Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৯ , ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১১-১৪-২০১৯

ধড়পাকড়ে স্বপ্ন এখন দুঃস্বপ্ন, ফিরলেন আরও ২১৫ কর্মী

ধড়পাকড়ে স্বপ্ন এখন দুঃস্বপ্ন, ফিরলেন আরও ২১৫ কর্মী

ঢাকা, ১৪ নভেম্বর- সৌদি আরব থেকে আরও ২১৫ জন বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বুধবার রাতে দুটি পৃথক ফ্লাইটে তারা ঢাকায় আসেন। বিমানবন্দরের প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক ও বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের তথ্য অনুযায়ী, এ নিয়ে নভেম্বর মাসের প্রথম দুই সপ্তাহে মোট এক হাজার ৫৬১ বাংলাদেশি দেশে ফিরলেন। আর চলতি বছর সব মিলিয়ে সৌদি আরব থেকে ফিরলেন ২১ হাজার বাংলাদেশি।

বুধবার রাত ১১টা ২০ মিনিটে সৌদি এয়ারলাইন্সের এসভি ৮০৪ ফ্লাইটে ৮৬ জন এবং রাত ১টা ১৫ মিনিটে সৌদি এয়ারলাইন্সের এসভি ৮০২ বিমানযোগে ১২৯ জন বাংলাদেশি ফেরত আসেন।

গতকাল ফেরত অসাদের একজন কিশোরগঞ্জের সোহরাব। মাথায় জড়ানো মাফলার ছাড়া কিছুই আনতে পারেননি। তিনি জানান, দুই বছর আগে পাঁচ লাখ টাকা খরচ করে অনেক স্বপ্ন নিয়ে সৌদি আরব গিয়েছিলেন। কিন্তু ধরপাকড়ে তার সব স্বপ্ন এখন দুঃস্বপ্ন। সোহরাবের অভিযোগ, রুম থেকে তাকে ধরে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

সাড়ে ছয় লাখ টাকা খরচ করে সৌদি আরব গিয়েছিলেন গাজীপুরের হারুন। তিনি জানান, একটি নির্মাণাধীন কোম্পানিতে কাজ করতেন। কর্মস্থল থেকে রুমে ফেরার পথে ধরপাকড়ের শিকার হয়ে তাকে ফিরতে হলো।

টাঙ্গাইল জেলার শাহবুল ইসলাম জানান, বিদেশে যাওয়ার আগে দেশে তিনি নিয়মিত গাড়ি চালাতেন। দালাল ও রিক্রুটিং এজেন্সি মেসার্স জাভেদ ওভারাসিজের প্রলোভনে পড়ে চার মাস আগে ৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা দিয়ে ড্রাইভিং ভিসা নিয়ে গিয়েছিলেন সৌদি আরবে। কিন্তু ৪ মাস কোনো বেতন পাননি। এখন ধরপাকড়ের শিকার হয়ে শূন্য হাতে দেশে ফিরতে হয়েছে তাকে।

সিলেটের কামাল আহাম্মেদ, টাঙ্গাইলের মো. জাহেদ আলী, গাজীপুরের ইমরান, কুমিল্লার ইব্রাহিম, নরসিংদীর বাবুলসহ আরও অনেকেই জানালেন, তারা তাদের খরচের টাকাটাও তুলতে পারেননি।

বরাবরের মতো প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের সহযোগিতায় গতকালও ফেরত আসাদের খাবার-পানিসহ নিরাপদে বাড়ি পৌঁছানোর জন্য জরুরি সহায়তা দেয় ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম।

ব্র্যাক অভিবাসন কর্মসূচির প্রধান শরিফুল হাসান জানান, চলতি বছর এখন পর্যন্ত প্রায় ২১ হাজার বাংলাদেশিকে শুধু সৌদি আরব থেকে ফেরত পাঠানো হলো। দেশে ফেরা অনেক কর্মীর অভিযোগ, আকামা তৈরির জন্য তারা কফিলকে (নিয়োগকর্তা) টাকা দিলেও কফিল আকামা তৈরি করে দেয়নি। এখন পুলিশ যখন তাদের গ্রেফতার করছে, কফিল কোনো দায় নিচ্ছে না। বিষয়গুলো দুঃখজনক। ফেরত আসা সবাই ভবিষ্যত নিয়ে দুশ্চিন্তায়। এভাবে যেন কাউকে শূন্য হাতে ফিরতে না হয়, সেজন্য যাওয়ার অগেই ব্যবস্থা নেয়া উচিত। বিশেষ করে ফ্রি ভিসার নামে প্রতারণা বন্ধ করা উচিত।

সূত্র: জাগোনিউজ

আর/০৮:১৪/১৪ নভেম্বর

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে