Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই, ২০১৯ , ১ শ্রাবণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.7/5 (35 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১০-২৭-২০১৩

যে ৮টি কারণে নিয়মিত খেতে হবে টমেটো!


টুকটুকে লাল পাকা টমেটো, অথবা কচকচে কাঁচা টমেটো। একই সাথে ফল এবং সবজি এই খাবারটা পছন্দ করেন না এমন মানুষ কমই আছেন। রান্না করে বা কাঁচা অবস্থাতেই খাওয়া যায় অনেক ভাবে। উপকারি এই খাবারটা নিজে যেমন মজা তেমনি অন্য খাবারেও মজা বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু “উপকারী” এই খাবারের ঠিক কি কি উপকারিতা আছে?

যে ৮টি কারণে নিয়মিত খেতে হবে টমেটো!

১) পুষ্টিতে ভরপুর!
মাত্র এক কাপ তরতাজা পাকা টমেটোতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, সি, কে, ফলেট এবং পটাসিয়াম। এর মাঝে অনেক কম পরিমাণে থাকে সোডিয়াম, স্যাচুরেটেড ফ্যাট, কোলেস্টেরল এবং ক্যালোরি। এর থেকে আরও পাওয়া যায় থায়ামিন, নায়াসিন, ভিটামিন বি৬, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস এবং কপার। এ ছাড়াও এই এক কাপের মাঝেই থাকে দুই গ্রামের মত ফাইবার। অনেকটা পানিও রয়েছে এতে। এই সবকিছু মিলিয়ে শরীরের পুষ্টি চাহিদার অনেকখানিই পূরণ করে।

২) সুস্থ রাখে ত্বক
নিয়মিত টমেটো খেলে ত্বক থাকবে অপরূপ। টমেটোর বেটা ক্যারোটিন সূর্যের ক্ষতি থেকে ত্বককে রক্ষা করে। আর এতে থাকা লাইকোপিন অতিবেগুনী রশ্মির ক্ষতি কমায়। ফলে ত্বকে বলিরেখা পড়ার পরিমাণ কমে।

৩) হাড় শক্ত করে
টমেটোর ভিটামিন কে এবং ক্যালসিয়াম দুটোই হাড় শক্ত রাখার জন্য দরকারি। আর লাইকোপিন মজ্জার ঘনত্ব বাড়ায়, ফলে অস্টিওপোরোসিস হবার সম্ভাবনা কমে।
 
৪) ক্যান্সার দূরে রাখে
প্রচুর গবেষণা থেকে দেখা গেছে, যত বেশি টমেটো খাওয়া যায়, কয়েক ধরণের ক্যান্সারের ঝুঁকি তত কমে। বিশেষ করে ফুসফুস, পাকস্থলি এবং প্রোস্টেট ক্যান্সার। টমেটোর লাইকোপিন থেকে এই উপকার পাওয়া যায়। রান্না করার পর লাইকোপিনের পরিমাণ বেড়ে যায়। অলিভ অয়েল দিয়ে রান্না করে খেলে লাইকোপিন শরীরে সহজে শোষিত হয়।
 
৫) নিয়ন্ত্রণ করে ব্লাড সুগার
টমেটো ক্রোমিয়ামের খুব ভালো উৎস। এটা রক্তের সুগার লেভেল ঠিক রাখতে সাহায্য করে। ফলে কম থাকে ডায়াবেটিসের সম্ভাবনা।

৬) চোখ ভালো রাখে
টমেটোতে থাকা প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে। রাতকানা রোগের আশঙ্কা দূর করে এবং অনেকদিন পর্যন্ত দৃষ্টিশক্তির অবনতি হতে বাধা দেয়।
 
৭) ডিএনএ এর ক্ষতি রোধ করে
টমেটোতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যেমন ভিটামিন এ এবং সি ডিএনএর ক্ষতি হতে বাধা দেয়। ফলে অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস এবং ডায়াবেটিস এর আশঙ্কা কমে যায়।
 
৮) হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়
নায়াসিন, ফলেট এবং ভিটামিন বি৬ হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা যায়, প্রতি সপ্তাহে ৭-১০ কাপ টমেটো খেলে অনেকটা প্রতিরোধ করা যায় হৃদরোগ। আর পরিমিত তেল দিয়ে রান্না করা টমেটো খেলে উপকার বেশি পাওয়া যায়। থ্রম্বোসিসের পরিমাণও কমায় টমেটো।
 
এ ছাড়াও টমেটো চুল ভালো রাখে, কিডনি স্টোন এবং গল স্টোন প্রতিরোধ করে, আরথ্রাইটিস এর ব্যাথা কমায়, ওজন কমাতে সাহায্য করে।

৩) হাড় শক্ত করে
টমেটোর ভিটামিন কে এবং ক্যালসিয়াম দুটোই হাড় শক্ত রাখার জন্য দরকারি। আর লাইকোপিন মজ্জার ঘনত্ব বাড়ায়, ফলে অস্টিওপোরোসিস হবার সম্ভাবনা কমে।
 
৪) ক্যান্সার দূরে রাখে
প্রচুর গবেষণা থেকে দেখা গেছে, যত বেশি টমেটো খাওয়া যায়, কয়েক ধরণের ক্যান্সারের ঝুঁকি তত কমে। বিশেষ করে ফুসফুস, পাকস্থলি এবং প্রোস্টেট ক্যান্সার। টমেটোর লাইকোপিন থেকে এই উপকার পাওয়া যায়। রান্না করার পর লাইকোপিনের পরিমাণ বেড়ে যায়। অলিভ অয়েল দিয়ে রান্না করে খেলে লাইকোপিন শরীরে সহজে শোষিত হয়।
 
৫) নিয়ন্ত্রণ করে ব্লাড সুগার
টমেটো ক্রোমিয়ামের খুব ভালো উৎস। এটা রক্তের সুগার লেভেল ঠিক রাখতে সাহায্য করে। ফলে কম থাকে ডায়াবেটিসের সম্ভাবনা।
 
 

৬) চোখ ভালো রাখে
টমেটোতে থাকা প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে। রাতকানা রোগের আশঙ্কা দূর করে এবং অনেকদিন পর্যন্ত দৃষ্টিশক্তির অবনতি হতে বাধা দেয়।
 
৭) ডিএনএ এর ক্ষতি রোধ করে
টমেটোতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যেমন ভিটামিন এ এবং সি ডিএনএর ক্ষতি হতে বাধা দেয়। ফলে অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস এবং ডায়াবেটিস এর আশঙ্কা কমে যায়।
 
৮) হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়
নায়াসিন, ফলেট এবং ভিটামিন বি৬ হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা যায়, প্রতি সপ্তাহে ৭-১০ কাপ টমেটো খেলে অনেকটা প্রতিরোধ করা যায় হৃদরোগ। আর পরিমিত তেল দিয়ে রান্না করা টমেটো খেলে উপকার বেশি পাওয়া যায়। থ্রম্বোসিসের পরিমাণও কমায় টমেটো।
 
এ ছাড়াও টমেটো চুল ভালো রাখে, কিডনি স্টোন এবং গল স্টোন প্রতিরোধ করে, আরথ্রাইটিস এর ব্যাথা কমায়, ওজন কমাতে সাহায্য করে।
 
 

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে