Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শনিবার, ৬ জুন, ২০২০ , ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

গড় রেটিং: 2.8/5 (12 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১০-২২-২০১৩

বিএনপি যা করতে পারত

আকতার হোসেন


আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রধান বিরোধী দল যে প্রস্তাব দিল তাতে সরকারীদলের একটা চুলও নড়বে বলে মনে হয় না।  আমার মতে একজন কৌশলী রাজনীতিবিদের মত বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম জিয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রস্তাবে সাড়া দিয়ে ১০ জন মন্ত্রীর নাম পাঠিয়ে দিতে পারতেন যার মধ্যে দুজন থাকতো জামাতী। তখন সরকারী দল পড়ত বিপদে। এত বড় আধার সরকারী দলের কাছে শাঁখের করাত হয়ে দাঁড়াত। বিএনপি নাছোড়বান্দা মত বলে যেত পারত, নিলে সবাইকে নেন না হলে কাউকেই না। নাম চেয়েছেন নাম দিয়েছি এখন হয় পুরো প্যাকেজ না হলে যেই লাউ সে কদু। তারপর তাদের ভাঙ্গা রেকর্ড যথাযথ বেজে গেলেও কর্কশ শোনাত না।


	বিএনপি যা করতে পারত

 

আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রধান বিরোধী দল যে প্রস্তাব দিল তাতে সরকারীদলের একটা চুলও নড়বে বলে মনে হয় না।  আমার মতে একজন কৌশলী রাজনীতিবিদের মত বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম জিয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রস্তাবে সাড়া দিয়ে ১০ জন মন্ত্রীর নাম পাঠিয়ে দিতে পারতেন যার মধ্যে দুজন থাকতো জামাতী। তখন সরকারী দল পড়ত বিপদে। এত বড় আধার সরকারী দলের কাছে শাঁখের করাত হয়ে দাঁড়াত। বিএনপি নাছোড়বান্দা মত বলে যেত পারত, নিলে সবাইকে নেন না হলে কাউকেই না। নাম চেয়েছেন নাম দিয়েছি এখন হয় পুরো প্যাকেজ না হলে যেই লাউ সে কদু। তারপর তাদের ভাঙ্গা রেকর্ড যথাযথ বেজে গেলেও কর্কশ শোনাত না।
এই প্রস্তাবের পর সরকার এবং আওয়ামী লীগের মধ্যে যে সমস্ত জামতী এজেন্ট আছে তাদের পায়ের উপর দাঁড়িয়ে ছুটোছুটি করা ছাড়া কোন সুযোগ নেই। প্রধানমন্ত্রীর কান ভারী করে ফয়দা লুটতে না পারলে ছদ্মবেশ ধারণ ঘাপটি মেরে বসে থাকা কেন। লবিং জামাতীরা জেগে উঠলে নির্বাচনের আগে সরকারী দল আর এক দফা ঝাড়ু পেটা করার সুযোগ পেত। আওয়ামী লীগের ভেতর শুদ্ধি অভিযানের এই সুযোগ বিএনপি এনে দিত নিজেদের অজান্তে। বিএনপির দশ জন মন্ত্রীর প্রস্তাবের আরো একটি ভাল দিক হত তা হল বিএনপি জামাতের বন্ধন শক্ত হত। অবিশ্বাস এড়িয়ে বড় ভাই ছোট ভাই এক বেঞ্চে বসে মিটিং করে আনন্দ পেত। অন্যদিকে প্রস্তাব মানলেও বিপদ আর না মানলেও বিপদ হত আওয়ামী লীগের। টক ঝাল মিষ্টি থেকে বেরিয়ে এসে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করার দায়িত্ব এসে যেতে তাদের ঘাড়ে। অন্যদিকে মহা আনন্দে থাকতে পারত বিএনপি। 
গত কয়েক মাস ধরে দুই দল সারাক্ষণ মাঠ এবং খেলা এই শব্দ দুটো খুব বেশি ব্যবহার করে আসছে। হবু মন্ত্রী সাবেক মন্ত্রী আর ভবিষ্যৎ মন্ত্রীরা যখন খেলার ধুলার কথা বলেন তখন গ্যালারীর দর্শক হয়ে একদল লোক বসে বসে ভাবে খেলা যত জমবে ততোই মজা।  আরেক দল সাধারণ মানুষ চুল ভেজাব না আমি বেণী ভেজাব না সেই দলের লোক হয়ে বসে থাকে টেলিভিশনের পর্দার সামনে। তাদের চার দেয়ালের মধ্যে চলে আসে গোটা বাংলাদেশ। আর একটি বিশেষ সুবিধাবাদী দল ভাবতে থাকে লাভের বেলায় আছি ক্ষতির বেলায় নাই। কিন্তু রাজনীতি মধ্য থেকেই যারা রাজনীতি শিখতে চায় তাদের বেশির ভাগ কঠিন রাজনীতি মধ্যে যে গতিশীলতা সেখান থেকে কমল রাজনীতি শেখার একটা প্রবণতা লুকিয়ে রাখে। তাদের জন্য মোহন ক্ষণটি হয়তো আসতে শুরু করেছে।  
সত্যি কথা বলতে কি এতদিন কোন রাজনীতিই ছিল না। এখন শুরু হয়েছে রাজনীতি। সিংহ এর মত হিংস্র এবং শিয়ালের মত চতুর এই ফর্মুলায় যে রাজনীতি সেটা হয়তো এখন কিছুটা দেখা যাবে। হিন্দি সিনেমার মারমার কাটকাট ক্লাইম্যাক্স রাজনীতিতে কোন কিছুই যে বদলায় না সে কথা এখন সকলেই বুঝে গেছে। আবার মারমার কাটকাট রাজনীতিকে বর্জন করতে গিয়ে বয়সের ভারে ন্যুব্জ ৫ জন ৫ জন সাবেক উপদেষ্টার রশি খেলা কোন প্রাণ পাবে বলে মনে হয় না। 
সাপ লাঠির খেলাটা হল ভাল হত। সাপ ও মরবে লাঠিও ভাঙ্গবে না বাংলাদেশের রাজনীতিতে অনেক দিন এমন খেলা দেখা হয় না।  
 

অভিমত/মতামত

আরও লেখা

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে