Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৯ , ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১১-১২-২০১৯

রিমান্ড শেষে কারাগারে কাউন্সিলর মঞ্জু

রিমান্ড শেষে কারাগারে কাউন্সিলর মঞ্জু

ঢাকা, ১২ নভেম্বর - অস্ত্র ও মাদক আইনে করা দুই মামলায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ময়নুল হক মঞ্জুকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

দশ দিনের রিমান্ড শেষে মঙ্গলবার তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তারা। প্রয়োজনে তার রিমান্ড আবেদন করা হবে বলে তারা জানান। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিত ঢাকা মহানগর হাকিম দিদারুল আলম মঞ্জুকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে গত ১ নভেম্বর মঞ্জুকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। ওয়ারী থানায় অস্ত্র ও মাদক আইনে করা দুই মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য ৭ দিন করে ১৪ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম ধীমান চন্দ্র মণ্ডল অস্ত্র মামলায় ৫ দিন ও মাদক মামলায় ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

চলমান ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান ও শুদ্ধি অভিযানের ধারাবাহিকতায় গত ৩১ সেপ্টেম্বর দুপুরে টিকাটুলির নিজ কার্যালয় থেকে কাউন্সিলর মঞ্জুকে গ্রেফতার করার পর র‌্যাব-৩ এর পক্ষ থেকে রাতে ওয়ারী থানায় অস্ত্র ও মাদক আইনে দুটি মামলা করা হয়।

র‌্যাব-৩ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শাফিউল্লাহ বুলবুল বলেন, অভিযানকালে তার কার্যালয় থেকে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র, মাদক ও নিষিদ্ধ ওষুধ উদ্ধার করা হয়েছিল। এ কারণে তার বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনে দুটি মামলা করা হয়। ওয়ারী থানার মামলা নং ২৬ ও ২৭।

এর আগে গ্রেফতারের পর তার কার্যালয়ে র‌্যাব-৩ সিও সাংবাদিকদের বলেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ময়নুল হক মঞ্জু চাঁদাবাজির মাধ্যমে আয়কৃত বিপুল পরিমাণ অর্থ আমেরিকায় বসবাসরত পরিবারের কাছে পাচার করেছেন।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে ওয়ারী থানায় দায়ের করা এক চাঁদাবাজি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি কাউন্সিলর মঞ্জু। তার বিরুদ্ধে আরও দুটি মামলা রয়েছে। সবগুলো মামলাই তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি-দখলবাজি ও সন্ত্রাসবাদীর অভিযোগ রয়েছে।

র‌্যাব-৩ সিও বলেন, অভিযোগ রয়েছে কাউন্সিলর মঞ্জু চাঁদাবাজির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা অবৈধভাবে অর্জন করেছেন এবং সেসব অর্থ আমেরিকায় বসবাসরত পরিবারের কাছে হুন্ডির মাধ্যমে পাচার করেছেন। কী পরিমাণ অর্থ তিনি পাচার করেছেন এটি আইনিভাবে তদন্তের বিষয়। কাউন্সিলর মঞ্জু নিজেও একজন মাদকসেবী ছিলেন।

সূত্র : জাগো নিউজ
এন এইচ, ১২ নভেম্বর

আইন-আদালত

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে