Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৯ , ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১০-২২-২০১৯

ঘুষের টাকাসহ দুদকের হাতে যেভাবে ধরা খেল রাজস্ব কর্মকর্তা

ঘুষের টাকাসহ দুদকের হাতে যেভাবে ধরা খেল রাজস্ব কর্মকর্তা

টাঙ্গাইল, ২২ অক্টোবর- টাঙ্গাইল কাস্টমস, এক্সাইজ অ্যান্ড ভ্যাট কার্যালয়ের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মারুফ ওরফে ফেরদৌসকে ঘুষের ১৫ হাজার টাকাসহ আটক করেছে দুদক। মঙ্গলবার দুপুরে আটককৃত সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মারুফ ওরফে ফেরদৌস রাজশাহী জেলার রাজপাড়া উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের মোসলেম আলীর ছেলে।

জানা যায়, টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার কয়ড়া গ্রামের স্বর্গীয় মনিন্দ্র পালের ছেলে গোবিন্দ কিশোর পাল তার মুক্তা ফুড প্রডাক্টসের নিবন্ধনের জন্য টাঙ্গাইল কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কার্যালয়ে যান। ওই কার্যালয়ের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মারুফ ওরফে ফেরদৌসের সঙ্গে তার আলাপ হয়। এ সময় নিবন্ধন করে দেয়ার আশ্বাস দিয়ে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ২০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। মায়ের অসুস্থতার জন্য গোবিন্দ কিশোর পাল ১৫ হাজার টাকায় মুক্তা ফুড প্রডাক্টসের নিবন্ধন করে দেয়ার অনুরোধ করেন। এতে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মারুফ ওরফে ফেরদৌস রাজি হয়ে গোবিন্দ কিশোর পালের কাছ থেকে ১৫ হাজার টাকা ঘুষ নেন। টাকা পেয়েও সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মারুফ ওরফে ফেরদৌস মুক্তা ফুড প্রডাক্টসের নিবন্ধন করে দিতে গড়িমসি করেন। এক পর্যায়ে গোবিন্দ কিশোর পাল দুর্নীতি দমন কমিশনের টাঙ্গাইল সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে জানান।

খবর পেয়েই দুদক টাঙ্গাইল সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান টাঙ্গাইল কাস্টম, এক্সাইজ ও ভ্যাট কার্যালয়ের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মারুফ ওরফে ফেরদৌসকে চ্যালেঞ্জ করেন। এ সময় ঘুষ হিসেবে নেয়া টাকার নম্বর বলার পর সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মারুফ ওরফে ফেরদৌস তার কাছে থাকা টাকা বের করে দেন। ওই টাকায় গোবিন্দ কিশোর পালের দেয়া নম্বর মিলিয়ে ১৫টি এক হাজার টাকার নোটে ১৫ হাজার টাকা জব্দ এবং সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তাকে আটক করে দুদক কার্যালয়ে নিয়ে আসেন।

মুক্তা ফুড প্রডাক্টসের স্বত্ত্বাধিকারী গোবিন্দ কিশোর পাল জানান, নিবন্ধনের জন্য সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মারুফ ওরফে ফেরদৌস ২০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। ১৫ হাজার টাকা দেয়ার পরেও তিনি নিবন্ধন করে দিতে গড়িমসি করেন। সন্দেহ হওয়ায় টাকা দেয়ার আগে তিনি প্রতিটি এক হাজার টাকার নোটের নম্বর লিখে রেখেছিলেন।

এ প্রসঙ্গে দুদক টাঙ্গাইল সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, তাদের কাছে অভিযোগ ছিল নতুন ভ্যাট আইনের আওতায় ১৩ ডিজিটের ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন করার জন্য ঘুষ দাবি করছে ভ্যাট কর্মকর্তা। এ খবরের ভিত্তিতে তারা টাঙ্গাইল কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কার্যালয়ে অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় ঘুষের ১৫ হাজার টাকা সহ সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মারুফ ওরফে ফেরদৌসকে আটক করেন তারা।

তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে দুদক আইনে মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে। এ ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত থাকলে তাদেরকেও আইনের আওতায় আনার বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি।

সূত্র : জাগো নিউজ২৪
এন কে / ২২ অক্টোবর

টাঙ্গাইল

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে