Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ , ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১১-০৩-২০১৯

নগদ প্রণোদনায় রেমিট্যান্সের পালে হাওয়া

নগদ প্রণোদনায় রেমিট্যান্সের পালে হাওয়া

ঢাকা, ০৩ নভেম্বর- বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়াতে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে দুই শতাংশ নগদ প্রণোদনার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। অক্টোবর থেকে এ প্রণোদনা দেয়া শুরু হওয়ায় এর সুফল মিলতে শুরু করেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গেল অক্টোবরে ১৬৩ কোটি ৯৬ লাখ ২০ হাজার ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। যা এ যাবৎকালের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আহরণ।

এর আগে একক মাস হিসাবে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসে ২০১৮ সালের মে মাসে। ওই মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৭৪ কোটি ৮১ লাখ ৬০ হাজার ডলার।

এ বিষয়ে ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান ও ঢাকা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, রেমিট্যান্স বেড়েছে মূলত দুটি কারণে। একটি হলো সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী দুই শতাংশ প্রণোদনা দেয়া শুরু হয়েছে। অন্যটি হচ্ছে ডলারের দাম বেড়েছে। অর্থাৎ এখন ডলারের বিপরীতে বেশি টাকা পাচ্ছে। এসব কারণে প্রবাসীরা বৈধ পথে টাকা পাঠাতে উৎসাহিত হচ্ছেন। এ ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি বছরও বৈধ চ্যানেলে রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স আসবে।

এদিকে রেমিট্যান্সে নগদ প্রণোদনা পেয়ে খুশি প্রবাসীদের স্বজনরা। এমনই একজন বেসরকারি চাকরিজীবী শরিফুল ইসলাম। তিনি জানান, মালয়েশিয়া থেকে এক বন্ধু ৩৮ হাজার টাকা পাঠিয়েছেন। গ্রিন রোডের জনতা ব্যাংকের প্রিন্সিপাল শাখায় তুলতে গেলে ব্যাংক প্রাপ্য অর্থের সঙ্গে আরও ৭৬০ টাকা (২ শতাংশ নগদ প্রণোদনা) বেশি দিয়েছে। সুতরাং এভাবে প্রবাসীদের উৎসাহ দিলে বৈধ পথে রেমিট্যান্স আসবেই বলে জানান তিনি।

এদিকে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে নগদ প্রণোদনা দেয়ার ঘোষণা দেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। ঘোষণা অনুযায়ী প্রবাসী বাংলাদেশিদের বৈধ চ্যানেলে প্রেরিত রেমিটেন্সের বিপরীতে দুই শতাংশ হারে নগদ সহায়তা পাবে। ঘোষণা অনুযায়ী চলতি বছরের জুলাই থেকে প্রণোদনার অর্থ দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু সিস্টেম ডেভেলপ করার জন্য এটি বাস্তবায়নে কিছুটা সময় লেগে যায়। পরে গেল মাস অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ থেকে এ সহায়তার অর্থ পেতে শুরু করে প্রবাসীরা।

তবে অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, অক্টোবর থেকে নগদ প্রণোদনা দেয়া শুরু হলেও গত তিন মাসে অর্থাৎ ১ জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যেসব প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, তারাও এর বিপরীতে দুই শতাংশ হারে নগদ সহায়তা পাবেন।

এদিকে ১৫০০ ডলার পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রেরণে প্রেরণকারীকে কোনো প্রশ্ন করা হবে না, কোনো কাগজ চাওয়া হবে না। তবে ১৫০০ ডলারের বেশি হলে কাগজপত্র দেখাতে হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সদ্য বিদায়ী ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে রেমিট্যান্স আহরণে রেকর্ড হয়েছে। অর্থবছরে প্রবাসী বাংলাদেশিরা এক হাজার ৬৪২ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছে। যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আহরণ।

রেমিট্যান্সের তথ্য পর্যালোচনায় দেখা গেছে, এর আগে গত চার বছরের মধ্যে দেশে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল। এ সময় রেমিট্যান্স আসে এক হাজার ৫৩১ কোটি ৬৯ লাখ মার্কিন ডলার। এর পর ২০১৫-১৬ অর্থবছরে আসে এক হাজার ৪৯৩ কোটি ১১ লাখ মার্কিন ডলার, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানোর পরিমাণ ছিল এক হাজার ২৭৬ কোটি ৯৪ লাখ মার্কিন ডলার। আর ২০১৭-১৮ অর্থবছরের রেমিট্যান্স আসে এক হাজার ৪৯৮ কোটি ডলার। যা তার আগের অর্থবছরের চেয়ে ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি।

সূত্র : জাগো নিউজ২৪
এন কে / ০৩ নভেম্বর

ব্যবসা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে