Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৯ , ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১১-০৫-২০১৯

রিফাত হত্যা : কিশোর নাজমুলের জামিন হাইকোর্টের তালিকায়

রিফাত হত্যা : কিশোর নাজমুলের জামিন হাইকোর্টের তালিকায়

ঢাকা, ০৫ নভেম্বর - বরগুনার রিফাত শরীফ হত্যা মামলার চার্জশিটভুক্ত ৮ নম্বর আসামি কিশোর নাজমুল হাসানের জামিন চেয়ে করা আবেদন হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে শুনানির জন্য রয়েছে।

আজ (মঙ্গলবার) হাইকোর্টের বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে জামিন শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করবেন আইনজীবী মো. ছগির হোসেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে রয়েছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. বশির উল্লাহ।

এর আগে গত ৩০ অক্টোবর রিফাত হত্যার ঘটনায় চার্জশিটভুক্ত আসামির পক্ষে করা জামিন আবেদন অধিকতর শুনানির জন্য রাখেন হাইকোর্ট। সে অনুযায়ী আজ শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

আইনজীবী মো. ছগির হোসেন বলেন, বরগুনার রিফাত শরীফ হত্যা মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি কিশোর নাজমুল হাসানের হাইকোর্টে করা জামিন আবেদন অধিকতর শুনানির জন্য রেখেছেন আদালত। এ বিষয়ে আজ বিস্তারিত শুনানি করবেন হাইকোর্ট।

মামলার চার্জশিটভুক্ত ছয় কিশোর আসামির মধ্যে নাজমুল হাসান একজন বলে জানান আইনজীবী মো. ছগির হোসেন। এর আগে বরগুনায় গত ১৫ অক্টোবর আসামি নাজমুল হাসানের জামিন আবেদন খারিজ করে দেন বরগুনার আদালত। এই আদেশের বিরুদ্ধে জামিন চেয়ে গত ২৭ অক্টোবর হাইকোর্টে আবেদন করেন তার আইনজীবী। তিনি বলেন, আসামি স্থানীয় একটি স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্র। তার বয়স ১৪ বছর। সে শিশু। এসব যুক্তিতে জামিন আবেদনটি করা হয়।

গত ৫ জুলাই স্কুলে যাওয়ার পথে ওই কিশোরকে গ্রেফতার করা হয়। বর্তমানে সে যশোর শিশু-কিশোর সংশোধনাগারে রয়েছে। গত ১ সেপ্টেম্বর আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেয় পুলিশ। বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ চার্জশিট দাখিল করা হয়।

গত ২৬ জুন সকালে প্রকাশ্যে বরগুনা সরকারি কলেজ গেটের সামনে রিফাতকে কুপিয়ে আহত করা হয়। গুরুতর অবস্থায় বরিশাল নেয়ার পর মারা যান রিফাত। এ ঘটনায় রিফাতের বাবা আবদুল হালিম দুলাল শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনকে আসামি করে বরগুনা থানায় হত্যা মামলা করেন। এতে রিফাতের স্ত্রী মিন্নিকে প্রধান সাক্ষী করা হয়েছিল।

গত ১৬ জুলাই মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বরগুনার মাইঠা এলাকার বাবার বাসা থেকে মিন্নিকে জিজ্ঞাসাবাদ ও তার বক্তব্য রেকর্ড করতে বরগুনা পুলিশ লাইন্সে নিয়ে যায় পুলিশ। দীর্ঘ ১০ ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাত ৯টায় মিন্নিকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

পরদিন মিন্নিকে আদালতে হাজির করা হয়। আদালতে তার পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না। আদালত মিন্নির পাঁচদিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন আদালতের বিচারক মো. সিরাজুল ইসলাম গাজী।

এর পরদিন বরগুনার পুলিশ সুপার মো. মারুফ হোসেন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, মিন্নি তার স্বামী রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। এ হত্যার পরিকল্পনার সঙ্গেও তিনি যুক্ত ছিলেন।

তার পরদিন বিকেলে মিন্নি একই আদালতে তার স্বামী রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এরপর মিন্নির জামিন কেন দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে গত ২০ আগস্ট রুল জারি করেন হাইকোর্ট। এর আগে গত ৩০ জুলাই বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আছাদুজ্জামান মিন্নির জামিন নামঞ্জুর করে আদেশ দেন। তার আগে গত ২১ জুলাই বরগুনার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মো. সিরাজুল ইসলাম গাজীর আদালত মিন্নির জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেন। এরপর মিন্নির জামিনের বিষয়টি হাইকোর্টে আসে।

গত ২৯ আগস্ট আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিকে দুই শর্তে জামিন মঞ্জুর করে রায় দেন হাইকোর্ট। যে দুই শর্তে মিন্নিকে জামিন দেয়া হয়েছে তা হলো- মিন্নি গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন না ও তাকে তার বাবার জিম্মায় থাকতে হবে।

সূত্র : জাগো নিউজ
এন এইচ, ০৫ নভেম্বর

আইন-আদালত

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে