Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৯ , ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১১-০৯-২০১৯

খুলনায় আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে খাবার নেই

খুলনায় আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে খাবার নেই

খুলনা, ০৯ নভেম্বর- ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে খুলনার আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে খাবার ও পানির সংকট দেখা দিয়েছে। সন্ধ্যার আগে থেকেই উপকূলের আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে আশ্রয় নিয়েছেন লক্ষাধিক মানুষ। তাদের খাদ্য সংকট রয়েছে বলে জানা গেছে।

এর আগে খুলনার ৩৪৯টি আশ্রয়কেন্দ্র দুপুরের আগে থেকেই খুলে রাখা হয়। শনিবার সন্ধ্যার পর থেকে বাতাসের বেগ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফাকা হয়ে গেছে সড়ক পথ।

সন্ধ্যার পর উপকূলীয় এলাকার লোকজন ছোটাছুটি করে যে যার মতো ঘরের আসবাবপত্র, বিছানা-বালিশ, হাঁস-মুরগি ও গবাদিপশু নিয়ে পার্শ্ববর্তী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রের দিকে ছুটতে শুরু করেন। তবে কেউ কেউ দুপুরের পর এসেছেন। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জেলা নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

দাকোপ উপজেলার সুতারখালী পূর্বপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম সাইক্লোন শেল্টারে (তিন তলা) প্রায় ১৫০ জন নারী ও সুতারখালি মাদারনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম সাইক্লোন শেল্টারে প্রায় ১৫০ আশ্রয় নিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, দুপুরে আশ্রয়কেন্দ্রে আসলেও কোনো শুকনো খাবার, পানি ও অন্য কোনো কিছু তারা পাননি। সাইক্লোন শেল্টার খুলে রেখে দায় সারছেন দায়িত্বরতরা।

সুতারখালী পূর্বপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম সাইক্লোন শেল্টারে ভুক্তভোগী অনেকে বলেন, স্থানীয় চেয়ারম্যান সন্ধ্যায় ১০ প্যাকেট মুড়ি পাঠিয়েছেন। তা দিয়ে আমরা কি করবো? গবাদি পশু, হাঁস-মুরগি নিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে এলেও শান্তি নেই। বেঞ্চ উঁচু করে কোনোমতে বসে থাকলেও মলমূত্র ত্যাগের সমস্যা রয়েছে।

সুতারখালী পূর্বপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ননী গোপাল বৈদ্য বলেন, উপজেলা প্রশাসন থেকে সাইক্লোন শেল্টারে কোনো খাবার দেয়া হয়নি। স্থানীয় চেয়ারম্যান কিছু মুড়ি পাঠিয়েছেন।

যদিও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পর্যাপ্ত শুকনো খাবার, নগদ অর্থ, ওষুধ এবং পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট সাইক্লোন শেল্টারে পাঠানো হয়েছে।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আজিজুল হক জোয়ার্দ্দার বলেন, দাকোপ, কয়রা, পাইকগাছা, বটিয়াঘাটা ও রূপসা উপজেলায় মোট ৮ লাখ লোক দুর্যোগ ঝুঁকিতে রয়েছেন। যাদের মধ্যে নারী, পুরুষ ও শিশু মিলে ১ লাখ ৭৫ হাজার লোক ইতোমধ্যে আশ্রয়কেন্দ্রে চলে গেছেন।

তিনি জানান, মহাবিপদ সঙ্কেত জারির পরও আশ্রয় কেন্দ্রে যারা যায়নি তাদের জোর করে আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়ার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে তৎপরতা চালানো হচ্ছে।

দাকোপের সাইক্লোন শেল্টার দুটিতে শুকনো খাবার ও পানি না পাওয়া প্রসঙ্গে আজিজুল হক জোয়ার্দ্দার বলেন, উপজেলা প্রশাসন থেকে খাবারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এখনও মনে হয় ওখানে পৌঁছায়নি। তারপরও বিষয়টি আমি দেখছি।

এদিকে কয়রা সদর ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির বলেন, শনিবার দুপুরের পর থেকেই দুই নম্বর কয়রাসহ বিভিন্ন গ্রামের মানুষ সাইক্লোন শেল্টারগুলোতে যাওয়া শুরু করে। সন্ধ্যার মধ্যেই অনেক সাইক্লোন শেল্টার মানুষ ও গবাদি পশুতে পরিপূর্ণ হয়ে যায়। আবার অনেকে সাইক্লোন শেল্টারে যেতে গড়িমসি করেন।

অনুরূপভাবে পাইকগাছা, বটিয়াঘাটা ও রূপসা উপজেলার বিভিন্ন সাইক্লোন শেল্টারে সন্ধ্যার পর থেকে মানুষের ভিড় বাড়ছে।

সূত্র: জাগোনিউজ

আর/০৮:১৪/০৯ নভেম্বর

খুলনা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে