Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১৯ , ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১০-২২-২০১৯

দখল-দূষণে বিপর্যস্ত ইছামতি

দখল-দূষণে বিপর্যস্ত ইছামতি

ঢাকা, ২২ অক্টোবর - প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে খাল বিল ও নদী খেকোদের বিরুদ্ধে প্রশাসন ব্যবস্থা নিলেও ঢাকার নবাবগঞ্জে ইছামতি নদী দখলদার ও দূষণকারীদের বিরুদ্ধে জাতীয় নদী কমিশন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করায়, প্রতিনিয়ত দখল ও দূষণে বিপযর্ন্ত হচ্ছে এই অঞ্চলের ইতিহাস ও ঐতিহ্যেও নিরব সাক্ষী ইছামতি নদী।

ইছামতি নদীর তীরবর্তী এলাকাবাসীর দাবি, বেসরকারি ক্লিনিক, হাট বাজারের কতিপয় ব্যবসায়ী ও নদীর তীরবর্তী ইটভাটাগুলো নিজেদের ইচ্ছে মতো দূষণ ও দখল করে নদীটিকে বিপযর্ন্ত করে তুলেছে। এর ফলে নদী বাঁচাতে বর্তমান সরকারের সদিচ্ছা থাকলে ও কতিপয় প্রভাবশলীদের হাত থেকে ইছামতি নদী রক্ষায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নিরব ভূমিকা স্থানীয় জনসাধারনের মনে বিভিন্ন প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার বান্দুরা বাজার, নবাবগঞ্জ সদর, বাগমারা বাজার এলাকার বেসরকারি ক্লিনিক, হাট বাজারের ব্যবসায়ীগণ ইছামতি নদী প্রতিনিয়ত দূষণ করেছে। অনেক প্রতিষ্ঠান নবাবগঞ্জ-ঢাকা আঞ্চলিক সড়ক কেটে পাইপ বসিয়ে নদীতে বর্জ ফেলে নদীটি দূষিত করছে।

এছাড়া কোমরগঞ্জ বাজার, আগলা বাজার, শিকারীপাড়া বাজার, কুমার বারিল্যা, কলাকোপা পোদ্দার বাজার ও তৎসংলগ্ন এলাকায় ইছমতি নদীর তীর দখল করে গড়ে তুলেছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও পার্ক। কেউ বা আবার নদীর তীর বালু দিয়ে ভরাট করে বিক্রির পায়তারা করছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নদী কমিশন পরিবেশ অধিদপ্তরের কোন কার্যক্রম না থাকায় দখল ও দূষণে নদীটি ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

কোলাকোপা পোদ্দার বাজার গান্ধীর মাঠ সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা নিতাই (৪৭) বলেন, আমরা সাধারণ মানুষ। আমাদের কিছু করার নেই। উপজেলা প্রশাসনের নাকের ডগায় এসব কাজ হচ্ছে। প্রশাসন এখানে নদী রক্ষায় ভূমিকা রাখছে না। প্রভাবশালীরা জড়িত থাকায় প্রতিবাদ জানিয়েও তাদের টনক নাড়ানো যাচ্ছে না। এসব কাজের সাথে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের এগিয়ে আসতে হবে। নদীর দূষণ রোধে দায়িত্বশীলরা এগিয়ে আসছেন না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

ইছামতি নদীর দখল ও দূষণের বিষয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. রেজওয়ান হোসেন ভূইয়া বলেন, নদী হচ্ছে একটি দেশের প্রাণ। নদীর দখল ও দূষণ রোধে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় জনগনকে অবশ্যই সচেতন হতে হবে। নদী বাঁচলে কৃষক বাঁচবে, বাঁচবে দেশের পরিবেশ। জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মুজিবুর রহমান হাওলাদার বলেন, আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে নদীটির দখল ও দূষণের বিষয়টি জানতে পেরেছি। আমাদের কার্যালয় থেকে একটি টিম দ্রুত ঢাকার নবাবগঞ্জে ইছামতি নদী সরেজমিনে পরিদর্শনে যাবে।

সূত্র : বাংলাদেশ জার্নাল
এন এইচ, ২২ অক্টোবর

পরিবেশ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে