Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৯ , ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১১-১২-২০১৯

আবারও জামায়াতের নেতৃত্বে ডা. শফিকুর রহমান

আবারও জামায়াতের নেতৃত্বে ডা. শফিকুর রহমান

ঢাকা, ১২ নভেম্বর- আমির নির্বাচিত হওয়ার মধ্যদিয়ে জামায়াতের নিয়ন্ত্রণ ডা. শফিকুর রহমানের হাতেই থাকল। আজ মঙ্গলবার জামায়াতের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই খবর জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান সংগঠনের সদস্যগণের (রুকন) প্রত্যক্ষ ভোটে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির নির্বাচিত হয়েছেন।

উল্লেখ্য যে, গত ১৭ অক্টোবর থেকে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন আজ নির্বাচনের ফল ঘোষণা করেছে।

জামায়াত সূত্র জানায়, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবু তাহের মাছুমের নেতৃত্বে চার সদস্যের টিম নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বপালন করেন। দলের কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরার ভোটে আমির নির্বাচনে তিন সদস্যের প্যানেল চূড়ান্ত করে জামায়াত। এই প্যানেলে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল শফিকুর রহমান, নায়েবে আমির মুজিবুর রহমান ও মিয়া গোলাম পরওয়ার। এই প্যানেলে আমির মকবুল আহমারে স্থান হয়নি।

এ বিষয়ে জামায়াতের নেতারা বলেন, স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে গত সেপ্টেম্বরে দলের নির্বাহী পরিষদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়ে রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার কথা জানান মকবুল আহমাদ।

জামায়াতের ঘনিষ্ট নেতারা জানান, মানবতাবিরোধী অপরাধে যুক্ত থাকার দায়ে জামায়াতের শীর্ষ নেতারে অনুপস্থিতিতে ২০১০ সালে ভারপ্রাপ্ত আমির হন মকবুল আহমাদ ও ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল হন ডা. শফিকুর রহমান। দায়িত্ব পাওয়ার পর মকবুল আহমাদকে হাতে রেখে জামায়াতকে ‘এককভাবে’ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করেন ডা. শফিক। এক্ষেত্রে সফলও হন তিনি। ২০১৭ পূর্ণাঙ্গ আমির নির্বাচিত হয়ে মকবুল সেক্রেটারি হিসেবে ডা. শফিককে নিয়োগ দেন। তখন জামায়াতের উত্তরাঞ্চলের নেতারা অভিযোগ তুলেছিলেন সেক্রেটারি নিয়োগে জামায়াতের গঠনতন্ত্র ভঙ্গ করেছেন আমির মকবুল।

নেতারা জানান, সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর মকবুলকে হাতে রেখে ডা. শফিক নিজের মতো করে উত্তরাঞ্চলসহ বিরোধী গ্রুপকে দলের মধ্যে কৌশলে কোনঠাসা করেন। রাজশাহীর এক নেতাকে বহিষ্কারও করেন। নেতাদের ধারণা, আমির হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় নিয়ন্ত্রণের মাত্রা আরও বেড়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে কাকে সেক্রেটারি জেনারেল নিয়োগ দেওয়া হবে তা নিয়ে এরই মধ্যে সংগঠনের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।     

জামায়াতের গুরুত্বপূর্ণ এক নেতা বলেন, ‘যদি সবাইকে নিয়ে দল করতে চান সেক্ষেত্রে তার বিরোধী হিসেবে পরিচিত সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খানকে সেক্রেটারি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হতে পারে। আর যদি পুরো জামায়াতকে নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান সেক্ষেত্রে সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবু তাহের মাছুমকে সেক্রেটারি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হতে পারে।’

আর/০৮:১৪/১২ নভেম্বর

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে