Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১৯ , ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১১-০৮-২০১৯

উপকূলে ৭ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা

উপকূলে ৭ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা

কক্সবাজার, ০৮ নভেম্বর- ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‌‘বুলবুল’। শনিবার (৯ নভেম্বর) সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাতের মধ্যে বুলবুল বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে আঘাত হানতে পারে। এ কারণে ৫ থেকে ৭ ফুট পর্যন্ত উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হতে পারে। এ অবস্থায় উপকূলবর্তী এলাকার জনগণকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (৮ নভেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরি বৈঠকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। বৈঠকে উপকূলবর্তী সব জেলা ও উপজেলায় প্রায় ৫৬ হাজার স্বেচ্ছাসেবককে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান।

বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী বলেন, উপকূলের ১৩টি জেলার মধ্যে পাঁচটি বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। ঝড়ের পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমরা সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছি। উপকূলবর্তী খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পটুয়াখালী, বরগুনা, ভোলা, পিরোজপুরসহ ১৩টি জেলায় দুই হাজার করে মোট ২৬ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার পাঠানো হয়েছে। এছাড়া প্রত্যেক জেলায় নগদ পাঁচ লাখ টাকা করে আগাম বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ মোকাবিলায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরসহ উপকূলীয় জেলাগুলোর ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা ও তার নিয়ন্ত্রণাধীন সব উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের সব পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কর্মস্থল ত্যাগ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মস্থলে অবস্থানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১০ নভেম্বর বাংলাদেশ ও পশ্চিম বাংলার উপকূলের কাছাকাছি ঘূর্ণিঝড়টি অবস্থান করতে পারে। পরে বঙ্গোপসাগরের উত্তর দিক দিয়ে উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ১০ ও ১১ নভেম্বর সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, খুলনা, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরিশাল, নড়াইল, ঝিনাইদহ, মাগুরা, গোপালগঞ্জ ও ফরিদপুরে ভারী থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। এ কারণে শুক্রবার (৮ নভেম্বর) থেকে ১৬ নভেম্বর পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিজ নিজ কর্মস্থলে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে বুলবুল আরও শক্তি সঞ্চয় করে এগিয়ে আসছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) যেখানে ঘণ্টায় বাতাসের গতিবেগ ছিল ৬২ কিলোমিটার, এখন তা বেড়ে ১১০-১২৫ কিলোমিটার হয়েছে। এই গতি অব্যাহত থাকলে শনিবার (৯ নভেম্বর) খুলনা উপকূল দিয়ে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল বাংলাদেশে প্রবেশের আশঙ্কা রয়েছে। ঝড়ের প্রভাবে সাগর উত্তাল থাকায় চট্টগ্রাম বন্দরকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এছাড়া মোংলা ও পায়রা বন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ আব্দুর রহমান এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘এখন যে গতি তাতে ঝড়টি বাংলাদেশের দিকে ধাবিত হচ্ছে। গতিবেগ আগের চেয়ে বেশি। ঝড়টি এখন যে গতিতে আসছে, তাতে বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের উপকূলে আঘাত হানতে পারে। খুলনা অঞ্চল দিয়ে ঘূণিঝড় প্রবেশের আশঙ্কা করেন তিনি। এছাড়া, ঝড়ের প্রভাবে সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকাগুলোতে শুক্রবারের মতো শনিবারও ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে।’

সর্বশেষ তথ্যের ভিত্তিতে জানানো হয়, শুক্রবার দুপুর ১২টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৫৮৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৫৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।  

বুলবুল মোকাবিলায় উপকূলীয় বিভিন্ন জেলায় প্রস্তুতিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। শুকনো খাবার ও ত্রাণসামগ্রীর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এসব জেলায় আশ্রয়কেন্দ্র ও স্বেচ্ছাসেবকদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে। স্থাপন করা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। এসব জেলার সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের ছুটিও বাতিল করা হয়েছে।


খুলনা প্রতিনিধি জানান, ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবিলায় খুলনার সব সরকারি দফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় খুলনার ৩৪৯টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। দুর্যোগকালীন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্থাপন করা হয়েছে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কন্ট্রোল রুম। এছাড়া পর্যাপ্ত শুকনো খাবার ও নগদ অর্থ হাতে রাখা হয়েছে।

ভোলা প্রতিনিধ জানান, ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে জেলা প্রশাসন। ইতোমধ্যে জেলা সদরসহ সাত উপজেলায় ৮টি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৬৬৮টি আশ্রয়কেন্দ্র। গঠন করা হয়েছ ৯২টি মেডিক্যাল টিম। ঝড়ের কারণে বাতিল করা হয়েছে জেলার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি এবং স্থানীয়দের সতর্ক করতে উপকূলে চলছে রেড ক্রিসেন্ট ও সিপিপির প্রচারণা। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক জানান, ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসনের কাছে শুকনো খাবার, প্রয়োজনীয় চাল, টিন ও নগদ টাকাসহ পর্যাপ্ত ত্রাণসামগ্রী রয়েছে।

বাগেরহাট প্রতিনিধি জানান, ‘বুলবুলের’ প্রভাবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে বাগেরহাটের দুবলার চরে হতে যাওয়া রাসমেলা বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (৯ নভেম্বর) বিকাল থেকে রাসমেলার দর্শনার্থীদের যাত্রা শুরুর সময় নির্ধারিত ছিল। এদিন দুপুর নাগাদ মেলায় যাওয়ার অনুমতি বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত আসার কথা ছিল। একইসঙ্গে ‘বুলবুলের’ কারণে সুন্দরবনে পর্যটকদের প্রবেশও বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এদিকে মোংলা বন্দরে স্থাপন করা হয়েছে তিনটি কন্ট্রোল রুম।

বাগেরহাট জেলা প্রশাসক মামুনুর রশিদ জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানার পর তাৎক্ষণিক সাপোর্ট হিসেবে ১৯০ মেট্রিক টন খাবার ও নগদ দুই লাখ টাকা মজুত রয়েছে। আপদকালিন সহায়তা আরও বাড়ানোর জন্য মন্ত্রণালয়ে জরুরি চিঠি পাঠানো হবে।

বরিশাল প্রতিনিধি জানান, বুলবুল মোকাবিলায় বরিশালের উপকূল এলাকায় মাইকিং করে জনসাধারণকে সতর্ক করছে ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কেন্দ্রের (সিপিপি) স্বেচ্ছাসেবকরা। দুর্যোগ মোকাবিলায় জরুরি সভা করেছে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি। জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান জানান, বরিশালে ২৩২টি সাইক্লোন শেল্টার কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে। প্রয়োজনীয় ত্রাণ সামগ্রী মজুত রয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলার প্রস্তুতি বিষয়ে সাতক্ষীরা প্রতিনিধি জানান, বুলবুলের প্রভাবে সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকায় ভোর থেকেই আকাশ মেঘাচ্ছন্ন। সেই সঙ্গে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়া জেলার ১৩৭টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সবাইকে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়া জন্য এলাকায় মাইকিং করেছেন স্বেচ্ছাসেবীরা। একইসঙ্গে উপকূলীয় এলাকার জেলে-বাওয়ালীদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নদীতে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।


পটুয়াখালী প্রতিনিধি জানান, ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবিলায় জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ৪০৩টি সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সার্বিক বিষয় মনিটরিং করতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। দুর্যোগে ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ১০০ মেট্রিক টন চাল, দুই লাখ ৭৫ হাজার টাকা, ১৬৬ বান্ডিল টিন এবং ৩৫০০ কম্বল মজুত রাখা হয়েছে। এদিকে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে সাগরে সৃষ্ট ঝড়ো হাওয়ায় কুয়াকাটায় বেলাল হোসেন (৪০) নামে এক জেলে নিখোঁজ হয়েছেন। শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে এফ বি মা কুলসুম নামের একটি মাছ ধরা ট্রলার থেকে পড়ে তিনি নিখোঁজ হন। বেলাল পঞ্চগড় জেলার কুরবান আলীর ছেলে।

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি জানান, ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। উপকূলীয় আশ্রয়কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সৈকত সংলগ্ন এলাকা থেকে মানুষ যাতে আগেই নিরাপদ অবস্থানে সরে যায়, সেজন্য মাইকিং করা হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবেলায় প্রস্তুতি নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন। কন্ট্রোল রুম খোলার পাশাপাশি উপকূলীয় এলাকার লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার জন্য মাইকিং চলছে।

নোয়াখালী প্রতিনিধি জানান, ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ এর প্রভাবে শুক্রবার (৮ নভেম্বর) সকাল থেকে নোয়াখালীতে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হয়েছে। দুপুর ১২টা থেকে বৃষ্টির মাত্রা বেড়েছে। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় উপকূলীয় উপজেলা হাতিয়া, সুবর্ণচর ও কোম্পানীগঞ্জে সকালে জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রত্যেক উপজেলায় খোলা হয়েছে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ। ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির আওতায় ৪১৬ ইউনিটের ৬ হাজার ২৪০ জন স্বেচ্ছাসেবককে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৩৪৫টি আশ্রয়কেন্দ্র। ইতোমধ্যে ১১টি মেডিক্যাল টিম প্রয়োজনীয় পর্যাপ্ত ওষুধসহ প্রস্তুত রয়েছে। উপকূলীয় প্রতি উপজেলায় ২০০ প্যাকেট করে শুকনো খাবার পাঠানো হয়েছে। এছাড়া পর্যাপ্ত শুকনো খাবার ৩০০ মেট্রিক টন চাল ও নগদ পাঁচ লাখ টাকা জরুরি অবস্থা মোকাবিলার জন্য মজুত রাখা হয়েছে।

বরগুনা প্রতিনিধি জানান, বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবিলায় বরগুনা জেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে। দুর্যোগ মোকাবিলায় বরগুনায় ৫০৯টি সাইক্লোন শেল্টার, ৪২টি মেডিকেল টিম, ৮টি জরুরি কন্ট্রোল রুমসহ সিপিপি, রেডক্রিসেন্ট ও বিভিন্ন সংগঠনের ১০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রয়েছে।

পিরোজপুর প্রতিনিধি জানান, ঝড়ের প্রভাবে পিরোজপুরে সকাল থেকে দেখা মেলেনি সূর্যের। পাশাপাশি হচ্ছে বৃষ্টি। ঝড়ের আঘাত থেকে ক্ষতির পরিমাণ কমাতে সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় জানানো হয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। প্রত্যেকটি ইউনিয়নে একটি করে মেডিক্যাল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়া জেলার ২২২টি সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখার জন্যও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ‘বুলবুল’ মোকাবেলায় ঘূর্নিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির (সিপিপি) ১২৭৫ জন স্বেচ্ছাসেবক মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে বলে জানান সংগঠনের সহকারী পরিচালক আব্দুল লতিফ।

এদিকে বুলবুলের কারণে বেড়াতে গিয়ে প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে আটকে পড়েছেন দেড় হাজারের মতো পর্যটক। বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌপথে জাহাজসহ সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ থাকায় তারা সেখানে আটকা পড়েন। যারা আজ শুক্রবার সেন্টমার্টিন যেতে চেয়েছিলেন, তারাও বিপাকে পড়েছেন। এক হাজারের বেশি পর্যটক টেকনাফ ঘাট থেকে ফিরে গেছেন।

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

আর/০৮:১৪/০৮ নভেম্বর

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে