Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৯ , ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (10 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১১-১২-২০১৯

রাইফেল হাতে বিয়ের মঞ্চে নবদম্পতি

রাইফেল হাতে বিয়ের মঞ্চে নবদম্পতি

ভারতের নাগাল্যান্ড রাজ্যের স্বাধীনতাপন্থী এক প্রভাবশালী নেতার ছেলে ও তার নবপরিণীতা রাইফেল হাতে বিয়ের মঞ্চে দাঁড়িয়ে পোজ দেয়ার ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এখন ভাইরাল। নবদম্পতির বিয়ের আসরে রাইফেল নিয়ে ঘুরতে দেখে অনেকে হকচকিয়ে যান।

ভারতীয় টেলিভিশন এনডিটিভি এ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে বলেছে, গত শনিবার এই ঘটনা ঘটে। বরের বাবা বহতা কিবা ন্যাশনাল সোশালিস্ট কাউন্সিল অব নাগাল্যান্ড-ইউনিফিকেশনের (এনএসসিএন-ইউ) অন্যতম শীর্ষ নেতা।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ভারতের উত্তারাঞ্চলের সশস্ত্র বিদ্রোহীদের সঙ্গে ‘ঐতিহাসিক’ শান্তি চুক্তি করার চেষ্টা করছে মোদি নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার। তার মধ্যেই এমন ঘটনা ঘটলো, যা উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে দেশটির সরকারের জন্য। এদিকে সম্প্রতি মণিপুর লন্ডনে তাদের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছে।

এনডিটিভি বলছে, ওই নবদম্পতি বিয়ের মঞ্চে একে৫৬ এবং এম১৬ স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ছবি তোলেন। মুহূর্তেই তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সূত্রমতে, প্রকাশ্যে এমন অস্ত্রের ঝনঝনানি দেখে আমন্ত্রিত অতিথিরা বেশ অপ্রস্তুত হয়ে যান।

দেশটির একটি বার্তা সংস্থাকে নাগাল্যান্ড রাজ্যের পুলিশ প্রধান টি জন লংকুমার বলেন, নাগা বিদ্রোহী নেতার ছেলের অস্ত্র হাতে ছবিটি দেখেননি জানিয়ে বলেছেন, ‘আমি এখনো ছবিটি দেখিনি, আর এ সম্পর্কে আমি অবগতও নই।

তবে নাগা নেতার ছেলে ও তার পুত্রবধূর নাম পরিচয় কিছু জানা যায়নি বলে প্রতিবেদনে জানিয়েছে এনডিটিভি। বরের বাবা বহতা কিবার দল এনএসসিএন-ইউ নাগা বিদ্রোহীদের সাত দলের জোট নাগা ন্যাশনাল পলিটিকাল গ্রুপের (এনএনপিজি) অন্যতম শরিক।

সাত দলের ওই জোটের সঙ্গেই ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার বিগত ২২ বছর ধরে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার নাগা বিদ্রোহীদের যৌথ নির্বাহী কমিটির এই শান্তি আলোচনা নাগাদের পৃথক পতাকা ও সংবিধান নিয়ে মতবিরোধে কারণে এখনও স্বাক্ষরিত হয়নি।

সোশালিস্ট কাউন্সিল অক নাগালিম (ইসাক-মুইভা) ও মিয়ানমারভিত্তিক সোশালিস্ট কাউন্সিল অব নাগাল্যান্ড-খাপলাংয়ের দলছুট নেতারা ২০০৭ সালের ২৩ নভেম্বর সশস্ত্র এই গোষ্ঠীটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। গত ৩১ অক্টোবরের মধ্যে শেষ করার চেষ্টা করলেও তা না হওয়ার পেছনে এনএসসিএন-ইউ বড় প্রভাবক।

আর/০৮:১৪/১২ নভেম্বর

বিচিত্রতা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে