Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, রবিবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২০ , ৬ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১১-২১-২০১৯

যে কারণে সাঁকো বেয়ে সেতুতে উঠতে হয় কুমিল্লার ১৫ গ্রামের মানুষের!

যে কারণে সাঁকো বেয়ে সেতুতে উঠতে হয় কুমিল্লার ১৫ গ্রামের মানুষের!

কুমিল্লা, ২১ নভেম্বর- কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার বালু ব্যবসায়ীদের কারণে গোবিন্দপুর ও ভাওরখোলা ২টি ইউনিয়নের সংযোগস্থলে জরাজীর্ণ সেতুটিতে উঠতে হয় ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো বেয়ে।

এ কারণে স্কুলগামী শিশু শিক্ষার্থীসহ এলাকার হাজারো মানুষকে পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ।

কাঁঠালিয়া আলিপুর নদী হয়ে মহেশখালী রামগড়ে প্রবাহিত খিরাচক খালে অবস্থিত ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটির এক পাশে বাঁশের সাঁকো।

সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলার ভাওরখোলা ইউনিয়নের খিরাচক খালের ওপর জরাজীর্ণ পাকা সেতুটি ভাঙ্গা পিলার নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায়। সেতুর সঙ্গে লাগানো রয়েছে লম্বা বাঁশের সাঁকো।

এলাকাবাসী জানান, এ পথ দিয়ে গোবিন্দপুর ইউনিয়নের মির্জানগর, মহেশখালী, করিমাবাদ, আলিপুর, হিজলতলী ভাওরখোলা ইউনিয়নের খিরাচক, দড়িকান্দি, ওমরাকান্দা, নোয়াগাঁওসহ ১৫টি গ্রামের শিক্ষার্থী, নারী-পুরুষের যাতায়াত। পথচারীদের পারাপারে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

স্কুল-কলেজে পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীদের আসা-যাওয়ায় দুর্ভোগের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সময় মতো উপস্থিত হতে পারে না। বই-খাতা নিয়ে পানিতে পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে অনেকবার।

সাঁকো দিয়ে চলাচলের সময় পথচারীদের সাঁকোতে ঝুলে থেকে অন্যদের যাতায়াতে সুবিধা করে দিতে দেখা গেছে। বৃদ্ধ, নারী, অসুস্থ রোগীদের চলাচলে ভোগান্তির শেষ নেই।

অর্ধেক বাঁশের সাঁকো অর্ধেক সেতুর অভিনব দৃশ্যের কারণ খুঁজতে গিয়ে জানা গেছে, এলাকার প্রভাবশালী বালু ব্যবসায়ীদের বালুবাহী বাল্কহেড আনা-নেয়ার সুবিধা করতে গিয়ে রাস্তা কেটে বাঁশের সাঁকো তৈরি করা হয়েছিল।

গোবিন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাইনুদ্দিন মুন্সি তপন এ প্রতিবেদককে বলেন, খিরাচক সেতুটির সঙ্গে লাগানো রাস্তা ছিল। স্থানীয় বালু ব্যবসায়ী জামাল মেম্বার ও তার সহযোগীদের বালুবাহী বাল্কহেড আনা-নেয়ার সুবিধার জন্য রাস্তা কেটে সাঁকো বানানো হয়েছে ৩ বছর আগে। বালুভর্তি বাল্কহেড পাকা ব্রিজের নিচ দিয়ে যেতে পারলেও আনলোড অবস্থায় ব্রিজের নিচ দিয়ে পার হতে পারত না। তাই ভালো রাস্তা কেটে বাল্কহেড যাতায়াতের সুবিধা করে জনগণের দুর্ভোগ তৈরি করে তারা।

এ ব্যাপারে গোবিন্দপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের জামাল মেম্বার বলেন, আমি বালুর ব্যবসা করি তবে রাস্তা কাটিনি। প্রথমে আমিই ব্রিজ পর্যন্ত রাস্তাটি করে দিয়েছিলাম।

মেঘনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা পারভীন বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে জনদুর্ভোগ লাগবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সূত্র: যুগান্তর

আর/০৮:১৪/২১ নভেম্বর

কুমিল্লা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে