি স্থলবন্দর ও শুল্ক স্টেশন দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি করেছে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৮০৬ টন।

খুলনার হামিদ এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী এ হামিদ বলেন, গত তিন মাসে কী পরিমাণ পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে, তা কাদের কাছে বিক্রি করা হয়েছে, যাবতীয় তথ্য আমরা শুল্ক গোয়েন্দাদের দিয়েছি। আমাদের কাছে কোনও পেঁয়াজ মজুত নেই। আমরা ৭৪ টাকায় কিনে ৮০-৮৫ টাকায় বিক্রি করে দিয়েছি।’ এসব পেঁয়াজ দুই-তিন হাত ঘুরে দাম বাড়তে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি। 

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন
এন কে / ২৬ নভেম্বর

ব্যবসা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে