Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১৯ , ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১১-০৬-২০১৯

শাম্মী হত্যা : স্বামীর জামিন বাতিলে হাইকোর্টে রুল

শাম্মী হত্যা : স্বামীর জামিন বাতিলে হাইকোর্টে রুল

ঢাকা, ০৬ নভেম্বর - রাজধানীর কল্যাণপুরে গৃহবধূ শাম্মী আক্তার হত্যা মামলার প্রধান আসামি মো. আলমগীর হোসেন টিটুকে (শাম্মীর স্বামী) বিচারিক আদালতের দেয়া জামিন কেন বাতিল করা হবে না -তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। বুধবার হাইকোর্টের বিচারপতি ফরিদ আহমেদ ও বিচারপতি কে এম জাহিদ সারোয়ার বাজলের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে বাদিপক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান ও মহিউদ্দিন আহমেদ। আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

শাম্মী হত্যা মামলা ভিন্ন খাতে স্থানান্তরের বিষয়ে ২০১৭ সালের ৫ নভেম্বর একটি জাতীয় দৈনিকে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপর সেই প্রতিবেদনটি হাইকোর্টের দৃষ্টিগোচর করা হয়। আদালত এরপর রুল জারি করেন এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে হাজির হয়ে আদালতে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেন।

আদালতের নির্দেশ অনুসারে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই নওশের তার ব্যাখ্যা দেন। এরপর আদালত শাম্মীর হত্যা মামলায় ঢাকা মেডিকেল কলেজের ময়নাতদন্তকারী ডা. সোহেল মাহমুদকে ব্যাখ্যা দিতে তলব করেন। সেই প্রেক্ষিতে সোহেল মাহমুদ আদালতে ব্যাখ্যা দেন। কিন্তু আদালত তার বক্তব্য বাতিল করে দেন।

২০১৭ সালের ৫ নভেম্বর জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়, ২০১৭ সালের ৭ জুন রাতে রাজধানীর কল্যাণপুরে ভাড়া বাসায় একটি বায়িং হাউসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন টিটু তার স্ত্রী শামিমা লাইলা আরজুমান্না খান শাম্মীকে (শাম্মী আক্তার) অমানবিক নির্যাতন করে হত্যা করেন। পরে চিকিৎসার নামে হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওই ঘটনায় নিহত গৃহবধূর ছোট ভাই মো. ফরহাদ হোসেন খান বাবু বাদী হয়ে ৮ জুন মিরপুর মডেল থানায় মামলা করেন। পরে পুলিশ ঘাতক স্বামী আলমগীর ও তার তৃতীয় স্ত্রী ইসরাত জাহান মুক্তাকে গ্রেফতার করে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, অভিযোগ উঠেছে, আলোচিত এ মামলার তদন্ত নিয়ে গড়িমসি করছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার এসআই মো. নওশের আলী। মামলার বাদী মো. ফরহাদ হোসেন দাবি করেন, ঢাকায় অবস্থানরত আসামির ধনাঢ্য ভগ্নিপতি মো. আবদুল বাছেদ অর্থের মাধ্যমে ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পরিবর্তন এবং মামলাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহে কাজ করছেন। আর তাই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই নওশের আলী প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে ঘাতক আসামির পক্ষে ভূমিকা রাখছেন।

পরে ওই প্রতিবেদনের ধারাবাহিকতায় মামলাটি হাইকোর্টের নজরে আনেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান।

তবে এরই মধ্যে মামলার প্রধান আসামি মো. আলমগীর হোসেন টিটুকে গত ২৬ জুন জামিন দেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত। এরপর আসামি জামিনে মুক্ত হন। ওই জামিন আদেশ বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে গত ২৭ অক্টোবর আবেদন জানানো হলে শুনানি নিয়ে আদালত আজ রুল জারি করলেন।

সূত্র : জাগো নিউজ
এন এইচ, ০৬ নভেম্বর

আইন-আদালত

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে